<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Tribute Archives - RecitalSpherical</title>
	<atom:link href="https://recitalspherical.org/category/tribute/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://recitalspherical.org/category/tribute/</link>
	<description>Official Website</description>
	<lastBuildDate>Tue, 07 Mar 2023 06:30:45 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/07/cropped-Site-Identity-32x32.jpg</url>
	<title>Tribute Archives - RecitalSpherical</title>
	<link>https://recitalspherical.org/category/tribute/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ভারতের এডিসন গোপালস্বামী দোরাইস্বামী নাইডু</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shubhra Saha]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Mar 2023 06:22:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=2235</guid>

					<description><![CDATA[<p>জি ডি নাইডু বা গোপালস্বামী দোরাইস্বামী নাইডু, “ভারতের এডিসন” এবং &#8220;কোয়েম্বাটুরের সম্পদ স্রষ্টা&#8221; হিসাবে অভিহিত করা হয় ।ভারতের শিল্প বিপ্লবে এই বিখ্যাত ব্যাক্তির কৃতিত্ব অপরিসীম। প্রথাগত এবং পুঁথিগত শিক্ষা অর্জন না করেও যে বিজ্ঞানী হয়ে ওঠা যায় সেই বিষয়টিরই প্রমাণ পাওয়া যায় এই মহান ব্যাক্তির জীবন কাহিনী থেকে। কোনো বিষয়ের প্রতি নিষ্ঠা ও ভালোবাসাই যে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80/">ভারতের এডিসন গোপালস্বামী দোরাইস্বামী নাইডু</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p></p>



<p>জি ডি নাইডু বা গোপালস্বামী দোরাইস্বামী নাইডু, “ভারতের এডিসন” এবং &#8220;কোয়েম্বাটুরের সম্পদ স্রষ্টা&#8221; হিসাবে অভিহিত করা হয় ।ভারতের শিল্প বিপ্লবে এই বিখ্যাত ব্যাক্তির কৃতিত্ব অপরিসীম।</p>



<p>প্রথাগত এবং পুঁথিগত শিক্ষা অর্জন না করেও যে বিজ্ঞানী হয়ে ওঠা যায় সেই বিষয়টিরই প্রমাণ পাওয়া যায় এই মহান ব্যাক্তির জীবন কাহিনী থেকে। কোনো বিষয়ের প্রতি নিষ্ঠা ও ভালোবাসাই যে কোনো কোনো ব্যক্তির সাফল্যের প্রথম সিড়ি তা আমরা এই মানুষটির থেকেই শিখতে পারি।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2023/03/IMG-20230301-WA0004.jpg" alt="" class="wp-image-2241" width="390" height="482"/><figcaption><em>ভারতের এডিসন</em></figcaption></figure>



<p><strong><em>জন্ম ও প্রথম জীবন</em></strong>  <strong><em>:</em></strong></p>



<p>১৮৯৩ সালের ২৩ মার্চ তামিলনাড়ুর কোয়ম্বত্তূরের কলঙ্গায় এক তেলুগু কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিজ্ঞানী গোপালস্বামী। জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি নিজের মা কে চিরকালের মতো হারিয়ে ফেলেন। স্কুলে যেতে একদমই পসন্দ করতেন না গোপালস্বামী। ক্লাস চলাকালীন শিক্ষকদের উত্ত্যক্ত করার জন্য তাঁকে বহু বার শাস্তিও পেতে হয়। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তে পড়তেই তিনি স্কুল চ্যুত হয়ে পড়েন।</p>



<p>পড়াশোনা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গোপালস্বামী তাদের পারিবারিক জীবিকা কৃষিকাজে তাঁর বাবাকে সাহায্য করতে শুরু করেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে ১৯১২ সালে এক ব্রিটিশ আধিকারিকের কাছে রুজ মোটরবাইক দেখে তিনি মোটর বাইকের প্রতি আকৃষ্ট হন। কিন্তু সেই সময় মোটরবাইক কেনার মতো সামর্থ্য ছিল না তার।</p>



<p>মোটরবাইকের নেশায় গ্রাম ছেড়ে কোয়ম্বত্তূরে চলে আসেন গোপালস্বামী। তার একমাত্র উদ্দেশ্যই হয়ে ওঠে প্রচুর টাকা রোজগার করে মনের মতো বাইক কেনা। কোয়ম্বত্তূরে প্রায় তিন বছর ধরে এক জন হোটেলে কর্মী হিসাবে তিনি কাজ করেন। এই তিন বছরের কঠোর পরিশ্রমে একটি মোটরবাইক কেনার মতো অর্থ সঞ্চয় করে আবার বাড়ি ফিরে যান।</p>



<p>টাকা সঞ্চয় করার পর গোপালস্বামী ওই ব্রিটিশ আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ৩০০ টাকার বিনিময়ে তাঁর কাছ থেকে ওই রুজ মোটরবাইক কিনে নেন। তবে মোটরবাইক চেপে ঘোরার বদলে ইঞ্জিনের নকশা এবং গঠন অধ্যয়ন করার জন্য তিনি সেটিকে খুলে ফেলেন। এটিই ছিল মোটর ইঞ্জিন ও অটোমোবাইল বোঝার জন্য নাইডুর প্রথম প্রচেষ্টা।</p>



<p>মোটরবাইকের গঠন এবং সজ্জা ভাল ভাবে শিখে ও বুঝে নেওয়ার পর গোপালস্বামী এক জন মেকানিক হিসাবে কাজ করা শুরু করেন ।তারপর তিনি কোয়ম্বত্তূরের বুকে একটি ছোট গ্যারেজও চালু করেন।</p>



<p>১৯২০ সালে, তিনি <strong>&#8216;ইউনিভার্সাল মোটর সার্ভিসেস&#8217;</strong> নামে তার পরিবহন ব্যবসা শুরু করেন এবং তিনি একটি অটোমোবাইল কোচ কিনেছিলেন। তার এই পরিবহন সংস্থাটি সেই কোচটিকে পোলাচি থেকে পালানির পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন চালু করে। কয়েক বছরের ব্যবধানে গোপালস্বামী এতটাই সফল হয়ে ওঠেন যে তাঁর মালিকানাধীন সংস্থা দেশের সবচেয়ে বড় যাত্রী পরিবহণ সংস্থায় পরিণত হয়। পরবর্তী কালে তিনি কোয়ম্বত্তূরের পিলামেদুতে <strong>‘ন্যাশনাল ইলেকট্রিক ওয়ার্কস’ </strong>নামে আরও একটি নতুন সংস্থা শুরু করেন।ইউনিভার্সাল রেডিয়েটরস ফ্যাক্টরি, গোপাল ক্লক ইন্ডাস্ট্রি, কোয়েম্বাটোর ডিজেল পণ্য এবং কোয়েম্বাটোর ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লিমিটেড, কোয়েম্বাটোর আর্মেচার উইন্ডিং ওয়ার্কস, ইউএমএস রেডিও ইন্ডাস্ট্রি এবং কার্বন উৎপাদন শিল্প হল তার প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি কারখানা।</p>



<p><strong><em>নাইডুর কিছু বিখ্যাত উদ্ভাবন :</em></strong></p>



<p>নাইডু তার জীবনদশায়, বৈদ্যুতিক, কৃষি, যান্ত্রিক এবং অটোমোবাইলের মতো একাধিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন উদ্ভাবনে কাজ করেছেন।তাঁর যে উদ্ভাবনগুলো সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল তার মধ্যে অন্যতম ছিল ডি. বালাসুন্দরাম নাইডুর সাথে ১৯৩৭ সালে ভারতের প্রথম বৈদ্যুতিক মোটরের বিকাশ।</p>



<p>তার বৈদ্যুতিক মোটরের সাফল্যের পর, তিনি বালাসুন্দরামের সাথে টেক্সটুল এবং পরে লক্ষ্মী মেশিন ওয়ার্কস প্রতিষ্ঠা করেন।</p>



<p>ইলেকট্রনিক্সের ক্ষেত্রে, তিনি এমন গ্যাজেট তৈরি করেছিলেন যা দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে তোলে। নাইডুই বাজারে প্রথম পাতলা শেভিং ব্লেড সহ বৈদ্যুতিক রেজার নিয়ে এসেছিলেন যা শুষ্ক কোষ দ্বারা চালিত একটি ছোট মোটরকে অন্তর্ভুক্ত করে, যাকে হেইলব্রন বলা হয়। এছাড়াও ক্যামেরার বেশ কয়েকটি যন্ত্র, ফলের রস বার করার মেশিন, ভোটিং মেশিন এবং কেরোসিন চালিত পাখা আবিষ্কার করেন তিনি।</p>



<p>তিনি একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তাই তিনি তার শ্রোতাদের দৈনন্দিন সমস্যার সস্তা সমাধান দেওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলেন।১৯৪১ সালে তিনি ভারতে পাঁচ-ভালভ যুক্ত একটি আধুনিক রেডিও সেট উদ্ভাবন করেছিলেন। যাতে সাধারণ মানুষ কিনতে পারেন, তাই তিনি মাত্র ৭০ টাকার বিনিময়ে সেই রেডিয়ো বাজারে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন।</p>



<p>১৯৫২ সালে, নাইডু একটি টু-সিটার পেট্রোল গাড়ি উদ্ভাবন করেছিলেন যা তিনি শুধুমাত্র ২০০০/- টাকা মূল্যে বিক্রি করতে চেয়েছিলেন যাতে সেই গাড়ি সাধারণের নাগালে আসতে পারে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সরকার তাকে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স দিতে অস্বীকার করে এবং পরবর্তীতে পণ্যটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img decoding="async" width="1024" height="751" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2023/03/IMG-20230301-WA0001-1024x751.jpg" alt="" class="wp-image-2239" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2023/03/IMG-20230301-WA0001-1024x751.jpg 1024w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2023/03/IMG-20230301-WA0001-300x220.jpg 300w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2023/03/IMG-20230301-WA0001-768x563.jpg 768w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2023/03/IMG-20230301-WA0001.jpg 1500w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption><em>নাইডু</em></figcaption></figure>



<p><strong><em>চিত্রকর হিসেবে নাইডু :</em></strong></p>



<p>একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এবং ব্যবসায়ী ছাড়াও, নাইডু একজন ফটোগ্রাফার ছিলেন যিনি বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ করতে পছন্দ করতেন এবং তিনি বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের ছবি তুলতেন।</p>



<p>তিনি জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তিনি কে. কামরাজকে অনেক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান। নাইডুর ক্যামেরায় বন্দী যে ভারতীয় অকুতোভয় ব্যক্তিরা ছিলেন তাদের মধ্যে ছিলেন মহাত্মা গান্ধী, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জওয়ারহরলাল নেহেরু এবং সুভাষ চন্দ্র বসু।১৯৩৫ সালে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে লন্ডনে রাজা পঞ্চম জর্জের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চিত্রায়িত করেন।</p>



<p><strong><em>দেশের প্রথম পলিটেকনিক কলেজ :</em></strong></p>



<p>১৯৪৫ সালে, ভারতের প্রথম পলিটেকনিক কলেজ, আর্থার হোপ পলিটেকনিক এবং আর্থার হোপ কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং জিডি নাইডু দ্বারা জওহরলাল নেহরুর প্রচেষ্টা এবং অনুদানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কলেজটির নামকরণ করা হয়েছিল মাদ্রাজের গভর্নর আর্থার হোপের নামে।পরে সরকার কলেজটিকে তার বর্তমান অবস্থানে স্থানান্তরিত করে এবং এর নাম পরিবর্তন করে সরকারি কলেজ অব টেকনোলজি (GCT) রাখে।</p>



<p><strong><em>শিক্ষকতা :</em></strong></p>



<p>১৯৪৫ সালে, জিডি নাইডু কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। নাইডু চার বছরের কর্মসূচীতে সন্তুষ্ট ছিলেন না এবং বলেছিলেন যে এটি শিক্ষার্থীদের জন্য সময়ের অপচয়। তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন যে দুই বছর একই কোর্স শেখানোর জন্য যথেষ্ট, এমনকি বিভিন্ন ঘনত্বের সাথেও। যাইহোক, ব্রিটিশ সরকার তার ধারণা গ্রহণ করেনি এবং নাইডু তার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img decoding="async" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2023/03/IMG-20230301-WA0002.jpg" alt="" class="wp-image-2240" width="393" height="464"/><figcaption><em>নাইডুর আবিষ্কার</em></figcaption></figure>



<p><strong><em>অবসর জীবন :</em></strong><br>১৯৪৪ সালের শেষ নাগাদ তিনি তার সমস্ত ব্যবসা থেকে অবসর নিয়েছিলেন এবং তার কর্মচারী এবং সমাজের হতাশাগ্রস্ত অংশগুলির জন্য গবেষণা বৃত্তি এবং কল্যাণ প্রকল্পের জন্য অনুদান সহ বেশ কিছু জনহিতকর পদক্ষেপের পথে যাত্রা করেন।</p>



<p>মাত্র দুই বছর পর, তিনি <strong>&#8216;শিল্প শ্রম কল্যাণ সমিতি&#8217;</strong> (এখন জিডি নাইডু চ্যারিটিস নামে পরিচিত) প্রতিষ্ঠা করেন যাতে উচ্চ শিক্ষায় ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করা যায় যাতে ছাত্ররা সহজে চাকরি পেতে পারে।</p>



<p>তিনি সবসময় মধ্যবিত্তদের সাহায্য করতে এবং তাদের জীবনকে সহজ করতে চেয়েছিলেন। নাইডুর অবসর-পরবর্তী জীবন বেশিরভাগই নিবেদিত ছিল তার কর্মচারী এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প নিয়ে এসে সমাজকে আরও উন্নত করার জন্য। তিনি এমন গবেষকদের অনুদান দেবেন যারা তার মতো উদ্ভাবনের সম্ভাবনা দেখিয়েছিলেন।</p>



<p><strong><em>মৃত্যু :</em></strong></p>



<p>১৯৭৪ সালের ৪ জানুয়ারি ৮০ বছর বয়সে তামিলনাড়ুতে ‘ভারতের এডিসন’ গোপালস্বামীর জীবনাবাসন হয় । তাঁর মৃত্যুর শোক তামিলনাড়ু-সহ সারা দেশে ছড়িয়ে প়ড়েছিল।</p>



<p class="has-text-align-right"><em><strong>লিখছেন : মাম্পি দাস (ইন্টার্ন)</strong></em></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80/">ভারতের এডিসন গোপালস্বামী দোরাইস্বামী নাইডু</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এডভার্ড মুঞ্চ: বিয়ন্ড দ্য স্ক্রিম</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%a6%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%a6%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shubhra Saha]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 Apr 2022 05:01:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1661</guid>

					<description><![CDATA[<p>লিখেছেন প্রিয়াঙ্কা দত্ত এডভার্ড মুঞ্চ তাঁর চিত্রকর্মকে তাঁর সন্তান বলে অভিহিত করেছিলেন এবং তাঁদের থেকে আলাদা হওয়া ছিলো একজন পিতার পক্ষে চরম কষ্টকর। চিরকাল অবিবাহিত থেকে গেছেন,বয়ে বেরিয়েছেন জীবনের সমস্ত মানসিক ভার তাঁর চিত্রকর্মের মধ্য দিয়ে। জীবনের শেষ ২৭ বছর ধরে অসলোর বাইরে একা বসবাস শুরু করেন এবং ক্রমাগত বিচ্ছিন্নভাবে তিনি নিজেকে এমন সব কাজ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%a6%e0%a7%8d/">এডভার্ড মুঞ্চ: বিয়ন্ড দ্য স্ক্রিম</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-text-align-center"></p>



<h6 class="has-text-align-center wp-block-heading"><strong>লিখেছেন প্রিয়াঙ্কা দত্ত</strong></h6>



<p>এডভার্ড মুঞ্চ তাঁর চিত্রকর্মকে তাঁর সন্তান বলে অভিহিত করেছিলেন এবং তাঁদের থেকে আলাদা হওয়া ছিলো একজন পিতার পক্ষে  চরম কষ্টকর। চিরকাল অবিবাহিত থেকে গেছেন,বয়ে বেরিয়েছেন জীবনের সমস্ত মানসিক ভার তাঁর চিত্রকর্মের মধ্য দিয়ে।</p>



<p>জীবনের শেষ ২৭ বছর ধরে অসলোর বাইরে একা বসবাস শুরু করেন এবং ক্রমাগত বিচ্ছিন্নভাবে  তিনি নিজেকে এমন সব কাজ দিয়ে ঘিরে রেখেছেন যা তার দীর্ঘ কর্মজীবনকে অনেক বেশি সম্মানিত করে তোলে। ১৯৪৪ সালে ৮০ বছর বয়সে </p>



<p>তাঁর মৃত্যুর পর, কর্তৃপক্ষ তার বাড়ির দ্বিতীয় তলায় তালাবদ্ধ দরজার আড়ালে ১০০৮টি পেইন্টিং, ৪৪৪৩টি অঙ্কন এবং ১৫৩৯১টি প্রিন্ট, সেইসাথে কাঠের কাটা, খোদাই, লিথোগ্রাফ, লিথোগ্রাফিক পাথরের সংগ্রহ আবিষ্কার করে। কাঠের কাটা ব্লক, তাম্রপ্লেট এবং ফটোগ্রাফ। তাঁর কঠিন ও চূড়ান্ত বিড়ম্বনাময় জীবনে মুঞ্চ আজ একটি একক চিত্রের স্রষ্টা হিসাবে বিখ্যাত, যা একজন অগ্রগামী এবং প্রভাবশালী চিত্রশিল্পী এবং মুদ্রণকার হিসাবে তার সামগ্রিক কৃতিত্বকে অস্পষ্ট করেছে।</p>



<p>মুঞ্চের দ্য স্ক্রিম আধুনিক শিল্পের একটি আইকন, আমাদের সময়ের জন্য একটি &#8216;মোনালিসা &#8216;। লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি প্রশান্তি এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের একটি রেনেসাঁর আদর্শের উদ্ভব করেছিলেন, মুঞ্চ সংজ্ঞায়িত করেছিলেন যে আমরা কীভাবে আমাদের নিজের বয়সকে দেখি—উদ্বেগ এবং অনিশ্চয়তায় জর্জরিত। তার একটি লিঙ্গহীন, বাঁকানো, ভ্রূণমুখী প্রাণীর চিত্র, যাঁর মুখ এবং চোখ বিভীষিকাময় চিৎকারে খোলা রয়েছে, এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি,যা তাকে তাঁর যৌবনে এক সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের সময় দুই বন্ধুর সাথে হাঁটার সময় কথোপকথন মনে প্রভাব বিস্তার করে। তিনি পরে বর্ণনা করেছিলেন, &#8220;বাতাস রক্তে পরিণত হয়েছিল&#8221; এবং &#8220;আমার কমরেডদের মুখগুলি হলুদ-সাদা হয়ে গিয়েছিল।&#8221; তার কানে কম্পিত চিৎকারে তিনি শুনতে পেলেন &#8220;প্রকৃতির মাধ্যমে একটি বিশাল অন্তহীন চিৎকার।&#8221; তিনি দুটি তৈলচিত্র, দুটি প্যাস্টেল এবং ছবির অসংখ্য প্রিন্ট তৈরি করেছিলেন; সেই দুটি পেইন্টিং অসলোর ন্যাশনাল গ্যালারি এবং অসলোর মাঞ্চ মিউজিয়ামের অন্তর্গত। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উভয়ই চুরি হয়েছে এবং মুঞ্চ মিউজিয়ামে এখনও অনুপস্থিত। </p>



