Elon Musk on COVID Vaccine:
কোভিডের টিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিলেন ইলন মাস্ক। ডোজ় বেশি দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বার টিকা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন।
নয়াদিল্লি: কোভিড থেকে বাঁচতে টিকা নিতে ছুটেছিলেন অনেকে। সরকারি বিধিনিয়মের জেরে কেউ আবার টিকা নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেই কোভিড টিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিলেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তাঁর দাবি, ঠান্ডা লেগে যেমন সাধারণ ফ্লু হয়, তার চেয়ে বেশি কিছু হয়নি। কিন্তু কোভিডের টিকা হিসেবে যা দেওয়া হচ্ছিল, তার ডোজ়ই বেশি ছিল না শুধু, প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বারও দেওয়া হয়েছিল।
কোভিডের টিকা উৎপাদনকারী সংস্তা Pfizer-এর টক্সিকোলজি বিভাগের প্রাক্তন প্রধান সম্প্রতি বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, অতিমারির সময় জার্মানিতে যে ৬০০০০ মানুষ মারা যান, তার মধ্যে ২০০০০ মানুষের মৃত্যু হয় কোভিডের টিকা নিয়ে। জার্মানির সংসদের তদন্ত কমিটিতে বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে বলে জানান তিনি। কোভিড টিকার জেরে মৃত্যু সংক্রান্ত খবরাখবর ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন সুইডেনের সাংবাদিক পিটার ইম্যানুয়েলসন।
পিটারের ওই পোস্টই নিজের হ্যান্ডল থেকে পুনরায় পোস্ট করেন মাস্ক। সেই সঙ্গে লেখেন, ‘ টিকার ডোজ় অবশ্যই চড়া ছিল। বেশি বারও দেওয়া হয়। কোনও টিকা বাজারে আসার আগে আমি আসল উহান ভাইরাসে সংক্রামিত হয়েছিলাম। সাধারণ ঠান্ডা লাগা, ফ্লু-র মতোই ছিল। ফ্লু, পরিস্থিতি খারাপই ছিল, তবে গুরুতর নয়। কিন্তু টিকার দ্বিতীয় ডোজ় আমাকে প্রায় হাসপাতালে পৌঁছে দিচ্ছিল। মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি মনে হচ্ছিল’।
The vaccine dosage was obviously too high and done too many times.
— Elon Musk (@elonmusk) April 12, 2026
I had the original Wuhan virus before there was any vaccine and it was much like any other cold/flu. Bad, but not terrible.
But my second vaccine shot almost sent me to the hospital. Felt like I was dying. https://t.co/rFuUpzBkKH
কোভিড টিকার কার্যকারিতা নিয়ে আগেও প্রশ্ন উঠেছে। পুনরায় মাস্কের এই পোস্টটি নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। মানুষের শরীরে ঠিক কী গিয়েছে, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠছে। কোভিডকে সামনে রেখে মানুষকে ভয় দেখানো হয়েছে, পরীক্ষা নিরীক্ষায় অংশ নিতে বাধ্য করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করছেন নেটিজেনরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যদিও অনেক আগেই জানায় যে, কোভিডের টিকা নিরাপদ। টিকা নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
তবে এই প্রথম নয়। আগেও কোভিড টিকার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মাস্ক। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে বাস্কেটবল তারকা লেব্রন জেমসের ছেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সেবারও কোভিড টিকাকেই দায়ী করেন মাস্ক। তিনি বলেন, “সব কিছু কোভিড টিকার উপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না। কিন্তু একই ভাবে কিছু না চাপিয়েও থাকা যায় না।”

