নেতাজীকে অপমান, সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচির পোস্ট করলে মিলবে না ছাড়, করা হতে পারে গ্রেফতার, জানিয়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়

Share This Post

Netaji Subhash Chandra Bose : নেতাজীকে অপমান, সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচির পোস্ট করলে মিলবে না ছাড়, করা হতে পারে গ্রেফতার, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

Suvendu Adhikari: নেতাজি সম্পর্কে অপমানজনক মন্তব্যে এবার কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সোশ্য়াল মিডিয়া পোস্ট, লাইক-শেয়ার-কমেন্টেও কড়া ব্যবস্থা।

রিসাইটাল স্ফেরিকাল ডট ওআরজি ডিজিটাল ডেস্ক : নেতাজী সম্পর্কে অপমানজনক মন্তব্যে এবার কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। বললেন, “যাঁরা দুঃসাহস দেখিয়েছেন, তা ভাল নয়, এটা ভাল ভাবে নিচ্ছি না। অবিলম্বে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট করুন, ডিলিট করলেও ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। সাইবার সেলকে এব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছি। উত্তরবঙ্গের বিধায়করা এনিয়ে আমার কাছে দাবি জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে থেকে এসব চলবে না, প্রয়োজনে গ্রেফতারও করা হবে বলে নির্দেশ দিলেন তিনি।

বুধবার নবান্নের সভাঘর থেকে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। উত্তরবঙ্গের বিধায়কদের পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। জানান, কিছু মানুষ বিশ্ববন্দিত, প্রকৃত দেশপ্রেমিক, ভারতের স্বাধীনতার প্রধান স্থপতি, নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করে চলেছেন। রাজ্য সরকার বিষয়টির দিকে নজর রেখেছিল। সেই নিয়ে অভিযোগ এসেছে তাঁর কাছে। উত্তরবঙ্গের বিধায়করা বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। নেতাজী সম্পর্কে অপমানজনক, মিথ্যা, অপপ্রচারের দুঃসাহস দেখালে, যাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, দাবি জানান সকলে। সেই দাবিকে সমর্থন করে রাজ্যের সরকার।

গত বেশ কিছু দিন ধরেই নেতাজী সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করে আসছেন বিজেপি-র রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজ। প্রকাশ্য সভা থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, সর্বত্রই নেতাজীকে অপমান করতে শুরু করেন তিনি। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “নেতাজীর বা** শক্তি আছে নাকি আজাদ হিন্দ ফৌজ বানানোর? ওগুলো সব ব্রিটিশ সৈনিক। জার্মানরা বন্দি বানিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। দিয়েছিল নেতাজীকে। নেতাজী সেটার অপব্য়বহার করেছেন। আমাদেপ পূর্বপুরুষ আজাদ হিন্দ বাহিনীকে শাস্তি দেওয়া হয়নি…তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল না কেন?”

শুধু তাই নয়, নেতাজীকে ‘দেশদ্রোহী’ বলেও আক্রমণ করেন অনন্ত। নেতাজী আদৌ ভারতের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন, না অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল তাঁর, এমন প্রশ্নও তোলেন। শাসকদলের সাংসদ হয়ে যেভাবে পর পর ওই ধরনের মন্তব্য করছিলেন অনন্ত, তা কি নেতৃত্বের কানে পৌঁছচ্ছে না, তা নিয়ে গোড়া থেকেই প্রশ্ন উঠছিল। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোবন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে মুখ খোলেন একদিন আগে। এমনকি বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য নিয়েও কাটাছেঁড়া শুরু হয়। সেই আবহেই এদিন কড়া বার্তা দিলেন শুভেন্দু। আজ বিধানসভাতেও বিধায়কদের নেতাজীর নামে ‘সেবাকেন্দ্র’ খোলার পরামর্শ দেন তিনি। তার জন্য অর্থসাহায্যের ঘোষণাও করেন।

তথ্য ও ছবি : সংগৃহীত

Share This Post

Subscribe To Our Newsletter

Get updates and learn from the best

More To Explore

Do You Want To express your thoughts

drop us a line and keep in touch

Search