<p>নিউ ইয়র্ক সিটির আধুনিক শিল্প জাদুঘর যা গত মাসে খোলা হয়েছে। প্রদর্শনীর আয়োজনকারী মোমা(MOMA)কিউরেটর-এট-লার্জ কিনাস্টন ম্যাকশাইন বলেছেন, &#8220;সবাই জানে, কিন্তু সবাই মুঞ্চ জানে না,তাদের সবার ধারণা আছে যে তারা মুঞ্চ জানে, কিন্তু তারা সত্যিই জানে না।&#8221;</p>



<p>যে মুঞ্চ এই শোতে বাস্তবায়িত হয় তিনি একজন অস্থির উদ্ভাবক যার ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি, অসুস্থতা এবং ব্যর্থতা তার সৃজনশীল কাজকে আরো জীবন্ত করে তোলে।&#8221;আমার জীবনের ভয় আমার জন্য প্রয়োজনীয়, যেমন আমার অসুস্থতা,&#8221; তিনি একবার লিখেছিলেন &#8220;উদ্বেগ এবং অসুস্থতা ছাড়া যেন আমি রডার ছাড়া একটি জাহাজ। আমার কষ্টগুলি আমার নিজের এবং আমার শিল্পের অংশ। তারা আমার থেকে আলাদা নয়, এবং তাদের ধ্বংস আমার শিল্পকে ধ্বংস করবে।&#8221; মুঞ্চ বিশ্বাস করতেন যে একজন চিত্রশিল্পীকে কেবল বাহ্যিক বাস্তবতা প্রতিলিপি করা উচিত নয় তবে একটি মনে রাখা দৃশ্যের প্রভাব তার নিজের সংবেদনশীলতার উপর রেকর্ড করা উচিত। স্টকহোমের মডার্না মিউজিট এবং লন্ডনের রয়্যাল একাডেমি অফ আর্টসে সাম্প্রতিক আত্ম-প্রতিকৃতির প্রদর্শনীতে যেমন দেখা গেছে, মুঞ্চের বেশিরভাগ কাজই স্ব-প্রতিকৃতি হিসাবে দেখা যায়। এমনকি একজন শিল্পীর জন্যও তিনি ছিলেন ব্যতিক্রমী নার্সিসিস্ট। &#8220;মুঞ্চের কাজটি একটি ভিজ্যুয়াল আত্মজীবনীর মতো,&#8221; ম্যাকশাইন পর্যবেক্ষণ করেন।</p>



<p>যদিও তিনি নরওয়েজিয়ান চিত্রশিল্পী ক্রিশ্চিয়ান ক্রোহগের ছাত্র হিসাবে তার শৈল্পিক কর্মজীবন শুরু করেছিলেন, যিনি প্রকৃতিবাদ নামে পরিচিত সমসাময়িক জীবনের বাস্তবসম্মত চিত্রের পক্ষে ছিলেন, মুঞ্চ মানসিক সংবেদন প্রেরণের জন্য একটি মনস্তাত্ত্বিকগত ও অভিব্যক্তিপূর্ণ শৈলী তৈরি করেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, যখন তিনি তার ব্রাশটি ইজেলের কাছে তুলেছিলেন, তখন তিনি সাধারণত আর তার মডেলের দিকে মনোযোগ দেননি। &#8220;আমি যা দেখি তাই আঁকি না,&#8221; তিনি একবার ব্যাখ্যা করেন। একজন যুবক হিসাবে প্যারিসে গগুইন এবং ভ্যান গঘের কাজের প্রকাশের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, যিনি উভয়েই অফিসিয়াল সেলুনের একাডেমিক কনভেনশনগুলিকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, তিনি দৃঢ় অনুভূতি প্রকাশের সাথে সরলীকৃত ফর্ম এবং তীব্র রঙের দিকে অগ্রসর হন। ১৮৯০ সালের গোড়ার দিকে মুঞ্চ একজন সম্মানিত প্যারিসিয়ান পেইন্টিং শিক্ষকের ক্লাস ছেড়ে দেন যিনি তাকে সবুজ ছায়ায় একটি গোলাপী ইটের প্রাচীর চিত্রিত করার জন্য সমালোচনা করেছিলেন। যে উপায়ে সমসাময়িক শিল্প সমালোচকদের বিরোধিতা করেছিলেন, যারা তাকে &#8220;একটি বাতিল অর্ধ-ঘষা-আউট স্কেচ&#8221; প্রদর্শন করার জন্য অভিযুক্ত করেছিল এবং তার &#8220;র্যান্ডম ব্লবস অফ কালার&#8221; নিয়ে উপহাস করেছিল।</p>



<p>তার কাঠ কাটার কৌশলটির আমূল সরলতা, যেখানে তিনি প্রায়শই শুধুমাত্র একটি উজ্জ্বল রঙ ব্যবহার করতেন এবং প্রিন্টে কাঠের দানা মসৃণ না করে উন্মোচিত করতেন, তা এখনও আশ্চর্যজনকভাবে নতুন বলে মনে হতে পারে। উডকাটগুলির জন্য, তিনি তার নিজস্ব পদ্ধতি তৈরি করেছিলেন, রুক্ষ বিস্তৃত স্ট্রোক দিয়ে চিত্রটিকে ছেদ করেছিলেন এবং সমাপ্ত কাঠের ব্লকগুলিকে তিনি আলাদাভাবে কালি দিয়ে অংশে কেটেছিলেন। তার প্রিন্ট মেকিং শৈলী, সেইসাথে তার পেইন্টিংগুলির সাহসী রচনা এবং রঙ প্যালেট, আর্নস্ট লুডভিগ কির্চনার এবং অগাস্ট ম্যাকে সহ বিশ শতকের প্রথম দিকের জার্মান অভিব্যক্তিবাদীদের গভীরভাবে প্রভাবিত করবে। চরিত্রগতভাবে, যদিও, মুঞ্চ পরামর্শদাতার ভূমিকা এড়িয়ে চলেছিল। তিনি আলাদা থাকতে পছন্দ করতেন।</p>



<p>মুঞ্চ মিউজিয়ামের সিনিয়র কিউরেটর গার্ড ওল বলেছেন, &#8220;তিনি একজন সমসাময়িক শিল্পী হিসাবে বিবেচিত হতে চেয়েছিলেন, একজন পুরানো মাস্টার নয়।&#8221; তিনি নির্ভয়ে সুযোগ গ্রহণ করেন। তাঁর স্টুডিওর দর্শকরা হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন যখন তারা দেখেছিলেন যে তিনি সমস্ত ধরণের আবহাওয়ায় দরজার বাইরে তাঁর চিত্রকর্ম রেখে গেছেন। &#8220;প্রথম বছর থেকে, মুঞ্চের সমালোচনা ছিল যে তিনি তার আঁকাগুলি শেষ করেননি, সেগুলি ছিল স্কেচ এবং শুরু,&#8221; ওল বলেছেন। &#8220;এটি সত্য ছিল, যদি আপনি সেগুলিকে সেলুনের চিত্রকর্মের সাথে তুলনা করেন। কিন্তু তিনি চেয়েছিলেন যে সেগুলি অসমাপ্ত দেখাক। তিনি চেয়েছিলেন যে সেগুলি কাঁচা এবং রুক্ষ হোক এবং মসৃণ এবং চকচকে নয়।&#8221; এটি তিনি চিত্রিত করতে চেয়েছিলেন।</p>



<p>মুঞ্চের প্রাচীনতম স্মৃতিগুলির মধ্যে একটি ছিল তার মায়ের, যক্ষ্মা রোগে সীমাবদ্ধ, ক্রিস্টিয়ানিয়ায় (বর্তমানে অসলো) তাদের বাড়ির জানালার বাইরে প্রসারিত মাঠের দিকে তার চেয়ার থেকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল। আজ এটি মুঞ্চ মিউজিয়ামের মালিকানাধীন।</p>



<p>এডভার্ডের দুর্দশার কারণ ছিল তার নিজের ভঙ্গুর স্বাস্থ্য। স্যু প্রিডোক্স তার নতুন জীবনী, এডভার্ড মাঞ্চ: বিহাইন্ড দ্য স্ক্রিম-এ বর্ণনা করেছেন, ছেলেবেলায় তার যক্ষ্মা হয়েছিল । পরবর্তী বিশ্বের জন্য তার পিতার অভিরুচি প্রকাশ করা (একজন চিকিৎসকের মধ্যে একটি উদ্বেগজনক বৈশিষ্ট্য) শুধুমাত্র মৃত্যুর আসন্নতা পুত্রের অনুভূতিকে প্রশস্ত করেছে। মুঞ্চের সেরা স্ব-প্রতিকৃতিগুলির মধ্যে একটি হলো ১৮৯৫ সালের একটি লিথোগ্রাফ, তার মাথা এবং কেরানির মতো চেহারার কলারটি একটি কালো পটভূমি থেকে বাস্তবায়িত হয়েছে; কাজের শীর্ষে একটি পাতলা সাদা ব্যান্ডে তার নাম এবং বছর রয়েছে এবং নীচে একটি অনুরূপ স্ট্রিপটিতে একটি কঙ্কালের হাত রয়েছে। তিনি একটি ব্যক্তিগত জার্নালে লিখেছেন,</p>



<p>&#8220;আমি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিলাম মানবজাতির সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দু&#8217;টি শত্রু &#8211; ভোগ এবং উন্মাদনার উত্তরাধিকার &#8211; অসুস্থতা এবং উন্মাদনা এবং মৃত্যু সেই কালো ফেরেশতা,যা আমার জীবনের দোলনায় সর্বসময় দুলছিলো।&#8221; দুর্ভোগের অন্তহীন গল্পে, এডভার্ডের এক বোন তার জীবনের বেশিরভাগ সময় মানসিক অসুস্থতার জন্য প্রাতিষ্ঠানিকভাবে হাসপাতালে কাটিয়েছেন, এবং তার এক ভাই ৩০ বছর বয়সে হঠাৎ নিউমোনিয়ায় মারা যান। শুধুমাত্র তার ছোট বোন, ইঙ্গার , যে তার মত বিয়ে করেননি, বৃদ্ধ বয়স অবধি বেঁচে থাকেন।</p>



<p>এডভার্ডের অকাল প্রতিভা প্রথম দিকে স্বীকৃত হয়েছিল। তার শিল্প (এবং তার ব্যক্তিত্ব) কত দ্রুত বিকশিত হয়েছে তা দুটি স্ব-প্রতিকৃতি থেকে দেখা যায়। কার্ডবোর্ডে একটি ছোট, তিন-চতুর্থাংশ প্রোফাইল, ১৮৮২ সালে আঁকা হয়েছিল যখন তার বয়স ছিল ১৮, শিল্পীর ক্লাসিক সুন্দর চেহারা &#8211; সোজা নাক, কিউপিডস-বো মুখ, শক্ত চিবুক &#8211; একটি সূক্ষ্ম বুরুশ এবং একাডেমিক শুদ্ধতা সহ চিত্রিত করে। পাঁচ বছর পরে, একটি বৃহত্তর স্ব-প্রতিকৃতিতে মুঞ্চের প্যালেট-ছুরির কাজটি ইম্প্রেশনিস্টিক এবং স্প্লোচি। তার চুল এবং গলা ব্যাকগ্রাউন্ডে ঝাপসা; তার নীচু দৃষ্টি এবং এবং তার চোখের লাল রিমগুলি মদ্যপ, নিদ্রাহীন রাত, মদ্যপানের ইঙ্গিত দেয়।</p>



<p></p>



<p>মুঞ্চের পিতা তাঁর ছেলের জন্য  শিক্ষার ব্যয় বহন করতে সংগ্রাম করছিলেন, সন্দেহজনক সঙ্গীদের সাথে এডভার্ডের মেলামেশা ছিল তাঁর যন্ত্রণার কারণ। বোহেমিয়ান বন্ধুদের এবং তাদের অবাধ প্রেমের আলিঙ্গন ও সম্পর্ক মুঞ্চের জীবনকে প্রতিফলিত করে।</p>



<p>তার প্রথম যৌন অভিজ্ঞতা দৃশ্যত ১৮৮৫ সালের গ্রীষ্মে সংঘটিত হয়েছিল, যখন তিনি ২১ বছর বয়সে মিলি থাউলোর সাথে মিলিত হন, একজন দূরবর্তী কাজিনের স্ত্রী। তারা আসগার্ডস্ট্র্যান্ডের মনোমুগ্ধকর মাছ ধরার গ্রামের কাছে জঙ্গলে দেখা করতেন। সম্পর্কটি স্থায়ী হওয়ার সময় তিনি উন্মাদ এবং রোমাঞ্চিত হয়েছিলেন এবং দুই বছর পর মিলি যখন এই সম্পর্ক শেষ করেছিলেন তখন তা ছিল ভীষণ যন্ত্রণাদায়ক এবং নির্জন একাকিত্ব তাকে গ্রাস করে। একজন অসহায় পুরুষ এবং একজন আধিপত্যশীল মহিলার থিম মুঞ্চকে মুগ্ধ করেছে। তার সবচেয়ে বিখ্যাত চিত্রগুলির মধ্যে একটি, ভ্যাম্পায়ার (১৮৯৩-৯৪), একজন লাল কেশী মহিলাকে দেখা যেতে পারে যে তার মুখ একটি বিষণ্ণ চেহারার প্রেমিকের ঘাড়ে ডুবিয়ে রাখছে, তার স্ট্রেসগুলি তার উপর বিষাক্ত টেন্ড্রিলের মতো প্রবাহিত হচ্ছে। </p>



<p>১৮৮৯ সালের নভেম্বরে মুঞ্চ প্যারিসে ছিলেন তখন একজন বন্ধু তাকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। এতে খারাপ খবর রয়েছে তা যাচাই করে তিনি বন্ধুকে বিদায় জানান এবং একাই কাছাকাছি একটি রেস্তোরাঁয় যান, দুয়েকজন ওয়েটার ছাড়া নির্জন, যেখানে তিনি চিঠিতে পড়েন যে তার বাবা স্ট্রোকে মারা গেছেন। যদিও তাদের সম্পর্ক অদ্ভুত সুন্দর ছিল। মুঞ্চ একবার বলেছিলেন যে,</p>



<p>&#8220;আমি ভাবতাম,তিনি আমার প্রয়োজনগুলি বুঝতে পারেননি; আমার যে জিনিসগুলিকে তিনি সবচেয়ে বেশি মূল্য দিয়েছিলেন,আসলে তা আমি বুঝতে পারিনি।&#8221; পরে অনুশোচনায়  দগ্ধ হন মুঞ্চ কারণ, তিনি বাবা মারা যাওয়ার সময় তাঁর সাথে ছিলেন না। এই অনুপস্থিতির কারণে, তিনি মৃত্যুর দৃশ্যের একটি চিত্রকর্মে তার দুঃখের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেননি, যেমনটি তিনি করেছিলেন যখন তার মা এবং তার বোন সোফি মারা যান। নাইট ইন সেন্ট ক্লাউড (১৮৯০ সালে আঁকা), তার শহরতলির প্যারিস অ্যাপার্টমেন্টের একটি মেজাজ, নীল অভ্যন্তর, তার মনের অবস্থা ক্যাপচার করে। এখানে একটি  টুপিতে এক ছায়াময় চিত্র—তার রুমমেট, ড্যানিশ কবি ইমানুয়েল গোল্ডস্টেইন—সেইন নদীর উজ্জ্বল আলোর দিকে একটি জানালার বাইরে তাকিয়ে আছেন। সন্ধ্যার আলো, একটি মুলিওন করা জানালা দিয়ে প্রবাহিত, মেঝেতে একটি ক্রুশের একটি প্রতীকী প্যাটার্ন নিক্ষেপ করে, যেখানে দেখা যায় তার ভক্তি যেন পিতার আত্মাকে জাগিয়ে তুলছে।</p>



<p>তার বাবার মৃত্যুর পর, মুঞ্চ তার জীবনের সবচেয়ে ফলপ্রসূ—একটি ধারাবাহিক চিত্রকর্ম হাতে নেন যেটিকে তিনি দ্য ফ্রিজ অফ লাইফ নামে অভিহিত করেন। তিনি ১৯০২ সালে বার্লিনে ফ্রিজের প্রদর্শনীর জন্য সিরিজের অংশ হিসাবে ২২টি কাজ তৈরি করেছিলেন।  পেইন্টিংগুলির শিরোনাম ছিল মেল্যাঙ্কলি, ঈর্ষা, হতাশা, উদ্বেগ, ডেথ ইন দ্য সিকরুম এবং দ্য স্ক্রিম। এই সময়কালে তার শৈলী নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়, তিনি যে আবেগের চেষ্টা করেছিলেন তার উপর নির্ভর করে তিনি এগিয়ে যান।  মনস্তাত্ত্বিকভাবে ভারাক্রান্ত প্রতীকের দিকে আরো মনোনিবেশ করেছিলেন। ১৮৯৫ সালের সিগারেটের সাথে তার দুর্দান্ত স্ব-প্রতিকৃতি যখন তিনি দ্য ফ্রিজ অফ লাইফের সাথে  নিযুক্ত করেছিলেন, তখন তিনি হুইসলারের ঝাঁকুনিযুক্ত ব্রাশওয়ার্ক ব্যবহার করেছিলেন, স্যুট জ্যাকেটে স্ক্র্যাপিং এবং ঘষেছিলেন যাতে তার শরীরটি ধোঁয়ার মতো অদৃশ্য হয়ে যায়।  ডেথ ইন দ্য সিকরুমে, সোফির মৃত্যুর একটি চলমান উদ্দীপনা যা ১৮৯৩ সালে আঁকা হয়েছিল, তিনি ভ্যান গগ, গগুইন এবং টুলুস-লউট্রেকের সাহসী গ্রাফিক রূপরেখা গ্রহণ করেছিলেন। এটিতে, তিনি এবং তার বোনেরা সামনের দিকে রয়ছেন, যখন তার  প্রার্থনারত বাবা মৃত মেয়েটির সাথে যোগ দিচ্ছেন, যে তার চেয়ারে অস্পষ্ট। জীবিত ভাইবোনদের (প্রাপ্তবয়স্ক হিসাবে চিত্রিত) তাদের মৃত বোন থেকে বিভক্ত করা হয় বিশাল স্থান জুড়ে, দর্শকের দৃষ্টি পিছনের খালি বিছানা এবং অকেজো ওষুধের দিকে আকৃষ্ট হয়।</p>



