Annapurna Yojana: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেলেও কেন সবাই কেন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাচ্ছেন না? কবে থেকে সকলে পাবেন?

Share This Post

Annapurna Yojana: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেলেও কেন সবাই কেন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাচ্ছেন না? কবে থেকে সকলে পাবেন?

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠছে কারা টাকা পাবেন, কার আবেদন বাতিল হতে পারে, টাকা না এলে কী করতে হবে এবং নতুন করে আবেদন বা তথ্য সংশোধনের সুযোগ কীভাবে মিলবে

রিসাইটাল স্ফেরিকাল ডট ওআরজি ডিজিটাল ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ফের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট। যোগ্য মহিলাদের জন্য মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এই প্রকল্পে ইতিমধ্যেই একাধিক দফায় টাকা পাঠানো হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি পশ্চিমবঙ্গের মহিলা, যাঁরা আয়করদাতা নন এবং স্থায়ী সরকারি চাকরি বা নিয়মিত সরকারি বেতন-পেনশন পান না, তাঁরা এই সুবিধার আওতায় আসতে পারেন। টাকা সরাসরি আধার-লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে DBT-এর মাধ্যমে জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠছে কারা টাকা পাবেন, কার আবেদন বাতিল হতে পারে, টাকা না এলে কী করতে হবে এবং নতুন করে আবেদন বা তথ্য সংশোধনের সুযোগ কীভাবে মিলবে—তা নিয়ে। সাম্প্রতিক আপডেট অনুযায়ী, প্রকল্পের আওতা আরও বাড়ানো এবং যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন তথ্যও সামনে এসেছে।


বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘ আমি কয়েকদিন আগে বলেছিলাম যে সতেরো তারিখ থেকে আমাদের তৃতীয় পর্যায়ে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার শুরু হবে। আমরা যেহেতু সংকল্প পত্রে ঘোষণা করেছিলাম আমরা প্রথম জুন মাসে আঠাশ লক্ষ বেনিফিশিয়ারিকে অনলাইন এবং অফলাইনের মধ্যে দিয়ে আমরা শুধু প্রোগ্রামটা লঞ্চ করিয়েছিলাম। এটা করার পিছনে অনেকগুলো কারণ ছিল। প্রথমত সরকারি টাকা, এই সরকারি অর্থ সঠিক জায়গায় ব্যয় করা উচিত। সরকারি অর্থে নয়ছয় করার কোনও অধিকার কোনও মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী বা আধিকারিকের নেই। তাছাড়াও বিগত দিনের লক্ষ্মী ভাণ্ডার বলুন বা আমাদের সরকার আসার পরে অন্নপূর্ণা যোজনা একটা সম্পূর্ণভাবে মহিলাদের একটি স্কিম তার বয়স নির্দিষ্ট করা আছে পঁচিশ থেকে ষাট বছর। সেক্ষেত্রে কোনো পুরুষের বা বয়সের পঁচিশ বছরের কম যারা তারা পাওয়ার যোগ্য হতে পারে না। বিগত সরকার যখন প্রথম শুরু করে খুব অনিয়মিতভাবে প্রায় ন’মাস গেছে পাঁচশো টাকা করে ভাতা দিতে এবং প্রতি মাসেই তাদের সংখ্যা এদিক ওদিক হয়েছে। নির্বাচনের আগে তড়িঘড়ি করে দু কোটি র আশেপাশে কিছু সংখ্যা হবে, দেড় হাজার টাকা করে ট্রান্সফার করা হয় মাত্র দু মাসের জন্য। শেষের দিকে এবং সেটা করতে গিয়ে আমরা দেখলাম যে আমরা যদি সকলকেই লিস্টটাকে কনভার্ট করে দিই অন্নপূর্ণা যোজনাতে, তাতে এসআইআর এর নাম বাদ গেছে, ভারতীয় নয়, এমন লোকের নাম থাকবে, মৃত লোকের নাম থাকবে, পুরুষদের নাম তাতে থেকে যাবে। সেই কারণে আমরা নতুন সরকার স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এই কর্মসূচি দেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা ফর্ম চালু করি এবং আমাদের পোর্টাল চালু হয়। ভেরিফিকেশনে যারা যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন, বৈধ, তাদের অর্থ সতেরো তারিখ থেকে প্রদান করা হবে। এর পরেও আমরা একটা অভিযোগ পোর্টাল রাখব যে অভিযোগ পোর্টালে পরবর্তী সময়ে যে কেউ অভিযোগ জানাতে পারবেন।’

তথ্য ও ছবি : সংগৃহীত

Share This Post

Subscribe To Our Newsletter

Get updates and learn from the best

More To Explore

Do You Want To express your thoughts

drop us a line and keep in touch

Search