<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Review Archives - RecitalSpherical</title>
	<atom:link href="https://recitalspherical.org/category/review/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://recitalspherical.org/category/review/</link>
	<description>Official Website</description>
	<lastBuildDate>Tue, 22 Nov 2022 12:22:21 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/07/cropped-Site-Identity-32x32.jpg</url>
	<title>Review Archives - RecitalSpherical</title>
	<link>https://recitalspherical.org/category/review/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>‘হাওয়া’- য় উত্তাল ! দুই প্রজন্মের মন রাখতে অক্ষম না সক্ষম বাংলাদেশী ফ্লিম &#8220;হাওয়া &#8220;?</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a7%9f-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a7%9f-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shubhra Saha]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 22 Nov 2022 12:22:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Review]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=2214</guid>

					<description><![CDATA[<p>উমাশ্রী রায় : মেজবাউর রহমান সুমনের ছবি ‘হাওয়া’। পোস্টার, ট্রেলার, প্রচার— সব কিছুই ইঙ্গিত দিয়েছিল একটি টানটান থ্রিলারের। অভিনয়ে তারকাখচিত সব নাম। ক্যামেরা ও সিনেমাটোগ্রাফি যে নজরকাড়া হতে চলেছে, তাঁর ঝলক মিলেছিল ট্রেলারেই।এ ছাড়া ছবির গান &#8220;সাদা সাদা কালা কালা’র &#8221; জনপ্রিয়তাও দেশের গণ্ডি পেরিয়েছে ইতিমধ্যেই । লেখক : উমাশ্রী রায়(ইন্টার্ন)</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a7%9f-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9c/">‘হাওয়া’- য় উত্তাল ! দুই প্রজন্মের মন রাখতে অক্ষম না সক্ষম বাংলাদেশী ফ্লিম &#8220;হাওয়া &#8220;?</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p><strong>উমাশ্রী রায় :</strong> মেজবাউর রহমান সুমনের  ছবি ‘হাওয়া’। পোস্টার, ট্রেলার, প্রচার— সব কিছুই ইঙ্গিত দিয়েছিল একটি টানটান থ্রিলারের। অভিনয়ে তারকাখচিত সব নাম। ক্যামেরা ও সিনেমাটোগ্রাফি যে নজরকাড়া হতে চলেছে, তাঁর ঝলক মিলেছিল ট্রেলারেই।এ ছাড়া ছবির গান &#8220;সাদা সাদা কালা কালা’র &#8221; জনপ্রিয়তাও দেশের গণ্ডি পেরিয়েছে ইতিমধ্যেই ।</p>



<pre class="wp-block-code"><code>      তবে দু’ঘণ্টা দশ মিনিট জুড়ে পর্দায় মুগ্ধ হওয়ার মতো দৃশ্য ও ফ্রেম যেমন মিললো, তেমন দুর্বলতাও চোখে পড়ল বিস্তর। 'হাওয়া' হল প্রশংসিত এবং জনপ্রিয় বাংলাদেশী পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমনের চলচ্চিত্র, যিনি জনপ্রিয় বাংলাদেশী ব্যান্ড মেঘদলের একজন প্রতিভাবান সঙ্গীতশিল্পীও। প্রেক্ষাগৃহে প্রবেশের সাথে সাথে আমরা আক্ষরিক অর্থেই অনুভব করতে পারি যে; পরিবর্তনের হাওয়া এই ঈদ-উল-আযহারের পর থেকেই বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে আঘাত হেনেছে। প্রেক্ষাগৃহে ঢোকার অপেক্ষায় বা বাতিল হওয়া টিকিট কেনার চেষ্টা করা লোকের ভিড় বাঁধল।