<p>ফ্রিজ বার্লিনে ব্যাপক অনুমোদন লাভ করে। কিন্তু অত্যধিক সাফল্যে খুশি হওয়া সত্ত্বেও, মুঞ্চ খুশি থেকে অনেক দূরেই রয়ে যান।তিনি প্রায়শই বলেছিলেন যে তিনি তার শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় দুঃখকে প্ররোচিত করেছিলেন।</p>



<p></p>



<p>১৮৯৮ সালে, ক্রিস্টিয়ানিয়া সফরে, মুঞ্চের সেই মহিলার সাথে সাক্ষাৎ হয় যে তার জীবনে নিষ্ঠুর যাদুকর হয়ে উঠে। তুল্লা লারসেন ছিলেন ক্রিস্টিয়ানিয়ার নেতৃস্থানীয় ওয়াইন ব্যবসায়ীর ধনী কন্যা এবং ২৯ বছর বয়সে তিনি তখনও অবিবাহিত ছিলেন। প্রথম লারসেনের দিকে তাঁর নজর পড়ে যখন তিনি একজন শিল্পীর সাথে তার স্টুডিওতে এসেছিলেন। শুরু থেকেই, তিনি প্রবলভাবে তাকে অনুসরণ করেছিলেন। তাদের সম্পর্ক প্রায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শুরু হয়েছিল। তিনি পালিয়ে যান—বার্লিনে, তারপর এক বছর ধরে সে তাঁকে সারা ইউরোপ জুড়ে অনুসরণ করে। তিনি তাকে দেখতে অস্বীকার করবেন, তারপর আত্মহত্যা করবেন। তিনি 1899-1900 সালের দ্য ডান্স অফ লাইফ-এ তাদের সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করেছিলেন, আসগার্ডস্ট্র্যান্ডে মধ্য গ্রীষ্মের রাতে সেট করা হয়েছিল, সমুদ্রতীরবর্তী গ্রাম যেখানে তিনি একবার মিলি থাউলোর সাথে চেষ্টা করেছিলেন এবং যেখানে 1897 সালে তিনি একটি ছোট কুটির কিনেছিলেন। ছবির কেন্দ্রে, একটি খালি-চোখওয়ালা পুরুষ চরিত্র, যা নিজেকে মুঞ্চের প্রতিনিধিত্ব করে, একটি লাল পোশাকে (সম্ভবত মিলি) একজন মহিলার সাথে নাচছে। তাদের চোখ মেলে না, এবং তাদের শক্ত শরীর একটি অসুখী দূরত্ব বজায় রাখে। বাম দিকে, লারসেনকে দেখা যায়, সোনালি কেশিক এবং একটি সাদা পোশাকে উদারভাবে হাসছেন; ডানদিকে, সে আবার দেখা যাচ্ছে, এবার কালো পোশাকে ভ্রুকুটি করছে, তার মুখটা তার পরনের পোশাকের মতো কালো, তার চোখ ঘোলাটে হতাশায় নিচু। একটি সবুজ লনে, অন্যান্য দম্পতিরা কামাতুরভাবে নাচে যাকে মুঞ্চ বলেছিল &#8220;জীবনের বিকৃত নৃত্য&#8221; &#8211; এমন একটি নৃত্য যা সে যোগ দিতে সাহস করেনি।</p>



<p>লারসেন তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। তার Aasgaardstrand কটেজ, যা এখন একটি গৃহ জাদুঘর, একটি পুরানো বিবাহের বুকে রয়েছে, একটি নববধূর ট্রাউসোর জন্য তৈরি, যা তিনি তাকে দিয়েছিলেন। যদিও তিনি লিখেছিলেন যে তার &#8220;সংকীর্ণ, আঁটসাঁট ঠোঁটের স্পর্শ&#8221; একটি মৃতদেহের চুম্বনের মতো অনুভূত হয়েছিল, তবে তিনি তার অনুপস্থিতির কাছে নতিস্বীকার করেছিলেন এবং এমনকি একটি বিরক্তিকর প্রস্তাব দেওয়ার মতোও চলে গিয়েছিলেন। &#8220;আমার দুঃখে আমি মনে করি আপনি অন্তত সুখী হতেন যদি আমরা বিয়ে করতাম,&#8221; তিনি তাকে লিখেছিলেন। </p>



<p>সেই গ্রীষ্মে, মাঞ্চ আসগার্ডস্ট্র্যান্ডে তার কুটিরে ফিরে আসেন। তিনি শান্তি চেয়েছিলেন, কিন্তু প্রচুর মদ্যপান করে এবং প্রকাশ্যে ঝগড়া করেছিলেন, তিনি এটি খুঁজে পেতে ব্যর্থ হন। তারপর এক বছরেরও বেশি সময় অনুপস্থিতির পর লারসেন আবার আবির্ভূত হন। যতক্ষণ না তার বন্ধুরা তাকে জানায় যে সে আত্মঘাতী বিষণ্নতায় ভুগছে এবং বড় মাত্রায় মরফিন সেবন করছে ততক্ষণ পর্যন্ত সে তার উচ্ছ্বাসকে উপেক্ষা করেছিল। সে অনিচ্ছায় তাকে দেখতে রাজি হলো। একটি ঝগড়া হয়েছিল, এবং কোনওভাবে — পুরো ঘটনাটি অজানা — তিনি একটি রিভলভার দিয়ে নিজেকে গুলি করেছিলেন, এইজন্য তিনি তাঁর বাম হাতের একটি আঙুল ও হারান। মুঞ্চ তার মনের ক্ষয়ক্ষতিকে বড় করে তুলেছিলেন, যতক্ষণ না এটি একটি মহাকাব্যিক রূপ নেয়। তৃতীয় ব্যক্তিতে নিজেকে বর্ণনা করে তিনি লিখেছেন, &#8220;সবাই তার দিকে তাকিয়ে আছে, তার বিকৃত হাতের দিকে। তিনি লক্ষ্য করছেন যে তিনি যাদের সাথে একটি টেবিল শেয়ার করেছেন তারা তার দানবীয়তা দেখে বিরক্ত হচ্ছেন।&#8221; তার ক্ষোভ আরও তীব্র হয় যখন অল্পদিন পরে লারসেন আরেক শিল্পীকে বিয়ে করেন। তিনি লিখেছেন &#8220;আমি একজন বেশ্যার জন্য অকারণে নিজেকে উৎসর্গ করেছি&#8221;।</p>



<p>পরের কয়েক বছরে, তার মদ্যপান, যা দীর্ঘদিন ধরে অত্যধিক ছিল, অনিয়ন্ত্রিত হয়ে ওঠে। তিনি তার জার্নালে লিখেছেন, &#8220;ক্ষোভ এখন প্রায়শই আসছে।&#8221; তিনি যতই ক্ষুব্ধ হতেন, তখনও তার কিছু সেরা কাজ তৈরি করতে তিনি সক্ষম হন, যার মধ্যে একটি মূকনাট্য (বেশ কয়েকটি সংস্করণে সম্পাদিত) যাতে তিনি নিজেকে নিহত ফরাসি বিপ্লবী মারাটের মডেল হিসাবে ব্যবহার করেন এবং লারসেনকে মারাটের হত্যাকারী হিসাবে কাস্ট করা হয়, যা ছিলো ভয়ঙ্কর। অপ্রতিরোধ্য শার্লট কর্ডে। তার ১৯০৬ সালের একটি মদের বোতল সহ স্ব-প্রতিকৃতি, যেখানে তিনি একটি রেস্তোরাঁর টেবিলে একা নিজেকে আঁকতেন, শুধুমাত্র একটি প্লেট, একটি মদের বোতল এবং একটি গ্লাস সহ, তীব্র অস্থিরতার সাক্ষ্য দেয়। প্রায় খালি রেস্তোরাঁয় দুইজন ওয়েটার তার পিছনে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে সে তার বাবার মৃত্যুর খবর পড়েছিল।</p>



<p>১৯০৮ সালের শরৎকালে কোপেনহেগেনে মুঞ্চের পতন ঘটে।  কিন্তু তার আগে তিনি মদ্যপান কমিয়ে কিছুটা মানসিক স্থিতিশীলতা ফিরে পেয়েছিলেন,কিন্তু তা বেশিদিন স্থির হয়নি। মে মাসে তিনি চলে যান। তাঁর জীবনের প্রায় অর্ধেক বাকি ছিল। তবুও বেশিরভাগ শিল্প ইতিহাসবিদ একমত হবেন যে তাঁর সেরা কাজের দুর্দান্ত প্রাধান্য ১৯০৯ সালের আগে তৈরি হয়েছিল।  এই দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে MOMA তার পরবর্তী আউটপুটে শোয়ের এক পঞ্চমাংশেরও কম তাঁকে উৎসর্গ করে। কিউরেটর ম্যাকশাইন ব্যাখ্যা করেন, &#8220;জীবনের সাথে জড়িত থাকার সময় যতটা মর্মস্পর্শী পেইন্টিং ছিল তা আর ততটা নেই।&#8221;</p>



<p>১৯০৯ সালে মুঞ্চ নরওয়েতে ফিরে আসেন, যেখানে তিনি অসলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবেশ হলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের ম্যুরাল তৈরির কাজ শুরু করেন। এখনও সেই জায়গায় রয়েছে আউলা সজ্জা, যেভাবে ম্যুরালগুলি পরিচিত, উজ্জ্বল দিকে তাকানোর জন্য মুঞ্চ নতুন সংকল্পের ইঙ্গিত দেয়, এই ক্ষেত্রে বেশ একটি অন্তর্নিহিত অর্থ থাকে &#8211; একটি চকচকে সূর্যের কেন্দ্রবিন্দু সহ। সদ্য স্বাধীন নরওয়েতে, মুঞ্চকে জাতীয় শিল্পী হিসাবে সমাদৃত করা হয়েছিল, যেমন তৎকালীন সম্প্রতি মৃত হেনরিক ইবসেন এবং এডভার্ড গ্রীগ যথাক্রমে জাতীয় লেখক এবং সুরকার হিসাবে কাজ করেছিলেন। তার নতুন খ্যাতির সাথে সম্পদ এসেছিল, কিন্তু প্রশান্তি আসেনি। পর্যায়ক্রমে  জনসাধারণের থেকে তার দূরত্ব বজায় রেখে, মুঞ্চ অসলোতে ১১ একর জমি একলিতে প্রত্যাহার করেন, যা তিনি ১৯১৬ সালে তার দুটি বা তিনটি চিত্রকর্মের মূল্যের সমপরিমাণ অর্থে কিনেছিলেন। তিনি কখনও কখনও তার কাজ তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় হিসাবে তার বিচ্ছিন্নতা রক্ষা করেছিলেন। অন্য সময়ে, তিনি বোঝাতেন যে এটি তার বিচক্ষণতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন ছিল। ১৯২০ এর দশকে গোড়ার দিকে তিনি লিখেছিলেন, &#8220;আমার জীবনের দ্বিতীয়ার্ধটি শুধুমাত্র নিজেকে সোজা রাখার জন্য একটি যুদ্ধ ছিল।&#8221;</p>



<p>মুঞ্চ ল্যান্ডস্কেপ পেইন্টিং হাতে নিয়েছিলেন, তার চারপাশের গ্রামাঞ্চল এবং খামারের জীবনকে চিত্রিত করেছেন, প্রথমে আনন্দময় রঙে, পরে ব্ল্যাকার টোনে। দ্য ফ্রিজ অফ লাইফ পেইন্টিংয়ের কিছু নতুন উপস্থাপনা তৈরি করে তিনি তাঁর প্রিয় ছবিতেও ফিরে আসেন। তার পরবর্তী বছরগুলিতে, মুঞ্চ তার বেঁচে থাকা পরিবারের সদস্যদের আর্থিকভাবে সাহায্য করে এবং তাদের সাথে মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে, কিন্তু তাদের সাথে দেখা না করাটাই বরঞ্চ বেছে নিয়েছিলেন। তিনি তার বেশিরভাগ সময় একাকীত্বে কাটিয়েছেন, তার অগ্রগতির বছরগুলির দুর্দশা এবং অসম্মানের নথিভুক্ত করেছেন। ১৯১৮-১৯ সালের মহামারীতে যখন তিনি প্রায় মারাত্মক ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়েছিলেন, তখন তিনি ব্রাশ তুলতে পারার সাথে সাথেই তিনি তার স্থূল, দাড়িওয়ালা স্ব-প্রতিকৃতির একটি সিরিজ রেকর্ড করেছিলেন। ১৯৩০ সালে তার ডান চোখে একটি রক্তনালী ফেটে যাওয়ার পরে এবং তার দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরে তিনি চোখের রোগের সময় স্ব-প্রতিকৃতির মতো ছবিগুলো এঁকেছিলেন, যে জমাটটি তার কাছে দেখা গিয়েছিল &#8211; একটি বড় বেগুনি গোলক। কখনও কখনও গোলকটির একটি দানবীয় শিকারী পাখির মতো একটি মাথা এবং ধারালো চঞ্চু দিয়েছিলেন। অবশেষে, এটি  যেন উড়ে যায়। তাঁর দৃষ্টি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।</p>



<p>ক্লক অ্যান্ড দ্য বেডের মধ্যে সেলফ-পোর্ট্রেট, যা ১৯৪০-৪২ সালে, মুঞ্চের মৃত্যুর খুব বেশি আগে নয়, আমরা দেখতে পারি সেই লোকটির কী পরিণতি হয়েছিল , তিনি লিখেছিলেন যে, &#8220;জীবনের নৃত্য&#8221; থেকে ফিরে এসেছেন। কঠোর এবং শারীরিকভাবে বিশ্রী দেখাচ্ছে, তিনি দাদার ঘড়ি এবং একটি বিছানার মধ্যে শুয়ে আছেন ও এতটা জায়গা নিয়ে শুয়ে থাকার জন্য ক্ষমা চান। তার পিছনে একটি দেয়ালে, তার &#8220;সন্তান সম শিল্পকর্ম&#8221; সজ্জিত করা হয়েছে। একজন নিবেদিতপ্রাণ পিতামাতার মতো, তিনি তাদের জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করেছিলেন।</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%a6%e0%a7%8d/">এডভার্ড মুঞ্চ: বিয়ন্ড দ্য স্ক্রিম</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%a6%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মিকি মাউসের স্রষ্টা ও অ্যানিমেশনের পথপ্রদর্শক : ওয়াল্ট ডিজনি</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shubhra Saha]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 06 Dec 2021 17:56:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1589</guid>

					<description><![CDATA[<p>ডেভিড লো, প্রয়াত ব্রিটিশ রাজনৈতিক কার্টুনিস্ট, ডিজনিকে &#8220;লিওনার্দোর পর গ্রাফিক আর্টের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব&#8221; বলে অভিহিত করেছেন। একজন অগ্রগামী, উদ্ভাবক এবং বিশ্বের সবচেয়ে সূক্ষ্ম কল্পনার অধিকারী, ওয়াল্ট ডিজনি, তার কর্মীদের সদস্যদের সাথে, ৪৮টি একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস এবং টি সহ সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ৯৫০ টিরও বেশি সম্মাননা পেয়েছেন নিজের স্বু-দীর্ঘ কর্ম জীবনে। ওয়াল্ট ডিজনির ব্যক্তিগত পুরষ্কারগুলির [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af/">মিকি মাউসের স্রষ্টা ও অ্যানিমেশনের পথপ্রদর্শক : ওয়াল্ট ডিজনি</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ডেভিড লো, প্রয়াত ব্রিটিশ রাজনৈতিক কার্টুনিস্ট, ডিজনিকে &#8220;লিওনার্দোর পর গ্রাফিক আর্টের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব&#8221; বলে অভিহিত করেছেন। একজন অগ্রগামী, উদ্ভাবক এবং বিশ্বের সবচেয়ে সূক্ষ্ম কল্পনার অধিকারী, ওয়াল্ট ডিজনি, তার কর্মীদের সদস্যদের সাথে, ৪৮টি একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস এবং টি সহ সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ৯৫০ টিরও বেশি সম্মাননা পেয়েছেন নিজের স্বু-দীর্ঘ কর্ম জীবনে।</p>



<p>ওয়াল্ট ডিজনির ব্যক্তিগত পুরষ্কারগুলির মধ্যে হার্ভার্ড, ইয়েল, ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া এবং ইউসিএলএ থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি অন্তর্ভুক্ত ছিল; স্বাধীনতার রাষ্ট্রপতি পদক; ফ্রান্সের লিজিয়ন অফ অনার এবং অফিসার ডি অ্যাকাডেমি সজ্জা; থাইল্যান্ডের অর্ডার অফ দ্য ক্রাউন; ব্রাজিলের অর্ডার অফ দ্য সাউদার্ন ক্রস; মেক্সিকোর অর্ডার অফ দ্য অ্যাজটেক ঈগল; এবং ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ থিয়েটার ওনার্স থেকে শোম্যান অফ দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাওয়ার্ড।</p>



<p>মিকি মাউসের স্রষ্টা এবং ডিজনিল্যান্ড এবং ওয়াল্ট ডিজনি ওয়ার্ল্ডের প্রতিষ্ঠাতা শিকাগো, ইলিনয়, ৫ ডিসেম্বর, ১৯০১-এ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার বাবা, ইলিয়াস ডিজনি, একজন আইরিশ-কানাডিয়ান ছিলেন। এছাড়া মা, ফ্লোরা কল ডিজনি, জার্মান-আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিলেন। ওয়াল্ট পাঁচ সন্তানের একজন, যাদের মধ্যে ছিল চার ছেলে এবং একটি মেয়ে।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="612" height="501" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-23.jpg" alt="" class="wp-image-1607" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-23.jpg 612w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-23-300x246.jpg 300w" sizes="(max-width: 612px) 100vw, 612px" /><figcaption><em>ছবি : Heritage Auctions,HA.com</em></figcaption></figure>



<p>ছেলেবেলা থেকে তিনি বেড়ে উঠেছিলেন মার্সেলিন, মিসৌরির কাছে একটি খামারে। ওয়াল্ট বেড়ে উঠার প্রথম দিকে ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন, যখন তিনি মাত্র সাত বছর বয়সে প্রতিবেশীদের কাছে তার প্রথম স্কেচ বিক্রি করেন। শিকাগোর ম্যাককিনলে হাই স্কুলে, ডিজনি তার মনোযোগকে অঙ্কন এবং ফটোগ্রাফির মধ্যে ভাগ করে, উভয়ই স্কুলের কাগজেই নিজের শিল্পের যথেষ্ট অবদান রাখেন তিনি। ১৯১৪ সালে সামরিক পরিষেবার জন্য ডিজনি নিজেকে তালিকাভুক্ত করেছিলেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে ওয়াল্ট রেড ক্রসে যোগ দিয়েছিলেন এবং তাকে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল, যেখানে তিনি একটি অ্যাম্বুলেন্স চালাতেন এবং রেড ক্রসের কর্মকর্তাদের চাউফউরিংয়ে এক বছর কাটিয়েছিলেন। তার অ্যাম্বুলেন্সটি স্টেম থেকে স্টার্ন পর্যন্ত আবৃত ছিল, স্টক ক্যামোফ্লেজ দিয়ে নয়, বরং নিজের হাতের অঙ্কন এবং কার্টুন দিয়ে।</p>



<p>যুদ্ধের পর, তিনি ওয়াল্ট কানসাস সিটিতে ফিরে আসেন, যেখানে তিনি একজন বিজ্ঞাপন কার্টুনিস্ট হিসেবে নিজের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। এখানে, ১৯২০ সালে, তিনি তার প্রথম আসল অ্যানিমেটেড কার্টুন তৈরি এবং বিপণন করেন এবং পরে লাইভ-অ্যাকশন এবং অ্যানিমেশনের সমন্বয়ের জন্য একটি নতুন পদ্ধতি নিখুঁত করেন। ১৯২৩ সালের আগস্টে, ওয়াল্ট ডিজনি হলিউডের উদ্দেশ্যে কানসাস সিটি ছেড়ে কিছু অঙ্কন সামগ্রী, তার পকেটে কিছু সামান্য ডলার এবং একটি সম্পূর্ণ অ্যানিমেটেড এবং লাইভ-অ্যাকশন ফিল্ম ছাড়া কিছুই না নিয়েই হলিউডের উদ্দেশে বেরিয়ে পরেন। ওয়াল্টের ভাই রয় ও ডিজনি ইতিমধ্যেই ক্যালিফোর্নিয়ায় ছিলেন এবং তারা ইতিমধ্যেই যথেষ্ট সামর্থবান হয়ে উঠেছিলেন সেখানে।</p>



<p>প্রথম বারের জন্য ১৯২৮ সালে &#8216; মিকি মাউস &#8216; তৈরি করা হয়েছিল, এবং তার প্রতিভাগুলি প্রথম প্লেন ক্রেজি শিরোনামের একটি নীরব কার্টুনে ব্যবহৃত হয়েছিল। যাইহোক, কার্টুনটি প্রকাশ করার আগে, মোশন পিকচারের পর্দা জুড়ে তার কাজের প্রশংসা ফেটে পড়েছিল। এইভাবে মিকি স্টিমবোট উইলিতে তার পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন, বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ সিঙ্ক্রোনাইজড সাউন্ড কার্টুন, যা ১৮ নভেম্বর, ১৯২৮ সালে নিউ ইয়র্কের কলোনি থিয়েটারে প্রথম প্রিমিয়ার হয়েছিল।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="481" height="637" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-21.jpg" alt="" class="wp-image-1600" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-21.jpg 481w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-21-227x300.jpg 227w" sizes="(max-width: 481px) 100vw, 481px" /><figcaption><em>মিকিমাউসের স্রষ্টা ওয়াল্ট ডিজনি</em></figcaption></figure>



<p>অ্যানিমেশনের শিল্পকে নিখুঁত করার জন্য ওয়াল্টের প্রচেষ্টা আজীবন অফুরন্ত ছিল। ১৯৩২ সালে, ফুল এবং গাছ শিরোনামের চলচ্চিত্রটি ওয়াল্টকে তার ৩২ টি ব্যক্তিগত একাডেমি পুরস্কারের মধ্যে প্রথম পুরস্কার এনেদিয়েছিল। ১৯৩৭ সালে, তিনি দ্য ওল্ড মিল প্রকাশ করেন, এটি মাল্টিপ্লেন ক্যামেরা কৌশল ব্যবহার করার জন্য প্রথম সংক্ষিপ্ত বিষয়। এবং সেই একই বছরের ২১ শে ডিসেম্বর, &#8216;স্নো হোয়াইট অ্যান্ড দ্য সেভেন ডোয়ার্ফস&#8217;, প্রথম পূর্ণ দৈর্ঘ্যের অ্যানিমেটেড মিউজিক্যাল ফিচার, লস অ্যাঞ্জেলেসের কার্থে সার্কেল থিয়েটারে প্রিমিয়ার হয়। মহামন্দার গভীরতার সময় ১৪৯৯,০০০ মার্কিন ডলারের অজানা খরচে নির্মিত, ছবিটি এখনও মোশন পিকচার ইন্ডাস্ট্রির একটি দুর্দান্ত কীর্তি এবং অবিনশ্বর স্মৃতিস্তম্ভ হিসাবে বিবেচিত হয়। এছাড়া পরবর্তী পাঁচ বছরে, ওয়াল্ট পিনোচিও, ফ্যান্টাসিয়া, ডাম্বো এবং বাম্বির মতো অন্যান্য পূর্ণ-দৈর্ঘ্যের অ্যানিমেটেড ক্লাসিকগুলি সম্পন্ন করেন।</p>



<p>১৯৪০ সালে, ডিজনির বারব্যাঙ্ক স্টুডিওতে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় এবং কর্মীদের প্রায় ১০০০ টিরও বেশি শিল্পী, অ্যানিমেটর, গল্পের মানুষ এবং প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে স্ফীত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, ডিজনি সুবিধার ৯৪ শতাংশ বিশেষ সরকারি কাজে নিয়োজিত ছিল যার মধ্যে ছিল সশস্ত্র পরিষেবাগুলির জন্য প্রশিক্ষণ এবং প্রচারমূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ, সেইসাথে স্বাস্থ্য চলচ্চিত্র যা এখনও মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট দ্বারা সারা বিশ্বে দেখানো হয়। তার বাকি প্রচেষ্টাগুলো কমেডি ছোট বিষয়ের উৎপাদনে নিবেদিত ছিল, যা বেসামরিক এবং সামরিক মনোবলের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল বলে মনে করা হয়।</p>



<p>ওয়াল্টের অনুসন্ধিৎসু মন এবং বিনোদনের মাধ্যমে শিক্ষার প্রতি তীক্ষ্ণ বোধের ফলে পুরস্কার বিজয়ী &#8220;ট্রু-লাইফ অ্যাডভেঞ্চার&#8221; সিরিজ। দ্য লিভিং ডেজার্ট, দ্য ভ্যানিশিং প্রেইরি, দ্য আফ্রিকান লায়ন এবং হোয়াইট ওয়াইল্ডারনেসের মতো চলচ্চিত্রগুলির মাধ্যমে, ডিজনি বন্য প্রাণীদের জগতে আকর্ষণীয় অন্তর্দৃষ্টি নিয়ে এসেছে এবং আমাদের দেশের বাইরের ঐতিহ্য সংরক্ষণের এক বিশেষ গুরুত্ব শিখিয়েছে।এরপর ডিজনিল্যান্ডের আবির্ভাব ঘটে ১৯৫৫ সালে, যা একটি দুর্দান্ত ম্যাজিক কিংডম হিসাবে চালু হয়েছিল, শীঘ্রই তার বিনিয়োগ দশগুণ বাড়িয়েছ এবং এর চতুর্থ দশকে, সারা বিশ্ব থেকে রাষ্ট্রপতি, রাজা এবং রানী এবং রাজকীয়দের সহ প্রায় ৪০০ মিলিয়নেরও বেশি লোককে বিনোদন দিয়েছে।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="361" height="522" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-22.jpg" alt="" class="wp-image-1601" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-22.jpg 361w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-22-207x300.jpg 207w" sizes="(max-width: 361px) 100vw, 361px" /><figcaption><em>পুহ্ বিয়ার</em></figcaption></figure>



<p>টেলিভিশন প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষেত্রে অগ্রগামী, ডিজনি ১৯৪৫ সালে উত্পাদন শুরু করে এবং ১৯৬১ সালে তার ওয়ান্ডারফুল ওয়ার্ল্ড অফ কালারের সাথে পূর্ণ-রঙের প্রোগ্রামিং প্রথম উপস্থাপন করা হয়েছিল । মিকি মাউস ক্লাব এবং জোরো ১৯৫০-এর দশকে বিশ্ব জুড়ে বিপুল জনপ্রিয় ছিল। পরবর্তী কালে ১৯৬৫&#8217;র দিকে, ওয়াল্ট ডিজনি আমেরিকার শহুরে জীবনের মান উন্নয়নের সমস্যার দিকে মনোযোগ দেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে একটি এক্সপেরিমেন্টাল প্রোটোটাইপ কমিউনিটি অফ টুমরো, বা ইপিসিওটি, আমেরিকান শিল্পের সৃজনশীলতার জন্য একটি জীবন্ত শোকেস হিসাবে পরিকল্পিত নকশাটি পরিচালনা করেছিলেন। ডিজনি বলেছেন, &#8220;আমি বিশ্বাস করি না যে বিশ্বের কোথাও এমন একটি চ্যালেঞ্জ আছে যা আমাদের শহরের সমস্যার সমাধান খোঁজার চেয়ে সর্বত্র মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমরা কোথায় শুরু করব? ঠিক আছে, আমরা নিশ্চিত যে আমাদের অবশ্যই জনসাধারণের প্রয়োজনের সাথে শুরু করতে হবে। আর প্রয়োজন শুধু পুরানো শহরের পুরনো অসুস্থতা নিরাময়ের জন্য নয়। আমরা মনে করি কুমারী জমিতে স্ক্র্যাচ থেকে শুরু করা এবং একটি সম্প্রদায় তৈরি করা যা ভবিষ্যতের জন্য একটি নমুনা হয়ে উঠবে।&#8221;</p>



<p>১৫ই ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে তার মৃত্যুর আগে, ওয়াল্ট ডিজনি ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ আর্টস, একটি কলেজ স্তর, সমস্ত সৃজনশীল এবং পারফরমিং আর্টগুলির পেশাদার স্কুল প্রতিষ্ঠায় গভীর আগ্রহ নিয়েছিলেন। ক্যাল আর্টস সম্পর্কে, ওয়াল্ট একবার বলেছিলেন, &#8220;আমি যখন সবুজ চারণভূমিতে চলে যাব তখন আমি এটি ছেড়ে দেব বলে আশা করি। আমি যদি ভবিষ্যতের প্রতিভা বিকাশের জন্য একটি জায়গা প্রদান করতে সাহায্য করতে পারি, আমি মনে করি আমি কিছু অর্জন করতে পারব।&#8221;</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="436" height="704" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-25.jpg" alt="" class="wp-image-1608" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-25.jpg 436w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/12/images.jpeg-25-186x300.jpg 186w" sizes="(max-width: 436px) 100vw, 436px" /><figcaption><em>মিকি মাউস</em></figcaption></figure>



<p>ওয়াল্ট ডিজনি একজন কিংবদন্তি, বিংশ শতাব্দীর একজন লোকনায়ক। তার বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা সেই ধারণাগুলির উপর ভিত্তি করে ছিল যা তার নাম প্রতিনিধিত্ব করে: কল্পনা, আশাবাদ এবং আমেরিকান ঐতিহ্যে স্ব-নির্মিত সাফল্য। ওয়াল্ট ডিজনি বিগত শতাব্দীতে অন্য যে কোনও মানুষের চেয়ে লক্ষ লক্ষ আমেরিকানদের হৃদয়, মন এবং আবেগ স্পর্শ করার জন্য আরও বেশি কিছু করেছিলেন। তার কাজের মাধ্যমে, তিনি প্রতিটি জাতির মানুষের কাছে আনন্দ, সুখ এবং যোগাযোগের একটি সার্বজনীন মাধ্যম এনেছিলেন। নিশ্চিতভাবেই, আমাদের বিশ্বর সকলেই জানবে এই বিষয়গুলি। ঠিক এই কারণগুলির জন্যই ওয়াল্ট ডিজনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।</p>



<p class="has-text-align-right"><strong>লেখক : </strong><em>রোহিত মজুমদার </em></p>



<p class="has-text-align-right"><em>( বিষয় : জার্নালিসম্ ও মাস কম., WBSU -র ছাত্র ও রিসাইটাল স্ফেরিকালে ইন্টার্ন)</em>  (<em>ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম :২০২১</em>)</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af/">মিকি মাউসের স্রষ্টা ও অ্যানিমেশনের পথপ্রদর্শক : ওয়াল্ট ডিজনি</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>Journalist Maria Ressa&#8217;s Some comments from an interview</title>
		<link>https://recitalspherical.org/journalist-maria-ressas-some-comments-from-an-interview/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/journalist-maria-ressas-some-comments-from-an-interview/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shubhra Saha]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 29 Oct 2021 14:32:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Interview]]></category>
		<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1561</guid>

					<description><![CDATA[<p>Maria Ressa is a notable name in the world of journalism. Philippine journalist Maria Resha was awarded the Nobel Peace Prize in 2021. About Maria Ressa Ressa was born in 1963 in Manali. At that time, he lost his father. However, he did not get close to her father or mother physically. After her father&#8217;s [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/journalist-maria-ressas-some-comments-from-an-interview/">Journalist Maria Ressa&#8217;s Some comments from an interview</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-drop-cap has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#ffe7b8">Maria Ressa is a notable name in the world of journalism. Philippine journalist Maria Resha was awarded the Nobel Peace Prize in 2021.<br><br></p>



<p class="has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#ffcab2"><strong>About</strong> <strong>Maria Ressa</strong><br></p>



<p class="has-drop-cap has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#fadb9d">Ressa was born in 1963 in Manali. At that time, he lost his father. However, he did not get close to her father or mother physically. After her father&#8217;s death, his mother moved to the United States. Ressa and her sister lived with her father family.<br><br>Ressa studied Biology and Theater as an undergraduate at University of Princeton. She completed his bachelor&#8217;s degree in English and received a theater and dance certificate in 1986.<br><br>After she was awarded a Fulbright Fellowship to study political theatre at the Philippines Diliman University,where she also taught several journalism degree as a faculty member in the university.<br><br><br>Maria Ressa of the Philippines was awarded the Nobel Peace Prize for 2021 along with Dmitry Muratov, the Russian editor. In an interview with The Hindu, Miss Resa, author of the upcoming book How to Stand Up to a Dictator, talks about her fight with the Philippine government and ‘Big Tech’ social media companies.<br><br></p>



<p class="has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#e8c47e"><strong>Let&#8217;s take a look at some of the comments she made in interviews &#8211;</strong><br><br><strong><em>1) It is not since 1935 that the Nobel Peace Prize went to a journalist, (Carl Von Ossietzky) who wrote about the Nazi regime in Germany’s remilitarisation plan. So what do you think is the message the Nobel Peace Committee is sending in 2021?</em></strong><br><br></p>



<p class="has-drop-cap has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#fadb9d">His comment was, this is a special moment where exactly what happened after 1935. I have always believed in the argument that our information is an ecosystem that is like an atomic bomb. But we need to be united globally, because this unity will be the answer to the problem. We have to try to solve the problem in a united manner. This information was seen after World War II, when they formed the National League and the Universal Declaration of Human Rights. Where values ​​were given priority.<br><br>If you ask me, I can say &#8216;technological standards&#8217;, where the role of standing by people is given priority, not money. In this context, he further commented that it is a place holder for all the journalists in the world who find it so difficult to do their job. Here we can hope that this creative destruction will take us to a place that is better than where we are.<br><br></p>



<p class="has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#facc9e"><strong><em>2) Both Philippines and India are on the list of Top 10 countries where journalists have been killed or targeted. For journalists, the growing threat is coming from democratically elected, populist, and increasingly authoritarian regimes worldwide. What do you think led to the rise of populism?</em></strong><br><br></p>



<p class="has-drop-cap has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#fadb9d">If it is good then they will see that the journalists have lost the ability of gatekeeping towards the past. Only in Ukraine to reveal different realities for the first time in the world. An example of this is the Russian people&#8217;s information campaign in the 2014 election campaign.<br><br>Show there is attracted to using social media. To people, social belief has become a game of disbelief. A study from Oxford University found computation propaganda, where there are about 8 UN political leaders on social media.<br><br>Social is a manipulative platform, he added. By which ordinary people are manipulated. We use a manipulation to change what we think through this platform policy. This God said to one candidate, ‘Paleotic passions, come from medieval institutions and technology’. With the advantage of making money like here it is a business model that is not just our information, it is being used to manipulate us.<br><br><br></p>



<p class="has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#f9cf7d"><strong><em>3)The counter argument is that social media, big tech companies have democratised expression, given everyone a platform. Why do you think they are, as you describe, an agent for authoritarianism and not an agent for the people&#8217;s right to know?</em></strong><br><br></p>



<p class="has-drop-cap has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#fadb9d">In this context, he said, let&#8217;s go to 2011 and see how the Arab Spring turned into a more winter. The government thinks that micro targeting vulnerabilities can be exploited, and those vulnerabilities were used for products. It can also be said that the government started using those tools. Jam Mark Zuckerberg said, &#8220;It&#8217;s a freedom of speech issue, but here&#8217;s what the comedian Ranjit has to say, it&#8217;s a &#8216;freedom of reach problem&#8217;.&#8221;<br><br>One study found that words spoken out of anger spread faster than the truth, and it is not known how much truth there is behind it. If social media platforms are biased against the essence, they will be biased against journalism.<br><br></p>



<p class="has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#d5b678"><strong><em>4)Tell us a little bit about your own journey fighting the strongman leader President Duterte, leading up to your arrest in 2019.</em></strong></p>



<p class="has-drop-cap has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#ffebae">The President of the Philippines is democratically elected. But according to many digital achievement plaintiffs, he took over all power once he became president and changed it from the inside out.<br>During his reign, he killed about 19 journalists, including 63 lawyers and more than 400 human rights activists in a bloody war.<br><br>For the truth, the war made me cringe at the thought of how many people had died. Because in 2012 the rappler was set up with twenty young employees. Where the information was first published, showed people how to manipulate online. I wrote a series on the Internet called Arms Promotion about how social media affects a person. There have even been threats of arrest.</p>



<p class="has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#fcc57f"><strong><em>5)What are your suggestions for journalists just starting out? Is there a toolkit on how to deal with a tough state?</em></strong></p>



<p class="has-drop-cap has-text-align-left has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#fed29c">First of all, the journalist, the news agency will talk about that before [will continue] when we are competing against the opponent. We are on the same side. We are social for the same when it is a battle of truth, and especially, in video. In the fight for truth, the way forward. This is an amazing time for a number of journalists, because the mission was not as important as it is today.<br><br></p>



<p class="has-text-align-center has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#ffa666"><strong>Among the best books she has written</strong> :</p>



<p class="has-text-align-center has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#ffd2b2">&#8220;<strong>Seeds of Terror&#8221; &amp; &#8220;From Bin Laden to Facebook&#8221;.</strong></p>



<p class="has-text-align-center has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#ffe5a7"><strong>Writer Introduction :</strong><em>Rakhi Sanfui(Student of Journalism and Mass com.,New Alipore College)(Intern of Recital Spherical)(2021)</em></p>