      সিনেমা শুরু হওয়ার সাথে সাথে পুরো ঘরের দর্শকরা নিঃশব্দ হয়ে গেল এবং শুরুর সিকোয়েন্স দ্বারা মোহগ্রস্ত হয়ে গিয়েছিলো, যেখানে আমরা প্রতিটি প্রধান  চরিত্রের এক একটি  ঝলক দেখতে পাই। মেজবাউর রহমান সুমনের আগের কাজ সম্পর্কে যারা অবগত আছেন- তারা জানেন যে ;তিনি দেশের সবচেয়ে দৃশ্যমান স্টাইলিস্টিক পরিচালকদের  মধ্যে একজন। কিন্তু ‘মনপুরা’ খ্যাত চিত্রগ্রাহক কামরুল হাসান খসরুর সঙ্গে তার জুটি ‘হাওয়া’কে নিয়ে গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রায়। ছবির এক একটি শটে বঙ্গোপসাগর, ও তার  সৌন্দর্য ও ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে। সাথে ছিলো গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার দৃশ্য,সমুদ্রের মাঝখানে ডুব দেওয়া থেকে মাছ ধরার জাল পুনরুদ্ধার করা থেকে ফিশিং ট্রলারে অন্ধকার ঝড়ের রাত পর্যন্ত, প্রতিটি দৃশ্য আপনাকে আপনার আসনের প্রান্তে নিয়ে যাবে। এই দৃশ্য গুলোই দর্শক মহলে এক আলাদাই উত্তেজওনার সৃষ্টি করে ।

     চলচ্চিত্রটি সম্পাদনা করেছেন এক প্রতিভাবান বাংলাদেশী সম্পাদক সজল অলোক, যিনি খুব দক্ষতার সাথে এই কাজটি করেছেন । ছবিটির রঙ এবং ভিএফএক্সও আন্তর্জাতিক মানের। বিশেষ করে কম্পোজিটিং শট  দর্শকদের বেশি আকৃষ্ট করে ।  যা অবশ্যই বলা যেতেই পারে আমাদের স্থানীয় সমসাময়িক চলচ্চিত্রগুলিতে আরেকটি বিরল কীর্তি।
 
     মেকআপ, প্রোডাকশন ডিজাইন এবং কস্টিউমও ছিল নিপুণ। নিঃসন্দেহে, এটি সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন এবং স্টাইলিস্টিক বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।আরেকটি সাধারণ অভিযোগ যা আমরা নিয়মিত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র সম্পর্কে শুনি তা হল শব্দের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি। 'হাওয়া' সম্ভবত প্রথম বাংলাদেশী চলচ্চিত্র যেটিতে মোটামুটি ৫.১ চারপাশের সাউন্ড মিক্স ছিল। অনির্বাণ গাঙ্গুলি এবং মেঘদোল গিটারিস্ট রাশেদ শরীফ শোয়েব দ্বারা করা সাউন্ড ডিজাইন সফলভাবে একটি সঠিক সাউন্ডস্কেপ তৈরি করেছে। যা আপনাকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ট্রলারে জীবনের অনুভূতি দিতে বাধ্য। সংলাপগুলি সঠিকভাবে রেকর্ড করা হয়েছিল এবং অভিনেতাদের ঠোঁট থেকে সিঙ্কের বাইরে মনে হয়নি, যা বেশিরভাগ মূলধারার বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে একটি সাধারণ সমস্যা। মিউজিক করেছেন রাশেদ শরীফ শোয়েব এবং ইমন চৌধুরী। ছবির বেশিরভাগ দৃশ্যের প্রশংসায়  মেতে দর্শক মহল।

       প্রায় ২০-২৫ জন দর্শক নাচতে স্ক্রিনের সামনে গিয়েছিলেন এবং "শাদা শাদা কালা কালা" ট্র্যাকটি শুরু হলে পুরো থিয়েটার গান গাইতে শুরু করেছিল। আমাকে অবাক করে দিয়েছিল যে মেঘদোলের সর্বশেষ ট্র্যাক "এ হাওয়া", যা চলচ্চিত্রটির ভাইরাল প্রচারণার অংশ ছিল। 
       
       যাইহোক, এই আশ্চর্যজনক সাউন্ডস্কেপ এবং শ্রুতিমধুর অভিজ্ঞতা তৈরি করার জন্য দলের প্রচুর সাধুবাদ পাওয়া উচিত।মূল ভূমিকায় বেশিরভাগ অভিনেতাই দুর্দান্ত কাজ করেছেন। চঞ্চলের পানে ভেজানো সংলাপগুলো অবশ্যই একই সাথে দর্শকদের বিস্মিত করবে এবং বিরক্ত ও  করবে বটেই । সরিফুল রাজ, সোহেল মন্ডল, নাসির উদ্দিন খানও নিজ নিজ চরিত্রে অসাধরন অভিনয় করেছেন।
   