<p></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/journalist-maria-ressas-some-comments-from-an-interview/">Journalist Maria Ressa&#8217;s Some comments from an interview</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/journalist-maria-ressas-some-comments-from-an-interview/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুলিৎজার পুরস্কার প্রাপ্ত আর্নেস্ট হেমিংওয়ে(Ernest Hemingway)</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shubhra Saha]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 23 Oct 2021 12:39:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1551</guid>

					<description><![CDATA[<p>পুলিৎজার পুরস্কার প্রাপ্ত আর্নেস্ট হেমিংওয়(Ernest Hemingway) ১৯৫৩ সালে উপন্যাস &#8220;The old man and the sea&#8221; জন্য পুলিৎজার পুরস্কারে পুরস্কৃত হন Ernest Hemingway (আর্নেস্ট হেমিংওয়ের)। এরপর একের পর এক চমৎকার উপন্যাস তিনি জনসাধারনকে উপহার দিয়েছিলেন। Ernest Hemingway(আর্নেস্ট হেমিংওয়ের)জন্ম: ডাক্তার ক্লারেন্স হেমিংওয়ে আর গায়িকা গ্রেস হেমিংওয়ের শিকাগোর ওক পার্কের বাড়িতে জন্ম নিয়েছিলেন আর্নেস্ট, ১৮৯৯ সালে।ছোটবেলা থেকেই তাঁর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d/">পুলিৎজার পুরস্কার প্রাপ্ত আর্নেস্ট হেমিংওয়ে(Ernest Hemingway)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="wp-block-columns is-layout-flex wp-container-core-columns-is-layout-28f84493 wp-block-columns-is-layout-flex">
<div class="wp-block-column is-layout-flow wp-block-column-is-layout-flow" style="flex-basis:100%">
<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading">পুলিৎজার পুরস্কার প্রাপ্ত আর্নেস্ট হেমিংওয়(Ernest Hemingway)</h2>
</div>
</div>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link"><span class="has-inline-color has-white-color">রাখী সাঁফুই</span></a></div>
</div>



<p class="has-text-align-center">১৯৫৩ সালে উপন্যাস &#8220;The old man and the sea&#8221; জন্য পুলিৎজার পুরস্কারে পুরস্কৃত হন Ernest Hemingway (আর্নেস্ট হেমিংওয়ের)। এরপর একের পর এক চমৎকার উপন্যাস তিনি জনসাধারনকে উপহার দিয়েছিলেন।</p>



<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading">Ernest Hemingway(আর্নেস্ট হেমিংওয়ের)জন্ম:</h2>



<p class="has-text-align-center">ডাক্তার ক্লারেন্স হেমিংওয়ে আর গায়িকা গ্রেস হেমিংওয়ের শিকাগোর ওক পার্কের বাড়িতে জন্ম নিয়েছিলেন আর্নেস্ট, ১৮৯৯ সালে।<br>ছোটবেলা থেকেই তাঁর ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি আলাদা টান ছিলো। ওক পার্ক এন্ড রিভার ফরেস্ট হাই স্কুলে তাঁর হাতেখড়ি হয়। পড়াশোনার পাশাপাশি বক্সিং, ওয়াটার পোলা কিংবা ফুটবল খেলতে তিনি বেশ উৎসাহিত থাকতেন। একজন মেধাবী ছাত্র হিসেবে, তিনি অন্য কারো থেকে কোন অংশে কম ছিলেন না।</p>



<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading">তাঁর উপন্যাস জীবনে প্রথম পদক্ষেপ:</h2>



<p class="has-text-align-center">স্কুল জীবনে ছোটখাটো লেখা তিনি শুরু করেছিলেন। মার্ক টোয়েন, স্টিফেন ক্রেইন ও সিনক্লেয়ার লুইস এর মতন বিখ্যাত সাহিত্যিকদের মতো তাঁরও লেখালিখি যাত্রা শুরু হয় সাংবাদিক হিসেবে। স্কুলে পড়ার সময় সংবাদপত্র &#8220;ট্রাপিজি অ্যান্ড টাবুলা&#8221;(Trapaze and Tabula) তে লেখালেখি শুরু করেন খেলাধুলার সম্পর্কে। পরবর্তীকালে তিনি সাংবাদিক হিসাবে যোগ দেন &#8216;ক্যানসাস সিটি স্টার পত্রিকায়&#8217;। তাঁর জীবনের লক্ষ্য অথবা বলা যায় জীবনের মূল স্রোতের কিনারা নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল এই সাংবাদিক পেশা।&#8217;ক্যানসাস সিটি স্টার পত্রিকা&#8217;থেকেই তাঁর উপন্যাস জগতের ভিত গড়ে ওঠে। এই অভিজ্ঞতার কথা তিনি তুলে ধরেছিলেন জনমানুষের কাছে, সেখানে তিনি জানান-<br>&#8220;On the Star you were forced to learn to write a simple declarative sentence. This is useful to anyone. Newspaper work will not harm a young writer and could help him if he gets out of it in time.&#8221;</p>



<pre class="wp-block-code"><code>    পরবর্তীকালে তিনি ১৯৩৭ সালে রিপোর্টার হিসেবে কাজ শুরু করেন স্প্যানিশ সিভিল ওয়ারে। সেখানে তিনি আরও একটি বিখ্যাত উপন্যাস জনসাধারণের জন্য উপহার দেন নাম তার- "For whom the bell tolls"। প্রথমত ১৯৫৩ সালে উপন্যাস "The old man and the sea" পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছিল , তারপর আবারও দ্বিতীয় বারের মতন উপন্যাস " For whom the bell tolls"জন্য পুলিৎজার পুরস্কারে মনোনীত হন।</code></pre>



<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading">হোমিংওয়ের ব্যক্তিগত জীবন:</h2>



<p class="has-text-align-center">হোমিংওয়ের ব্যক্তিগত জীবন ছিল বেশ জটিল। সমাজ সেবায় মানুষের পাশে দাঁড়ান তিনি, আর সেই সময় তাঁর আলাপ হয় এক নার্সের সাথে নাম এগনেস ভন করোস্কি। ঘটনাচক্রে এই নার্সের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে হোমিংওয়ের। মাত্র কুড়ি বছর বয়সের যুবক ছিলেন তখন তিনি। আর পাঁচটা প্রেমিকার মতন তিনিও বিয়ের স্বপ্ন দেখেন। কথা ছিল ১৯১৯ সালে জানুয়ারি মাসে আমেরিকায় গিয়ে বিয়ে করবেন তাঁরা। কিন্তু তিনি আমেরিকাতে অপেক্ষা করতে থাকলেও এগনেস আর ফিরলেন না। কিছুদিন পরেই প্রত্যাখ্যান চিঠি এসে পৌঁছায় আমেরিকায় হোমিংওয়ের কাছে। সেখানে তিনি স্পষ্ট ভাবে জানান, তার বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছে ইটালিয়ান কর্মকর্তার সাথে।<br>আর পাঁচটা ব্যর্থ প্রেমিকের মতন হোমিংওয়ের সব স্বপ্ন ব্যর্থ হয়ে যায়। আর এই আবেগ থেকে আরেকটি উপন্যাসের জন্ম -নাম তার &#8216;এ ফেয়ারওয়েল আর্মস&#8217; ।<br>কিন্তু ভাগ্যের চাকা ঘুরল ,তিনি সাংবাদিকতা করতে করতে ভালো লেখকেও পরিচিতি লাভ করলেন। তারপর তাঁর জীবনে আবার নতুন করে প্রেমের আবির্ভাব ঘটে। এলিজাবেথ হেডলি রিচার্ডসন এর সাথে হোমিংওয়ের বিয়ে হয়।<br>তবে এবারেও এই সম্পর্ক টিকলো না বেশিদিন, কারণ তিনি আবার প্যারিসে এসে আমেরিকান সাংবাদিক পলিন পাইফার এর প্রেমে পড়েন। তার পরেই তিনি ১৯২৭ সালে রিচার্ডসন কে ডিভোর্স দিয়ে বিয়ে করেন পলিন পাইফার কে।<br>কিন্তু এখানেই তিনি থেমে থাকেননি বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন স্প্যানিশ সিভিল ওয়ার রিপোর্টার হিসেবে যোগদান করেন হেমিংওয়। সেখান থেকে আলাপ মার্থা গেলহর্ন নামক সাংবাদিকের সাথে। আর তাঁরই অনুপ্রেরণায় তিনি বিখ্যাত রচনা &#8216;ফর হোম দ্যা বেল টুলস&#8217; উপন্যাস লেখেন। যা পরবর্তী উপন্যাস জগতে এক বিখ্যাত রচনা। এই সাংবাদিকের সাথে আবারো তিনি সম্পর্কে আবদ্ধ হন, যার ফলে তার সংসারে ভাঙ্গন ডেকে আনে। পরবর্তী সময়ে তিনি পলিন কে ডিভোর্স দিয়ে সাংবাদিক মার্থা কে বিয়ে করেন।<br>মার্থা কে নিয়ে ১৯৪০ সালে তিনি চলে আসেন কিউবাতে। সেখানে ছিল হেমিংওয়ের একটি বাগান বাড়ি। সমুদ্রের মাঝখানে তিনি শিকারে বেশ মেতে উঠেছিলেন। ১৯৪১ সালে যখন জাপান চীন যুদ্ধ চলে তখন হেমিংওয় যুদ্ধের খবর সংগ্রহের জন্য চলে যান। কিন্তু পরবর্তীকালে সংবাদ গ্রহণের জন্য ইউরোপে এসে হেমিংওয়ের সাথে আলাপ হয় টাইম ম্যাগাজিনের সাংবাদিক মেরি ওয়ালেসের সাথে। সেখান থেকে বাসা বাঁধে তাদের নতুন সম্পর্ক। তিনি ১৯৪৫ সালে মার্থাকে ডিভোর্স দেন এবং বিয়ে করেন মেরি ওয়েলেস কে।</p>



<pre class="wp-block-code"><code>     বারংবার তারে বিয়ে নিয়ে প্রচুর জল্পনা-কল্পনা সৃষ্টি হয়। সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন -</code></pre>



<p class="has-text-align-center">&#8216;Funny how it should take one war to start a woman in your damn hard and other to finish her. Bad luck&#8217;</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="495" height="619" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/images-2021-10-22T094011.131.jpeg" alt="" class="wp-image-1553" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/images-2021-10-22T094011.131.jpeg 495w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/images-2021-10-22T094011.131-240x300.jpeg 240w" sizes="(max-width: 495px) 100vw, 495px" /><figcaption>হেমিংওয়ে</figcaption></figure>



<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading">অবদান:</h2>



<p class="has-text-align-center">উপন্যাস বা সাহিত্য জগতে হোমিংওয়ের অবদান সত্যি অনেকখানি গুরুত্বপূর্ণ।<br>&#8216;দ্যা ওল্ড ম্যান এন্ড দ্যা সি&#8217;থেকে শুরু করে তিনি &#8216;ফর হোম দ্যা বেল টলস&#8217;, &#8216;ম্যান উইথ আউট ওমেন&#8217; &#8211; নামক একের পর এক উপন্যাস লেখেন। এই তিনটি উপন্যাসের জন্য তিনি পুলিৎজার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন। এছাড়াও তিনি খেলাধুলা, সমাজসেবা এইসব নিয়ে লেখালেখি করেন। অন্যদিকে ১৯৪৫ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।<br>শুধুমাত্র তিনি লেখালেখি সাথে যুক্ত ছিলেন তাই নয়, বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন তিনি সমাজসেবার কাজেও মনোনীত হন। তিনি নিজে এম্বুলেন্স চালিয়ে রোগীদের পাশে দাঁড়ায়। পাশে দাঁড়ায় দেশের মাটি রক্ষার্থে। সেই সময় তিনি সাংবাদিকতার পাশাপাশি নিজের মনুষ্যত্ববোধকে ফুটিয়ে তোলেন।</p>



<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading">পারিবারিক সমস্যা:</h2>



<p class="has-text-align-center">১৯২৮ সালে হোমিংওয়ের বাবা ক্লারেন্স হেমিংওয়ে আত্মহত্যা করেন। বাবার মৃত্যুর পর স্বাভাবিকভাবে তিনিও একটু নিজেকে গুটিয়ে ফেলেন‌। হাজার চেষ্টা করার পরও তিনি সেইখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি হয়তো।<br>তাঁর বাবার মৃত্যুর পর হোমিংওয়ের জীবনের বিশাল পরিবর্তন ঘটে। বহুবার তিনি দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পায়। নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় হোমিংওয়ের জীবন।<br>এইসব এর মধ্যে দিয়েও তিনি লেখালেখি চালিয়েছেন। উপন্যাস জগতে তাঁর আরেকটি বড় অবদান হল- &#8216;এ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস&#8217; ,যে উপন্যাসটি বিশ্বজুড়ে প্রচুর খ্যাতি লাভ করে।<br>কিন্তু তিনি তাঁর বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে মনে হয় একটু বেশি ভেঙে পড়েছিলেন। তিনি বার বার তাঁর শ্বাশুড়ীকে বলতেন- তিনিও একই পথে হাঁটছেন (I will probably go the same way).</p>



<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading">শেষ জীবন:</h2>



<p class="has-text-align-center">হেমিংওয়ের বাবার মৃত্যুর পর তিনি তাঁর জীবনের মূল স্রোতের কিনারা হারিয়ে ফেলেছিলেন। অতিরিক্ত নেশাগ্রস্ত হয়ে যাওয়ার ফলে তাঁর শরীরে নেমে আসে নানান ব্যাধি। &#8220;বাইপোলার মোড ডিসঅর্ডার&#8221;-রোগে আক্রান্ত হন তিনি। জানা যায় তাঁদের বংশগত ভাবে এই রোগ বর্তমান। এর দুটি দিক থাকে- এক থাকে অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস যাকে আমরা বলে থাকি ম্যানিক কন্ডিশন। আর অন্যদিকে থাকে ডিপ্রেশন বা বিষন্নতা।<br>সহজ সরল উপন্যাসিক মনোভাব নিয়ে মেতে থাকা মানুষটির মধ্যে কখন যে এই ডিপ্রেশন বা বিষন্নতা বাসা বেঁধেছিল তা বোঝাই যায়নি। তিনি তাঁর বাবা ও বোনের মতন কখন সেই একই মানসিক অবস্থায় চলে গিয়েছিলো তা অজানায় থেকে গেছে। ৬২ বছর বয়সে তিনি পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নেয়। ২-ই জুলাই ১৯৬১ সালে উপন্যাস জগতের এক নক্ষত্রের পতন ঘটে।<br>তবে তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি নিজের শটগানের সাহায্যে আত্মহত্যা করেন। তাঁর চিকিৎসক ও বন্ধুদের কাছ থেকে জানা যায় যে, তিনি মৃত্যুর আগে তার বাবা বোন ও ভাইয়ের মত একই আচরণ করতেন। এর থেকে প্রমাণ তিনি বাইপোলার মোড ডিসঅর্ডার এর মতন রোগে সত্যিই আক্রান্ত ছিলেন। যদিও পরে চিকিৎসকরা নিজেই বলেছিলেন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খেতে তিনি।তাঁর স্ত্রী জানান, তিনি তাঁর শটগান পরিষ্কার করছিলেন। ইতিমধ্যে তিনি যে এরকম কাজ করে ফেলবেন সেটি বোঝাই যায়নি।<br>সকল তথ্য থেকে এটি শুধুমাত্র অনুমান করে নেওয়া হয়েছিল যে ,তিনি নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="498" height="616" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/images-2021-10-22T093746.525.jpeg" alt="" class="wp-image-1552" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/images-2021-10-22T093746.525.jpeg 498w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/images-2021-10-22T093746.525-243x300.jpeg 243w" sizes="(max-width: 498px) 100vw, 498px" /><figcaption><em>হেমিংওয়ের মৃত্যুর খবর</em></figcaption></figure>



<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading">আর্নেস্ট হেমিংওয়ের স্মরণীয় উক্তি:</h2>



<p class="has-text-align-center">১)আমার জানামতে সবচেয়ে দুর্লভ ব্যাপার হচ্ছে বুদ্ধিমান মানুষকে সুখী হতে দেখা।(Happiness in intelligent people is the rarest thing I know.)<br>২)মানুষ পরাজিত হওয়ার জন্য তৈরি হয়নি। মানুষকে ধ্বংস করা যায় কিন্তু পরাজিত করা যায় না।(But man is not made for defeat. A man can be destroyed but not defeated.)<br>৩)সব মানুষের জীবনের সমাপ্তিটা একই রকম। কেবল সে কিভাবে জীবন কাটিয়েছে এবং কিভাবে মারা গেছে তাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে রাখে।<br>(Every man&#8217;s life ends the same way. It is only the details of how he lived and how he died that distinguishes one man from another.)</p>



<div class="wp-block-buttons is-layout-flex wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link"><span class="has-inline-color has-white-color">লেখক পরিচিতি : রাখী সাঁফুই (নিউ আলিপুর কলেজের Journalism এ স্নাতক স্তরের ছাত্রী)(রিসাইটাল স্ফেরিকালে ইন্টার্ন ) ২০২১</span></a></div>
</div>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d/">পুলিৎজার পুরস্কার প্রাপ্ত আর্নেস্ট হেমিংওয়ে(Ernest Hemingway)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিশ্বজয়ী স্পিভাক: গায়ত্রী চক্রবর্তী</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shubhra Saha]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 18 Oct 2021 08:30:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<category><![CDATA[Gayatri Spivak Chakraborty]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1524</guid>

					<description><![CDATA[<p>একুশের যুগে যখন গোটা দুনিয়ার আদর্শ, সংস্কৃতি দেউলিয়া হতে বসেছে, যৌবনে যখন সেপারেশন এবং ডিপ্রেশনের হতাশায় ভুগছেন, তখন গায়েত্রী চক্রবর্তী স্পিভাকের নামটাই আলোচ্য হয়ে উঠেছে। বিশ্বজয়ী ৭৯ বছর বয়সী এই মহীয়সী বরাবরই ‘নারীবাদী-মাক্সবাদী-বিনির্মাণবাদী’ বলে নিজেকে প্রকাশ করতে পছন্দ করেন। স্পিভাকের জন্ম হয় কলকাতায়, ভারত স্বাধীন হওয়ার পাঁচ বছর আগে, ১৯৪২ সালে৷ পিতা পরেশচন্দ্র চক্রবর্তী, মা [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87/">বিশ্বজয়ী স্পিভাক: গায়ত্রী চক্রবর্তী</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p></p>



<p>একুশের যুগে যখন গোটা দুনিয়ার আদর্শ, সংস্কৃতি দেউলিয়া হতে বসেছে, যৌবনে যখন সেপারেশন এবং ডিপ্রেশনের হতাশায় ভুগছেন, তখন গায়েত্রী চক্রবর্তী স্পিভাকের নামটাই আলোচ্য হয়ে উঠেছে।</p>



<p>বিশ্বজয়ী ৭৯ বছর বয়সী এই মহীয়সী বরাবরই ‘নারীবাদী-মাক্সবাদী-বিনির্মাণবাদী’ বলে নিজেকে প্রকাশ করতে পছন্দ করেন। স্পিভাকের জন্ম হয় কলকাতায়, ভারত স্বাধীন হওয়ার পাঁচ বছর আগে, ১৯৪২ সালে৷ পিতা পরেশচন্দ্র চক্রবর্তী, মা শিবানী চক্রবর্তী৷ বাংলার মহামন্বন্তর তাঁর প্রথম স্মৃতি৷ গায়ত্রী তখন সেন্ট জনস ডায়োসেশন স্কুল-এর ছাত্রী৷ বাড়ি ছিল মুসলমান মহল্লার সীমান্তে৷ তাঁর পিতা বহু মুসলমান মানুষকে আশ্রয় দিয়েছিলেন তাঁদের বাড়িতে৷ এই সব ব্যক্তিগত স্মৃতি ও আখ্যান গায়ত্রীর কাছে তাত্‍পর্যপূর্ণ, কারণ তার মধ্যে থেকেই তিনি খুঁজে পান তাঁর তত্ত্বনির্মাণের রসদ৷</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="320" height="503" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/CgZfaGVXEAEtqNF-320x503-1.jpg" alt="" class="wp-image-1527" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/CgZfaGVXEAEtqNF-320x503-1.jpg 320w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/CgZfaGVXEAEtqNF-320x503-1-191x300.jpg 191w" sizes="(max-width: 320px) 100vw, 320px" /><figcaption><strong><em>যৌবনে গায়ত্রী চক্রবর্তী </em></strong></figcaption></figure>



<p></p>



<p>বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন শেষ হলে গায়ত্রী ভর্তি হন প্রেসিডেন্সি কলেজে ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী হিসেবে৷ শিক্ষক হিসেবে পেয়েছিলেন তারকনাথ সেনের মতো কিংবদন্তি মানুষকে৷ প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতক উপাধি অর্জন করেন৷ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পড়াশুনোর মধ্যেই পাড়ি দেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে৷ যদিও সেই সময়ের ভারতীয় পড়ুয়াদের স্বাভাবিক গন্তব্য ছিল ইংল্যান্ড, কিন্তু গায়ত্রী ভাবনায় ভিন্ন পথের পথিক৷ তাঁর মনে হয়েছিল ইংল্যান্ড-এর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থার ফারাক যৎসামান্য৷ অতঃপর কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পড়াশুনার পাঠ সাঙ্গ করে সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৬৭ সালে তুলনামূলক সাহিত্যে ডক্টরেট উপাধি পান৷ গবেষণার বিষয় ডব্লু বি ইয়েটস-এর জীবন ও কবিতা৷</p>



<p>‘পাশ্চাত্য’ কনসেপ্টজনিত হায়ারার্কিকে নানাভাবে প্রশ্ন করতে শেখান স্পিভাক। আর এই পশ্চিমী অধ্যায় নিয়ে প্রশ্ন করতে করতে তৈরি হয় ইতিহাস। গায়ত্রী লেখেন ‘ক্যান দ্য সাব অল্টার্ন স্পিক?’৷ পশ্চিমি বিদ্যাচর্চার জগত্‍ নিম্নবর্গকে যে ভাবে চিত্রায়িত করে এসেছে, তারই একটি চিন্তাঋদ্ধ সমালোচনা৷ যার থেকে উঠে আসা মৌলিক প্রশ্নটি এখন প্রবাদপ্রতিম, ‘নিম্নবর্গের কি কোনও ভাষা আছে?’৷</p>



<p>স্পিভাক ‘ক্যান দ্য সাবঅল্টার্ন স্পিক’ -এ এক সুন্দর বিবরণ দিয়েছিলেন। তাঁর কথার, <em>“Where possible, this model resistance is not an alternative to, but can compliment, macrological struggles along &#8216;Marxist&#8217; lines. Yet if its situation is universalized, it accomodates unacknowledged privileging of the subject. Without a theory of ideology, it can lead to a dangerous utopianism.”</em></p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="480" height="360" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/image-asset.jpeg" alt="" class="wp-image-1525" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/image-asset.jpeg 480w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/image-asset-300x225.jpeg 300w" sizes="(max-width: 480px) 100vw, 480px" /><figcaption><strong><em>গায়ত্রী স্পিভাক</em></strong></figcaption></figure>



<p>এখানেই অবশ্য থেমে থাকেননি স্পিভাক। কারণ তিনি থামতে শেখেননি। এরপর তিনি অনুবাদ করেন মহাশ্বেতা দেবীকে। এই অনুবাদটার মাধ্যমে পিছিয়ে পরা ভারতীয় জনগোষ্ঠীর কথা দুনিয়ার সামনে নিয়ে আসলেন তিনি। স্পিভাকের এই স্বাধীনচেতা ধারণা বুদ্ধিজীবী মহলকে অস্বস্তিতে ফেলেছিল। সেই সময়ের তথাকথিত উচ্চ-মধ্যমিত্তের নিম্নমানের ব্যক্তিদের উপর হওয়া শোষণের কথা তিনি দুনিয়ার সামনে নিয়ে আসতে শুরু করলেন। অধ্যাপনা ও গবেষণার পাশাপাশি গায়ত্রী অবিরত ব্যস্ত অনুবাদে৷</p>



<p>স্পিভাকের মতে, আজকের ভারতে এই কথাটা আগের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা দরকার। বোঝা দরকার, গ্রামেগঞ্জে স্কুলকলেজ তৈরি হলে কী হবে, তাদের ভাবনা আর এলিটের ভাবনা ধারার মধ্যে আজও তেমন সংযোগ নেই। অথচ বিশ্বের সেরা বিদ্যাচর্চার সঙ্গে যুক্ত থাকতে থাকতেও গায়ত্রী নিজে প্রত্যন্ত গ্রামের ছেলেমেয়েদের বসিয়ে পড়ান, নিউ ইয়র্ক থেকে প্রতি বছর বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানার নাম-না-জানা গ্রামে নিয়মিত যাতায়াত করেন। তাঁর মুখ থেকে দেশীয় উচ্চশিক্ষা-সমাজের এই ভর্ৎসনা স্বাভাবিক ভাবেই প্রাপ্য।</p>



<p>তাঁর অনবদ্য উদাহরণে, “তা ‘স্লো কুকিং’ বা ঢিমে আঁচে রান্নার মতো। কার আছে সেই সময়? বিশেষ করে চতুর্দিকে সবাই যখন ‘ফান্ড রেজিং’-এর তাড়নায় নাজেহাল। অথচ এই মানুষগুলোই আমাদের দেশের নাগরিক, ভোটের ভোটার, গণতন্ত্রের ‘গণ’। গ্লোবাল হায়ার এডুকেশন বা বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা নিয়ে ভাবতে বসে এদের কথাই ভাবতে হবে বই কী। আর একমাত্র মানবী বিদ্যার পথেই সেটা সম্ভব”, বলে গেলেন স্পিভাক।</p>



<p class="has-text-align-right"><em><strong>লেখক পরিচিতি</strong></em></p>



<p class="has-text-align-right"><strong>প্রিয়াঙ্কা দত্ত</strong></p>



<p class="has-text-align-right">(ইন্টার্ন)<strong><br>জন্ম- ১৯৯৮</strong><br><em>বসিরহাট সংলগ্ন অঞ্চল বাদুড়িয়াতে বেড়ে ওঠা।<br>বর্তমানে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিষয়ে দ্বিতীয় বর্ষে পঠনরত</em>।</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87/">বিশ্বজয়ী স্পিভাক: গায়ত্রী চক্রবর্তী</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাইমন ড্রিং: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক অপ্রত্যাশিত দুঃসাহসিক গল্প</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Aug 2021 08:38:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<category><![CDATA[সাইমন ড্রিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1436</guid>

					<description><![CDATA[<p>সাল ১৯৭১ , মার্চ মাস। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের রিপোর্টার সাইমন ড্রিং কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে কাজ করছেন। এরই মধ্যে দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের সদর দপ্তর লন্ডন থেকে কল এল। তাকে নির্দেশ দেওয়া হলো, &#8220;পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। সেখানে বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে, তুমি ঢাকা যাও।&#8221; সাইমন কোনও দিকে না তাকিয়ে ৬ মার্চ, কম্বোডিয়া থেকে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae/">সাইমন ড্রিং: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক অপ্রত্যাশিত দুঃসাহসিক গল্প</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>সাল ১৯৭১ , মার্চ মাস। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের রিপোর্টার সাইমন ড্রিং কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে কাজ করছেন। এরই মধ্যে দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের সদর দপ্তর লন্ডন থেকে কল এল। তাকে নির্দেশ দেওয়া হলো,</p>



<p>&#8220;পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। সেখানে বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে, তুমি ঢাকা যাও।&#8221;</p>



<p>সাইমন কোনও দিকে না তাকিয়ে ৬ মার্চ, কম্বোডিয়া থেকে চলে এলেন ঢাকায়।</p>



<p>৭ মার্চ, সাইমন উঠলেন হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে (বর্তমানে হোটেল রূপসী বাংলা)। পূর্ব পাকিস্তান, তথা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি সম্পর্কে ততটা অবগত ছিলেন না তিনি। পরদিন&nbsp; তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর ১৮ মিনিটের সেই ঐতিহাসিক বক্তৃতা শুনলেন তিনি। বাংলার একটি শব্দও বুঝতে পারেননি তিনি । কিন্তু বাঙালির চোখে-মুখে যে অভিব্যক্তির ছায়া দেখেছিলেন তিনি, তাতে প্রকৃত ঘটনা আঁচ করতে এক মুহূর্তও দেরি হয়নি তার।</p>



<p>সাইমন সপ্তাহখানেকের জন্য এসেছিলেন ঠিকই, তবে থেকে গেলেন আরো বেশ কিছুদিন। পরবর্তী সময়ে সংবাদ সংগ্রহের সুবাদে বঙ্গবন্ধুসহ অন্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথেও তার সখ্যতা গড়ে ওঠে।</p>



<p>২৫ শে মার্চ, রক্ত পিশাচ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কুখ্যাত <strong>&#8216;অপারেশন সার্চলাইট&#8217; </strong>চালানোর ঠিক আগে প্রায় ২০০ বিদেশি সাংবাদিককে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আটকে রাখে। উদ্দেশ্য ছিল , সাংবাদিকরা পাকহানাদারদের নৃশংস বর্বর গণহত্যার সংবাদ যেন প্রচার না করতে পারে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী সাংবাদিকদের জানায় যে, তারা নিজেদের সুরক্ষার জন্য দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারে।</p>



<p>ঠিক মধ্যরাতের দিকে বস্তিগুলো দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে, বাসাবাড়ি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ঘুমন্ত নিরস্ত্র নিরীহ জনতার উপর চলে স্টিমরোলার।&nbsp;একের পর এক গুলিতে মারা যাচ্ছিল নিরীহ কতগুলো প্রাণ। হোটেল থেকে যা যা দেখছিলেন সাংবাদিক রা তারা কিছুই কভারেজ করতে পারছিলেন না । তারা ছিলেন নিরুপায়।</p>



<p>ব্যতিক্রমী শুধু ২৭ বছর বয়সী তরুণ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং। তিনি হোটেলের লবি, রান্নাঘর এবং ছাদে ৩২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বর্বরতা কাভারেজ দেন।</p>



<p>&nbsp;২৬ মার্চ, ২০০ সাংবাদিককে করাচিতে প্রেরণের জন্য তাদেরকে ঢাকা বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়।</p>



<p>সাইমন ড্রিং তখন এক দুঃসাহসিক ঝুঁকি নেন। তিনি ধারণা করলেন, মেজর যদি সাংবাদিকদের গণনা না করেন, তবে তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নজরে না আসার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। সেদিন ভাগ্য সহায় ছিল সাইমনের। তার ধারণা ঠিক প্রমাণিত হয়। তিনি হোটেলের ছাদে পালিয়ে গিয়ে কয়েক ঘণ্টা সেখানে লুকিয়ে থাকেন। সাংবাদিকদের সেনাবাহিনীর ট্রাকে বোঝাই করে বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি ছাদ থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখেন। ভাগ্যক্রমে মেজর এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা সেদিন সাংবাদিকদের গণনা করেনি। সাইমন হোটেল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।</p>



<p>কিছুক্ষণ পর তিনি আবার হোটেলে ফিরে গেলেন। ততক্ষণে সেনাবাহিনীর সমস্ত কর্মকর্তার সেখান থেকে চলে গিয়েছে। হোটেলের সব বাঙালি কর্মচারী খুবই সহায়ক ছিল। তিনি সিদ্ধান্ত নেন, হোটেলেই কোথাও রাতটুকু লুকিয়ে থাকবেন। বাঙালি কর্মীরা তাকে আড়াল করতে এবং সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। একজন বাঙালি কর্মকর্তা তাকে অবহিত করেন যে, তার মতো আরও একজন ব্যক্তি লুকিয়ে ছিলেন। তিনি ছিলেন অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস নিউজ এজেন্সির (এপি) ২৪ বছর বয়সী ফরাসি ফটো সাংবাদিক মিশেল লরেন্ট।</p>



<p>সকাল হতেই কারফিউটি তুলে নেওয়া হয়েছিল। সামরিক টহল এড়িয়ে সাইমন হোটেল ছেড়ে যান। তিনি মোটরভ্যানে চড়ে&nbsp; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইন এবং পুরান ঢাকার বিভিন্ন অংশে গণহত্যা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেন।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="412" height="618" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.31-AM.jpeg" alt="" class="wp-image-1442" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.31-AM.jpeg 412w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.31-AM-200x300.jpeg 200w" sizes="(max-width: 412px) 100vw, 412px" /><figcaption>প্রকাশিত তথ্য</figcaption></figure>



<p>ব্রিটিশ হাই কমিশনের সহায়তায় ঢাকা ছাড়েন সাইমন। সেনাবাহিনীর লাল চোখ এড়িয়ে ফ্লাইটে উঠতেও কম বেগ পেতে হয়নি তাকে। নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে কয়েক দফায় বাধা দেয়। তাকে বিমানবন্দরে নাজেহাল করা হয়। উলঙ্গ করে চেক করা হয়, তার সাথে কী আছে না আছে, তা দেখতে। তার ক্যামেরা আটকে দেওয়া হয়। তিনি পায়ের মোজায় প্রয়োজনীয় নথিপত্র-কাগজ লুকিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু ধরা পড়ে যান। এরপর তার পায়ুপথে লাঠি ঢুকিয়ে পরীক্ষা করা হয়। প্রথমে তাকে পাকিস্তানের করাচিতে পাঠানোর চিন্তা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি বুঝতে পারেন, পাকিস্তান গেলে তিনি প্রতিবেদন তৈরি করতে পারবেন না। তাই ব্যাংকক চলে যাওয়ার কথা ভাবেন।</p>



<p>ব্যাংকক থেকে <strong>‘দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ’</strong> পত্রিকায় ড্রিং তার বিখ্যাত প্রতিবেদন পাঠান ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভল্ট ইন পাকিস্তান’ শিরোনামে; যা ১৯৭১ সালের ৩০ শে মার্চ, ডেইলি টেলিগ্রাফের প্রথম পৃষ্ঠায় বাংলাদেশের নৃশংস গণহত্যার প্রথম বিবরণ হিসাবে প্রকাশিত হয়েছিল। আর এটাই ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত বহির্বিশ্বে প্রচারিত প্রথম সংবাদ।</p>



<p>স্বাধীন বাংলাদেশে সাইমনের স্মৃতির বিচরণ –</p>



<p>সাইমন ড্রিং আবারো বাংলাদেশে এসেছিলেন। বিবিসির চাকরি ছেড়ে ১৯৯৭ সালে দেশের প্রথম বেসরকারি, বাণিজ্যিক স্থল এবং স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল একুশে টেলিভিশন (ইটিভি)-এ যোগ দিয়ে তার প্রিয় বাংলাদেশে ফিরে আসেন তিনি। তিনি আক্ষরিকভাবে বাংলাদেশের টেলিভিশন জগতে একটি বিপ্লব এনেছিলেন। ইটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে, তিনি টিভি চ্যানেলের জন্য একটি শক্তিশালী কাঠামো এবং সম্পূর্ণ পরিকল্পনা তৈরি করতে সহায়তা করেছিলেন, যা গণশ্রোতাদের অভিনব এবং বিনোদনমূলক প্রোগ্রামের স্বাদ গ্রহণের সুযোগ দিয়েছিল।</p>



<p>অর্ধশতাধিক সাংবাদিক, প্রযোজক এবং সম্পাদকদের একটি দল নিয়ে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ এবং নতুন প্রজন্মের টেলিভিশন সাংবাদিকতার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দুই বছরের মধ্যেই ড্রিংয়ের দৃষ্টি অনুসরণের পরে একুশে টেলিভিশন দেশের ৪০ মিলিয়নেরও বেশি শ্রোতার এবং বার্ষিক টার্নওভার ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সাথে দেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় এবং আর্থিকভাবে লাভজনক টিভি স্টেশনে পরিণত হয়।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="700" height="394" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.31-AM-1.jpeg" alt="" class="wp-image-1441" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.31-AM-1.jpeg 700w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.31-AM-1-300x169.jpeg 300w" sizes="(max-width: 700px) 100vw, 700px" /></figure>



<p>তবে খুব বেশিদিন সাইমন ড্রিংয়ের স্বপ্ন দীর্ঘায়িত হলো না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ২০০২ সালের আগস্টে তৎকালীন সরকার ইটিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। সাইমনের ভিসা এবং ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করে দেওয়া হয়। একমাসের মধ্যে সরকার সমর্থক একজন প্রযোজক সাইমন ড্রিং এবং টিভি স্টেশনের তিনজন নির্বাহী পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা করে দেন। ফলস্বরূপ, তাকে ২০০২ সালের অক্টোবরে দেশ ছাড়তে হয়েছিল। এই অসম্মানজনক বিদায়টা সাইমন ড্রিংয়ের পাওনা ছিল না।</p>



<p>পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি বেশ কয়েকটি দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য কাজ চালিয়ে যান এবং অস্ট্রেলিয়ায় পরামর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।</p>



<p>২০১২ সালে, মুক্তিযুদ্ধের চার দশক পর যুদ্ধে অবদান রাখায় রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করতে সাইমনকে বাংলাদেশ সরকার ঢাকায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। ২০১৩ সালে যমুনা টেলিভিশনের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার জন্য ড্রিং প্রায় এক বছরের জন্য আবার বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন।</p>



<p>সাইমনের আত্মজীবনী &#8211;</p>



<p>যুদ্ধক্ষেত্রে কাজ করার সময় সাইমন ড্রিং দু&#8217;বার আহত হন- প্রথমবার ভিয়েতনামে, এবং দ্বিতীয়বার সাইপ্রাসে। সাংবাদিক হিসেবে তার আলোকিত ক্যারিয়ার অসংখ্য মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার এবং সম্মাননায় ভরপুর। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকার গণহত্যার ডেইলি টেলিগ্রাফে প্রত্যক্ষদর্শী বিবরণীর জন্য ইউকে রিপোর্টার অভ দ্য ইয়ার হয়েছিলেন।</p>



<p>বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় অসাধারণ ভূমিকার জন্য সাইমন ড্রিংয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ আজ পুরো বাংলাদেশ।</p>



<p class="has-text-align-right"><strong>লেখক পরিচিতি : সৈকত বৈদ্য </strong><br><em>বিদ্যাসাগর কলেজের  ছাত্র </em><br><em>বিষয় : জার্নালিসম্ ও মাস কম</em></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae/">সাইমন ড্রিং: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক অপ্রত্যাশিত দুঃসাহসিক গল্প</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>লাজুক জর্জ এর গ্ল্যামারাস ক্রিস্টিন হওয়ার ইতিহাস</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Aug 2021 08:34:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1434</guid>

					<description><![CDATA[<p>সালটা ছিল ১৯৫২ এর পয়লা ডিসেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের ডেইলি নিউজ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়া একটি খবর পুরো বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। শিরোনামে লেখা ছিল “Ex- GI becomes blonde beauty” অর্থাৎ , “প্রাক্তন এক সৈন্য রূপান্তরিত হলো ব্লন্ড বিউটিতে&#8221;।হ্যাঁ এটাই ছিল বিশ্বের প্রথম সফল লিঙ্গ পরিবর্তন। জর্জের ক্রিস্টিন হওয়ার ইতিহাস। &#160;জর্জ জোর্গেনসন ছিলেন একজন অভিজ্ঞ আমেরিকান সৈন্য এবং [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/">লাজুক জর্জ এর গ্ল্যামারাস ক্রিস্টিন হওয়ার ইতিহাস</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>সালটা ছিল ১৯৫২ এর পয়লা ডিসেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের ডেইলি নিউজ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়া একটি খবর পুরো বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। শিরোনামে লেখা ছিল “Ex- GI becomes blonde beauty” অর্থাৎ , “প্রাক্তন এক সৈন্য রূপান্তরিত হলো ব্লন্ড বিউটিতে&#8221;।হ্যাঁ এটাই ছিল বিশ্বের প্রথম সফল লিঙ্গ পরিবর্তন। জর্জের ক্রিস্টিন হওয়ার ইতিহাস।</p>



<p>&nbsp;জর্জ জোর্গেনসন ছিলেন একজন অভিজ্ঞ আমেরিকান সৈন্য এবং নিউ ইয়র্ক, ব্রঙ্কসের বাসিন্দা। ছোটবেলায় জর্জে অন্যান্য ছোট ছেলেদের থেকে খুব আলাদা বোধ করতেন ।তরুণ বয়সেই জর্জ বুঝতে পেরেছিল যে সে একটি ভুল শরীরে আটকা পড়ে গেছে। সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার সময়ও জর্জকে পড়তে হয়েছিল অনেক সমস্যার মুখে। তার সঙ্গে থাকা দীর্ঘদেহী পুরুষ সৈন্য ছিল তাকে পুরুষ বলে মনে করতো না এবং জর্জ কে ভয় দেখাতো।</p>



<p>&nbsp;অপারেশনের&nbsp; দু মাস পর ডেনমার্কে ফিরে পুরো বিশ্ব কে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ক্রিস্টিন। সেদিনও পত্রিকায় একটি ছবি প্রকাশিত হয়েছিল ।সেখানে দেখা যাচ্ছিল, একজন রোগ ছিপছিপে ২৭ বছর বয়সী ব্লন্ড নারী পশমের তৈরি মোটা কোট পরে&nbsp; নিউ ইয়র্কের এয়ারপোর্টে বিমান থেকে নেমে আসছেন।</p>



<p>&nbsp; ১৯৮০-এর দশকে ক্রিস্টিন জর্জেনসেনকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র তৈরি করার সময় ডেনমার্কের একজন ডাক্তার এবং তথ্যচিত্র নির্মাতা টাইট রুটস আওয়ার&nbsp; বলেন, “জর্জের সেই সময়ের ছবিতে তাকে একজন সমকামী পুরুষের মতো দেখাতো। এবং এই কারণে জর্জকে সেনাবাহিনীতে অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল&#8221;।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="450" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.29-AM.jpeg" alt="" class="wp-image-1438" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.29-AM.jpeg 800w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.29-AM-300x169.jpeg 300w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.29-AM-768x432.jpeg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /></figure>



<p>&nbsp; ১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে জর্জ&nbsp; একজন ড্যানিশ ডাক্তার ক্রিশ্চিয়ান হ্যামবার্গার সম্পর্কে একটি নিবন্ধ এর সম্মুখীন হন, যিনি প্রাণীদের উপর হরমোন পরীক্ষা করে লিঙ্গ থেরাপি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন। জর্জ আশা করতে শুরু করলেন যে ডক্টর হ্যামবার্গার তার সমস্যার সমাধান করতে পারবে এবং ১৯৫০ এ তিনি&nbsp; কোপেনহেগেনে যান ডক্টর দের সাথে কথা বলতে।</p>



<p>কিন্তুএকজন মহিলা হওয়ার প্রথম পদক্ষেপটি ছিল মহিলা হরমোনের একটি দীর্ঘ কোর্স।</p>



<p>হ্যামবুর্গার ছিলেন প্রথম চিকিৎসক যিনি ডায়াগনেস করেছিলেন জর্জ&nbsp; জোর্গেনসন কে একজন ট্রান্সসেক্সুয়ালে। হ্যামবুর্গার জর্জ কে উৎসাহিত করেছিলেন ,একজন নারীর পরিচয় গ্রহণ করতে এবং জনসমক্ষে একজন নারীর মত পোশাক পড়তে।&nbsp; হরমোন কার্যকর হতে শুরু করার সাথে সাথে,হ্যামবুর্গার জর্জ এর শরীরের পরিবর্তনগুলি লক্ষ্য করে।</p>



<p>&nbsp; কিন্তু&nbsp; ড্যানিশ আইন অনুযায়ী কারোর ক্যাস্ট্রেশন (খোজা) করে দেওয়া ছিল অবৈধ। কিন্তু জর্জ এর মনোচিকিৎসক ইয়র্গ স্টিরুপ তাকে পরীক্ষা করে বলেন যে তিনি শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে অপারেশন এর জন্য পুরো ফিট। এবং স্টিরুপ আইন পরিবর্তনের জন্য ডেনমার্ক সরকারের কাছে অপারেশনের উদ্দেশে ক্যাস্ট্রেশনের অনুমতি দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। এই অনুমতির কারণেই অপারেশনের মাধ্যমে ক্রিস্টিন জোর্গেনসনের লিঙ্গ পরিবর্তনের কাজটাও সম্ভব হয়েছিল।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="747" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.30-AM-1024x747.jpeg" alt="" class="wp-image-1440" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.30-AM-1024x747.jpeg 1024w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.30-AM-300x219.jpeg 300w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.30-AM-768x560.jpeg 768w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.30-AM-1536x1120.jpeg 1536w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.30-AM.jpeg 1920w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p>&nbsp; লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রথম অপারেশন হয়েছিল জার্মানির বার্লিন শহরে ১৯৩০ এ লিলি এলবা নামক এক ব্যাক্তির শরীরে।কিন্তু সার্জারি সফল হয়নি এবং লিলি তার শেষ অপারেশন এর সময় মারা যান। কিন্তু এই এক্সপেরিমেন্ট জোর্গেনসনের ডাক্তারদের কিছু দিক-নির্দেশনা দিয়েছিল।</p>



<p>&nbsp; হরমোন থেরপির প্রায় এক বছর পর অবশেষে জর্জ অপারেশনের আসল পর্যায়ে যায় যেখানে তার জেনিটাল অঙ্গ কে পরিবর্তন করে পুরুষ থেকে একজন মহিলায় রূপান্তরিত করা হবে। “যদিও অপারেশন এ কি হয়েছিল টা অস্পষ্ট ।কিন্তু ক্রিস্টিন ও তার ডক্টর মনে করেন তার অপারেশন সফল হয়েছিল এবং এই অপারেশনের পর তার শরীরে যে কোন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি তাতে আমরা সত্যিই বিস্মিত হয়েছি &#8221; বলেন টাইট রুটস আওয়ার। এইবার শুধু আরেকটি পদক্ষেপ তার রয়ে গেছিল বাকি একজন মহিলা হয়ে উঠতে তা হলো তার নাম। এই বার জর্জ তার নাম পরিবর্তন করে রেখেছিল ক্রিস্টিন।</p>



<p>&nbsp; অপারেশনের পর ক্রিস্টিন তার বাবা মাকে দেওয়া চিঠিতে লিখেছিলেন “প্রকৃতি একটা ভুল করেছে যা আমি সংশোধন করেছি, এবং এখন আমি তোমাদের মেয়ে।&#8221;তার পরিবার তার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে তাকে গ্রহণ করে নিয়েছিল।</p>



<p>&nbsp; এবং ক্রিস্টিনের অপারেশন সফল হওয়ার পর&nbsp; আমেরিকা থেকে অনেক নারী হ্যামবুর্গারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তারাও তাদের লিঙ্গ পরিবর্তনের ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন।</p>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp; ১৯৬০ এবং ৭০ এর দশকে তিনি একটি আরামদায়ক জীবনযাপন করেন । দুবার সম্পর্কে জড়ালেও ক্রিস্টিন জোর্গেনসন&nbsp; কখনো বিয়ে করেনি।&nbsp; তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে সে সবসময় বলেছে “আমি আমার জন্য প্রকৃত মানুষ খুঁজে পাইনি&#8221;।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="546" height="662" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.30-AM-1.jpeg" alt="" class="wp-image-1439" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.30-AM-1.jpeg 546w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/08/WhatsApp-Image-2021-08-23-at-2.19.30-AM-1-247x300.jpeg 247w" sizes="(max-width: 546px) 100vw, 546px" /></figure>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাওয়ার পর ক্রিস্টিন&nbsp; ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করতে শুরু করেন এবং হয়ে ওঠেন হলিউড সেলেব্রিটি। দেশে ফিরে আসার পর ক্রিস্টিনকে &#8220;উইমেন অফ দ্য ইয়ার&#8221; মর্যাদাপূর্ণ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছিল ।</p>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; তিনি নিজেকে নিয়ে একটি আত্মজীবনী ও লেখেন যার নাম ছিল “দ্য স্টোরি অফ মাই লাইফ&#8221;। ১৯৮৯ সালে ক্রিস্টিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মারা যাওয়ার কিছু বছর আগে ক্রিস্টিন&nbsp; তার ডাক্তারদের সাথে আবার দেখা করতে যায় ,যারা তাকে একটি নতুন জীবন দান করেছিলেন।</p>



<p>&nbsp; ১৯৫০ এর দশকে ডেনমার্কে রক্ষণশীল সংস্কৃতি সত্ত্বেও&nbsp; ক্রিস্টিনের এই পদক্ষেপ অনেক মানুষকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল এবং আজও যুগিয়ে চলেছে।</p>



<p class="has-text-align-right"><strong>লেখক পরিচিতি : দিশাসাহা</strong><br><em>বিদ্যাসাগরকলেজেরছাত্রী</em><br><em>বিষয় : জার্নালিসম্ওমাসকমিউনিকেশন</em></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/">লাজুক জর্জ এর গ্ল্যামারাস ক্রিস্টিন হওয়ার ইতিহাস</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এস এম সুলতানের আঁকা  ছবিতে ছিল এক শান্তির ছোঁয়া</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%8f%e0%a6%b8-%e0%a6%8f%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%8f%e0%a6%b8-%e0%a6%8f%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Aug 2021 08:12:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1431</guid>

					<description><![CDATA[<p>“যে শিশু সুন্দর ছবি আঁকে, তার গ্রামের ছবি আঁকে, সে সুন্দর ফুলের ছবি আঁকে, তার জীবজন্তুর ছবি আঁকে, গাছপালার ছবি আঁকে, সে কোনোদিন অপরাধ করতে পারে না, সে কোনোদিন কাউকে ব্যথা দিতে পারে না।” -এস এম সুলতান শিল্প ও সাহিত্য জগতে এক বিশেষ নাম এস এম সুলতান।যার পুরো নাম&#160; শেখ মোহম্মদ সুলতান।&#160;শিল্পী সুলতানের জন্ম হয়&#160; [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%8f%e0%a6%b8-%e0%a6%8f%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87/">এস এম সুলতানের আঁকা  ছবিতে ছিল এক শান্তির ছোঁয়া</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>“যে শিশু সুন্দর ছবি আঁকে, তার গ্রামের ছবি আঁকে, সে সুন্দর ফুলের ছবি আঁকে, তার জীবজন্তুর ছবি আঁকে, গাছপালার ছবি আঁকে, সে কোনোদিন অপরাধ করতে পারে না, সে কোনোদিন কাউকে ব্যথা দিতে পারে না।”</p><cite>-এস এম সুলতান</cite></blockquote>



<p>শিল্প ও সাহিত্য জগতে এক বিশেষ নাম এস এম সুলতান।যার পুরো নাম&nbsp; শেখ মোহম্মদ সুলতান।&nbsp;শিল্পী সুলতানের জন্ম হয়&nbsp; ১৯২৩ সালের ১০ আগস্ট, নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে।&nbsp;বাবা শেখ মোহম্মদ মেসের আলী ছিলেন একজন রাজমিস্ত্রী। কিন্তু সুলতানের কাছে তার বাবা ছিলেন একজন শিল্পী। তৎকালীন জমিদার বাড়ির অনেক নকশা সুলতানের বাবার করা। সুলতান সেসব কাজ দেখেছেন একদম কাছ থেকে যা তাকে পরবর্তীতে শিল্পী হতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।ভর্তি হলেও স্কুলের বাঁধাধরা নিয়মে পড়ালেখা তার ভালো লাগতো না। সময় কাটতো প্রকৃতিকে অনুভব করে। কখনো ক্লাসে বসে আবার কখনো চিত্রা নদীর পাড়ে বসে স্কেচ করতেন। স্কুলের শিক্ষক রঙ্গলাল ব্যাপারটি খেয়াল করলেন। সুলতানের খাতা দেখে বুঝতে পারলেন তার মধ্যে এক শিল্পী বাস করছে। তিনি সুলতানের ভেতরের সেই সত্ত্বাকে গড়ে তুলেতে চাইলেন। তিনি সুলতানকে তার নিজের বাড়িতে নিয়ে গেলেন। সেখানে রঙ্গলাল সুলতানকে তার সব জ্ঞান উজাড় করে দিলেন।কলকাতায় গিয়ে আর্ট শিখতে চাইলেও সেই আর্থিক সঙ্গতি ছিলো না সুলতানের। এক্ষেত্রে তাকে সহযোগিতা করেন এলাকার জমিদার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।&nbsp; সুলতান কলকাতা আর্ট স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দেন এবং প্রথম স্থান অধিকার করেন। কিন্তু সেখানে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা তার ছিলো না। সেখানে ভর্তি হওয়ার জন্য তাকে সহযোগিতা করেন শিল্প সমালোচক শাহেদ সোহরাওয়ার্দী। এ সময় শাহেদ সোহরাওয়ার্দী তার লাল মিয়া নাম পাল্টে এস এম সুলতান । আর্ট স্কুলে ভালো করলেও ফাইনাল পরীক্ষার আগে আর্ট স্কুল ছেড়ে তিনি দেশে-বিদেশে ঘুরে বেড়াতে থাকেন। কাশ্মীরে আদিবাসীদের সাথে থাকতে শুরু করেন। আঁকতে শুরু করেন তাদের জীবনযাত্রা। বোহেমিয়ান ছিল তার জীবনধারা। প্রচারবিমুখ এ মানুষটি তার কাজের প্রতিও ছিলেন বেখেয়ালী। জীবনে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। যে জায়গায় কাজ করেছেন সেখানেই তা ফেলে এসেছেন। এভাবে চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেছে সুলতানের অনেক কাজ।কানাডার এক নারী মিসেস হাডসনের সহযোগিতায় সুলতানের প্রথম চিত্র প্রদর্শনী হয় সিমলায়। ১৯৪৭ সালে সুলতানের একক চিত্র প্রদর্শনী হয় লাহোরে। সুলতানের ছবি পিকাসো, সালভাদর দালির মতো শিল্পীর সাথে একই সাথে প্রদর্শিত হয় ইউরোপের এক প্রদর্শনীতে। দেশে-বিদেশে প্রায় ২০টি চিত্র প্রদর্শনী শেষে ১৯৫৩ সালে দেশে ফিরে আসেন সুলতান। ফিরে এসে ঢাকায় তিনি কোনো চাকরি পাননি। কারণ শিক্ষকতা করার মতো প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা তার ছিল না। পরে তিনি গ্রামে ফিরে আসেন। গ্রামে তার জায়গা-জমিও বেদখল হয়ে যায়। দেশ-বিদেশ থেকে তিনি বিশেষ বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। তার ছবি মূল বিষয় ছিল অন্যরকম। তথাকথিত আধুনিক চিত্রকলার&nbsp;অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্টের ধরণ তিনি গ্রহণ করেননি।&nbsp;তিনি আঁকতেন মানুষ, কৃষক, নারী, শিশু, গাছপালা, গ্রামের দৃশ্য এসব। তার ছবি দেখলেই বোঝা যায় প্রকৃতির প্রতি তার সমর্পণ কেমন ছিল।তাঁর অন্যতম গুণ যে বাঁশি ও &nbsp;তবলা বাজাতে পারতেন অদ্ভুত সুন্দরভাবে। শাড়ি পরে পায়ে ঘুঙুর দিয়ে নাচতেন অদ্ভুতভাবে।পরতেন আলখাল্লা। মাথায় লম্বা চুল। নিজের তৈরি জগতেই বিভোর হয়ে থাকতেন সুলতান।</p>



<p>১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী তাকে ‘আর্টিস্ট ইন রেসিডেন্স’ ঘোষণা করে। ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি মাসে ঢাকার ‘গ্যালারি টনে’ ছিল সুলতানের শেষ চিত্র প্রদর্শনী। ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর সুলতান এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী তাকে ‘আর্টিস্ট ইন রেসিডেন্স’ ঘোষণা করে। ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি মাসে ঢাকার ‘গ্যালারি টনে’ ছিল সুলতানের শেষ চিত্র প্রদর্শনী। ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর সুলতান এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। তার শিল্পের মধ্যেই তিনি আজও   অমর।নিজের খ্যাতিকে হাতিয়ার করেন নি।  সবকিছু ছেড়ে গ্রহণ করেছেন সংগ্রামের পথ। সাধারণ মানুষ ও জীবনের কাছাকাছি থাকতে চেয়েছেন। তাই তার কাজকর্মও ছিল তথাকথিত স্বাভাবিক থেকে আলাদা পরিসরের। </p>



<p class="has-text-align-right"> <strong>লেখক পরিচিতি :</strong> <strong>নাফিসা</strong>  <br><em>বিদ্যাসাগর কলেজের ছাত্রী  </em><br><em>বিষয় : জার্নালিসম ও মাস কম</em></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%8f%e0%a6%b8-%e0%a6%8f%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87/">এস এম সুলতানের আঁকা  ছবিতে ছিল এক শান্তির ছোঁয়া</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%8f%e0%a6%b8-%e0%a6%8f%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ও আধ্যাত্মসাধক : ঋষি অরবিন্দ</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Aug 2021 08:07:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1429</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমরা সকলেই জানি ১৫ আগস্ট মানেই ভারতের স্বাধীনতা দিবস। অথচ একই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি যে রাজনৈতিক নেতা, আধ্যাত্মসাধক এবং দার্শনিক বটে। যার ইতিহাস থেকে আমরা অধিকাংশ অজ্ঞাত। স্বাধীনতার উচ্ছাসে যে ইতিহাসগুলো আমাদের স্পর্শ করতে পারেনি এটি তার মধ্যে অন্যতম। &#160;সাল ১৮৭২, পশ্চিম বাংলার হুগলি জেলায় কোন্নগরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন শ্রী অরবিন্দ। প্রাচীন&#160; ঘোষবংশে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d/">ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ও আধ্যাত্মসাধক : ঋষি অরবিন্দ</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আমরা সকলেই জানি ১৫ আগস্ট মানেই ভারতের স্বাধীনতা দিবস। অথচ একই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি যে রাজনৈতিক নেতা, আধ্যাত্মসাধক এবং দার্শনিক বটে। যার ইতিহাস থেকে আমরা অধিকাংশ অজ্ঞাত। স্বাধীনতার উচ্ছাসে যে ইতিহাসগুলো আমাদের স্পর্শ করতে পারেনি এটি তার মধ্যে অন্যতম।</p>



<p>&nbsp;সাল ১৮৭২, পশ্চিম বাংলার হুগলি জেলায় কোন্নগরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন শ্রী অরবিন্দ। প্রাচীন&nbsp; ঘোষবংশে অরবিন্দ&#8217;র জীবনের ছক বেঁধে দিয়েছিলেন তাঁর পিতা কৃষ্ণধন ঘোষ। অথচ সময়ের তরী মানুষকে কোথায় ভাসিয়ে নিতে যেতে পারে বলা মুশকিল। অরবিন্দর পিতা ইচ্ছে তুলিতে অরবিন্দর জীবন আঁকতে চেয়েছিলেন অন্যরকম-অন্যভাবে। কিন্তু পিতা কৃষ্ণধন আদৌও কি সফল হয়েছিলেন পুত্র অরবিন্দর জীবন নিজের মত করে আঁকতে?</p>



<p>কৃষ্ণধন ঘোষ ছিলেন তৎকালীন বাংলার রংপুর জেলার জেলা সার্জন। কৃষ্ণধন ঘোষ বিলেতের কিংস কলেজে চিকিৎসা শাস্ত্রে লেখাপড়া করেছিলেন। তাঁজে ইংরেজি পন্থা প্রবলভাবে প্রভাবিত করেছিল। ফলে তাঁর পুত্রও যেন সেই পন্থায়&nbsp; নিজেকে বড় করে তুলতে পারে এবং ভারতীয় প্রভাব থেকে দূরে থাকতে পারে তাঁর যথাতথা ব্যবস্থা করেছিলেন। অরবিন্দকে এবং তাঁর দু&#8217;ই ভাইকে দার্জিলিং-এর লোরেটো কনভেন্টে স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এবং ভবিষ্যতে তাঁদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠিয়ে দেয় তাঁদের পিতা কৃষ্ণধন ঘোষ।</p>



<p>বিদেশে গ্রীক, লাতিন এবং ইংরেজি সাহিত্য চর্চা করবার পড় তাঁর পিতার ইচ্ছে মত আইসিএস কর্মকর্তা-র পদে নিয়োগ হবার জন্য পরিক্ষায়ও বসেন। পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হন তবে ঘোড়া দৌড়ের পরিক্ষায় স্বেচ্ছায় যান নি কারণ পিতা কৃষ্ণধনের প্রতিটি চিঠি তাকে ভাবিয়ে তুলছিল। ভারতীয়দের প্রতি ব্রিটিশদের অত্যাচার মেনে নিতে পারেনি কাজেই অরবিন্দ ভাবনাচিন্তা পথ ঘুরে যায়। তাঁর চিন্তাভাবনায় জন্ম নেয়— সে ব্রিটিশদের সেবা অথবা কাজ কোনটাই করতে চায় না। কাজেই অরবিন্দ ১৮৯৩ সালে ১৮ বছর বয়সে ভারতে ফিরে আসে তাঁর বিদেশি শিক্ষা পূর্ণ করে। সেই বছরই মহাত্মা গান্ধী তাঁর ২৫ বছর বয়সে আইনবিদ্যা পড়বার জন্য পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এবং সেই বছরই স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর ৩০ বছর বয়সে শিকাগো শহরে একটি ধর্মীয় সমারোহে উপস্থিত ছিলেন।</p>



<p>কেউ বিপ্লবী অরবিন্দ আবার কেউ ঋষি অরবিন্দও বলে আমরা তাঁকে চিনি। অরবিন্দ বারোদার তাঁর কর্মজীবন শেষ করে বাংলায় ফিরে আসেন। এবং ভারতে ফেরবার পর থেকেই বিদেশিদের প্রতি অনীহা অনুভব করেন। ১৮০৬ সালে রাষ্ট্রিয় শিক্ষা পরিষদের নির্মাণ হয়। সুরেন্দনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিপিনচন্দ্র পাল, রাসবিহারী ঘোষ যারা মিলে তৈরি করেছিলেন এই পরিষদ। এবং অরবিন্দ সেই পরিষদে যোগদান করেন। এখন এই রাষ্ট্রীয় শিক্ষা পরিষদের জায়গায় যাদবপুর বিশ্ব বিদ্যালয়। কিন্তু এই আন্দোলন শুরু হয় বিদেশি বস্তু ত্যাগ করা থেকে। সাধারণত ওঁরা চেয়েছিল ভারতেই নিজেস্ব শিক্ষা ব্যবস্থা হোক। ফলে ভারত নিজেদের শিক্ষা নিজেই নির্ধারণ করতে পারবে তার ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য। এইভাবেই ভারতের এক একটি করে দিক ভারত নিজের কাছে ফিরে পাবে। এবং শিক্ষা ছিল তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই প্রথম পদক্ষেপ ছিল আন্দোলনের একটি অংশবিশেষ।</p>



<p>দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে শিক্ষাগ্রহণ করার ফলে তিনি জানতেই বিদেশিদের ভাবনাচিন্তা সম্বন্ধে। ফলে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে শুধু কথার মাধ্যমে নয় আন্দোলন ছাড়া ভারতকে উদ্ধার করা সম্ভব নয়। শিক্ষায় পরিবর্তন অংশবিশেষ হলেও প্রয়োজন ছিল আরও গভীরেভাবে এই আন্দোলনের সাথে যুক্ত হওয়া। তাই অরবিন্দ ঘোষ কংগ্রেস আন্দোলনের সাথে যুক্ত হন।  এবং বুঝতে পারেন শুধু ভারতীদের মনে কলমের মাধ্যমে সহজে পৌঁছে যাওয়া যেতে পারে। বাংলায় প্রকাশিত হল &#8220;বন্দেমাতরম&#8221; পত্রিকা। তখন বাংলা বিভাজন আন্দোলন চলেছে। তাঁঁর বৈপ্লবিক চেতনা থেকে  তিনি বলছেন— India of the ages is not dead nor has she spoken her last creative word; she lives and has still something to do for herself and the human peoples.</p>



<p>তাঁর এই ভাবনা এবং ভারতের সাধারণ মানুষদের নিয়ে দেখা স্বপ্ন তিনি তাঁর বিপ্লবের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। মানুষকে উন্নত করার জন্য তার গোড়ার দিকটা মজবুত করার কথা তিনি বরাবার ভেবেছেন। তার প্রতিচ্ছবি পড়েছে তাঁর গোটা জীবন জুড়ে। সেই দেশের ভাবনাই তো আসলে সাধারণ মানুষের ভাবনা। এই ভাবনা ভবিষ্যতে গিয়ে মানুষের চেতনার কথা ভাবিয়ে তোলে। রামকৃষ্ণ পরমহংস অথবা বিবেকানন্দ তাঁর উপর প্রভাব ফেলেছিল। দীর্ঘদিন তিনি ভারতের উপনিষদ পড়েছেন। মানুষের প্রতি যে ভালবাসা এবং যে কর্তব্যর পথ দেখিয়েছে —গীতা।</p>



<p>তাই অরবিন্দ বলছেন — Spirituality is indeed the master key of the Indian mind; the sense of the infinitive is native to it.</p>



<p>তাঁর কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার দীর্ঘদিন পর, ১৯০৭-এ কংগ্রেসের সুরাট অধিবেশনে দলের নরমপন্থী অংশের সঙ্গে অরবিন্দ সহ অন্যান্য চরমপন্থী নেতাদের মতবিরোধ শুরু হয়। সেই সুত্রে কংগ্রেস বিভক্ত হয়ে যায় এই মতবিরোধেরর কিছুদিন পরেই। অরবিন্দ অবশ্য ততদিনে কলকাতায় ‘অনুশীলন সমিতি’ নামে দল গঠন করেন। এবং সহিংস সংগ্রামে বিশ্বাসী গুপ্ত সংগঠনগুলির নেতৃত্ব দিতে শুরু করেছেন। এবং আন্দোলন চলা কালীন ক্ষুদিরাম বসু এবং প্রফুল্ল চাকী মুজাফফরপুরে ভুল করে দু&#8217;ই ব্রিটিশ মহিলার হত্যা করে ফেলে। ফলে ব্রিটিশ সরকার ৩৭ জন বিপ্লবীদের বন্দী করা হয় তার মধ্যে অরবিন্দ ঘোষও ছিলেন। বিপ্লবীদের জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। আলিপুর প্রেসিডেন্সি জেলে অরবিন্দ ঘোষ পুরো এক বছর বন্ধী ছিলেন। ৫ মে ১৯০৮ থেকে ৬ মে ১৯০৯ পর্যন্ত। এই দীর্ঘদিন থাকাকালীন তাঁর মধ্যে অমোঘ পরিবর্তন দেখা যায়। অরবিন্দ চেয়ে ছিলেন জেলে একাকী সময় কাটাবেন। কাজেই সব বিপ্লবীদের থেকে তাঁর সেলটি আলাদা করে দেওয়া হয়। জেলে থাকাকালীন অরবিন্দ নীরব স্বভাবের হয়ে গিয়েছিলেন;ভাবের ঘোরে ডুবে থাকতেন। নিজের খাওয়ার পিঁপড়ে, আরসোলা, টিকটিকিদের খাওয়াতেন। সেই সময় তার শরীরময় লাল পিঁপড়েদের যাওয়া আশা শুরু হত। অথচ তাঁর কোন মধ্যে কোন অস্থিরতার দ্যাখা মিলত না। পশুপাখিদের দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়তেন। অরবিন্দ তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন, “জেলে থাকার সময় আমি অবিরাম শুনতে পেতাম স্বামী বিবেকানন্দের বাণী। যখন আমি এক পক্ষকাল ধ্যানমগ্ন ছিলাম একা একটি কুঠুরিতে, বিবেকানন্দ যেন রোজ আমার সঙ্গে কথা বলতেন।” পরে অরবিন্দ ঘোষ, নলিনীকান্ত গুপ্ত এবং বারীন ঘোষ -এর হয়ে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ আদালতে তাঁদের হয়ে লড়েছিলেন। অবশেষে তাঁরা নির্দোষ প্রমাণিত হয়।</p>



<p>১০০ বছর পর সেই অরবিন্দ&#8217;র সেলটি এখন মন্দির হিসেবে শ্রী অরবিন্দর পুজো করা হয়। অরবিন্দ&#8217;র সেলটিতে সারারাত বাতি জ্বলে এবং সকালে সেখানে অরবিন্দ&#8217;র পুজো দেওয়া হয়। সেলটি শুধুই ভক্তি নয় শিল্পের এক বিশাল মন্দিরও বটে। আবৃত্তির ওয়ার্কশপ, আঁকার ক্লাস, ফুটবলের ক্লাস এবং নাটকের মহড়াও করানো হয়। বিশিষ্ট সাহিত্যিক নবনীতা দেবসেন সেখানে একটি অনুষ্ঠানের অতিথি হয়ে এসেছিলেন। এবং অনুষ্ঠানের অবশেষে নবনীতা দেবসেন প্রায় ৩০ মিনিট ধরে অরবিন্দ&#8217;র মূর্তির সামনে প্রণাম করেছিলেন। শুধু বিপ্লবী হিসেবে নয় আধ্যাত্মিক জগতের এক স্বর্ণ ছিলেন। যে বিচার এবং একাত্ম বোধ মানুষের মধ্যে জাগরুক করতে চেয়েছিলেন তাঁর বীজ পুঁতেছিলেন তাঁর জেল জীবনকালীন।</p>



<p>জেল থেকে ফিরে এসে কলমের মাধ্যমে বিপ্লব প্রতিনিয়ত করে চলেছিলেন অরবিন্দ। ইংরেজিতে কর্মযোগী এবং বাংলায় ধর্ম নামের দু&#8217;টো পত্রিকার প্রকাশ করেছিলেন অরবিন্দ। এবং পত্রিকাটি চালিয়ে যাওয়ার জন্য সাহায্য করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দর শিষ্য সিস্টার নিবেদিতা। ভবিষ্যতে দু&#8217;টি পত্রিকার দায়ভার সিস্টার নিবেদিতা&#8217;র হাতে দিয়ে আধাত্মের সন্ধানে ঋষি আরবিন্দ পৌঁছে যান পন্ডিচেরীতে। সেখানেই তার ধর্ম এবং আধাত্মকে নিয়ে চর্চা শুরু করেন।</p>



<p>অরবিন্দ পন্ডিচেরি থেকে শুধু ধর্ম চর্চা নয় সঙ্গে ভারতের স্বাধীনতার জন্য বিপ্লবীদের জন্য লিখে গেছেন অনেক চিঠি। প্রতিনিয়ত তিনি বিভিন্ন ভাবে পথ বাতলে দিয়েছেন বিপ্লবীদের। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অরবিন্দের জন্য লিখেছেন বেশ কিছু কবিতা। এবং ঠাকুর তাঁর অসুস্থতা অমান্য করে পৌঁছে গেছিলেন পন্ডিচেরীতে বিপ্লবী বা ঋষি অরবিন্দ&#8217;র কাছে।</p>



<p>বাকিটা জীবন শ্রী অরবিন্দ থেকে গেলেন পন্ডিচেরিতে। একটা সময় পর কথা বলা বন্ধ করে দিলেন মানুষের সাথে। তাঁর সাথে থাকতে আসা শ্রী মা একমাত্র মানুষের সাথে তাঁর যোগাযোগের মাধ্যম ছিল। শ্রী অরবিন্দ তাঁর আধ্যাত্মের জ্ঞান লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করতেন। আর্য — পত্রিকার মাধ্যমে তাঁর বহু আধ্যাত্মিক চেতনার কথা সাধারণ মানুষ জানতে পেরেছে। ঋষি অরবিন্দ ইংরেজি এবং বাংলায় বেশ কিছু বই লিখেছেন। Savitri — বিশ্বখ্যাত বইয়ে অরবিন্দ ২৪ হাজার পংক্তি লিখেছেন। যা বিশ্বের সব থেকে বড় কবিতা। ভবিষ্যতে তাঁর সাধনা এবং তাঁর আধ্যাত্মিকতা তাঁকে  শ্রী অরবিন্দ নামে পৃথিবীর সাথে পরিচয় করায়। পন্ডিচেরীতে নির্মাণ হয় অরবিন্দ আশ্রম। ৫ ডিসেম্বর ১৯৫০ সালে বিদ্রোহী বা ঋষি অরবিন্দ পৃথিবী ছেড়ে শূণ্যর কাছে চলে যান। রেখে যান আধ্যাত্ম এবং জীবনের বিশাল পরিভাষা। </p>



<p>অরবিন্দের পিতা চেয়েছিলেন তাঁর ছেলে একটি সরকারি চাকরিজীবী হোক।কিন্তু অরবিন্দ খুঁজে পেয়েছিল জীবনের মূল পরিভাষা। পরিচয় হল মাটির সাথে— এই বাংলার সাথে। ভারতের জন্য যে শিক্ষা ব্যবস্থা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং ভবিষ্যতে স্বাধীন ভাবনার জন্য উচিত শিক্ষার ব্যবস্থা করতে পেরেছিলেন অরবিন্দ ঘোষ। শুধু পেশীবলে নয় কলমের শক্তি দিয়েও সংগ্রাম করে গেছেন দূরে থেকেও। তাঁর জীবন আমাদের শুধুই দেশের প্রতি কর্তব্য জন্য নয় বরং সমানুপাতিক ভাবে নিজের আত্মার খোঁজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছেন। ১৫ আগস্টের এই উচ্ছাস ভরা স্বতন্ত্র নিশ্বাসের পিছনে কত হাজারো এমন বাস্তব লুকিয়ে আছে। সেই সব বাস্তবের কাছে আমাদের শরণাপন্ন হতে হবে। বুঝতে হবে জীবনবোধকে শ্রী অরবিন্দ&#8217;র মত মানুষের লেখনীর কাছে বসতে হবে। পড়তে হবে তাঁর জ্ঞান সমারোহ। কীভাবে আমাদের জীবন এবং তার আষ্টেপৃষ্টে লেগে থাকা দৈনন্দিন বিপ্লবের সঙ্গে নিজের খোঁজও গুরুত্বপূর্ণ তারই পথ দেখালেন এই বাংলার ঋষি অরবিন্দ। আমাদের জন্য অরবিন্দ তাঁর জীবন অভিজ্ঞতা থেকে লিখে গেছেন — To listen to some devout people, one would imagine that God never laughs.</p>



<p class="has-text-align-right"><strong>লেখক</strong> <strong>পরিচিতি :</strong> বিশ্বরূপ হাওলাদার</p>



<p class="has-text-align-right">(পেশায় লেখক ও লিরিক্সিস্ট)</p>



<p class="has-text-align-right">             </p>



<p class="has-text-align-right"> </p>



<p class="has-text-align-left"></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d/">ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ও আধ্যাত্মসাধক : ঋষি অরবিন্দ</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