       নাজিফা তুশি তার রহস্যময় ‘গুল্টি’ চরিত্রে ভালো অভিনয় করেছেন যিনি একজন বেদে বা ওয়াটার জিপসি, যার নৌকায় আগমনের সাথে সাথে ঘটনার একটি অদ্ভুত ধারার শুরু হয়। এছাড়াও, তাদের অধিকাংশই উপকূলীয় খুলনা ও বাগেরহাট অঞ্চলের জেলেদের ভূমিকা পালন করেছে। তবুও, স্বীকার করতেই হবে যে কিছু দৃশ্যে চঞ্চল এবং নাসিরউদ্দিন তাদের সংলাপ দিয়ে একটি হাস্যকর প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে গিয়েছিলেন, তবে দর্শক মহলে - যা কখনও কখনও অস্বাভাবিক মনে হয়েছিল। এর জন্য দুর্বল অভিনয় নির্দেশনাকে দায়ী করা উচিত।ফিল্মটি দাবি করে 'একটি আধুনিক দিনের রূপকথা যা সমুদ্র, ঢেউ এবং একটি ট্রলারকে ঘিরে আবর্তিত হয়।' চঞ্চল চৌধুরী একটি মাছ ধরার ট্রলারের ক্যাপ্টেনের ('মাথা মাঝি') চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যেটি সমুদ্রের মাঝখানে বিভিন্ন রহস্যময় ঘটনার মধ্য দিয়ে যায়। যদিও ফিল্মটি সবচেয়ে নান্দনিকভাবে আনন্দদায়ক জিনিসগুলির মধ্যে একটি যা আপনি দেখতে এবং শুনতে পাবেন, দুঃখজনকভাবে এর গল্পের লাইনটি প্রচারের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। গল্পের মোড় খুবই দুর্বল । যা দর্শকদের চোখ এরাতে পারেনি । কিছু সস্তা লাইন খুব চতুরতার সাথে চলচ্চিত্রের বিভিন্ন অংশে রাখা হয়েছিল , যা দর্শকদের কাছ থেকে হাসির বিস্ফোরণ তৈরি করে।

      আরেকটি বিষয় যা ফিল্মটির কোনও প্রচারমূলক সামগ্রীতে বা ছবির শুরুর সময় PG-13 বা 'স্পষ্ট বিষয়বস্তু' সতর্কতার কোনও ইঙ্গিত ছিল না। বাস্তবসম্মত সংলাপের প্রতি ফিল্মমেকারের দৃষ্টিভঙ্গি এবং ছবিতে অশ্লীল শব্দের ভারী ব্যবহারকে যা নজর করে। বাংলাদেশী জেলেরা একে অপরের পা টেনে ধরে নানা অপশব্দ ব্যবহার করে। এটি সামগ্রিক নাবিক কথোপকথনকে আরও অস্বাভাবিক করে তুলেছে ;তবে  ছবিটির পরিবেশক, জাজ মাল্টিমিডিয়া, দর্শকদের আগে থেকে অবহিত করেনি? তরুণ শ্রোতারা এই অশ্লীল সংলাপগুলি পছন্দ করলেও , অধিকাংশের কাছে তা দৃষ্টিকটু বলে মনে হয়েছিল।লোকজন তাদের বাচ্চাদেরও ছবিটি দেখতে নিয়ে গিয়েছিল- তারা সম্পূর্ণ আতঙ্কিত।

     প্রচারমূলক উপাদানে একটি সাধারণ এক-লাইন সতর্কতা এই সমস্যাটি সম্পূর্ণভাবে সমাধান করে দেবে। এছাড়াও, ছবিটির প্রযোজক (সান মিউজিক এবং মোশন পিকচার্স লিমিটেড) ছবিটির দুটি সংস্করণ চালাতে পারতেন। একটি সংস্করণ সুস্পষ্ট এবং ১৪ বছরের বেশি বয়সী দর্শকদের জন্য অনুমোদিত হতে পারে এবং অন্য সংস্করণে তাদের সন্তানদের এটি দেখতে নিতে চান এমন অভিভাবকদের জন্য সমস্ত অশ্লীল শব্দগুলি ব্লিপ করা যেতে পারে। আশা করছি,' হাওয়া '-র প্রযোজক ও পরিবেশকরা খুব শীঘ্রই এই সমস্যাগুলো সমাধান করবেন। এটিও ইন্ডাস্ট্রিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন কারণ,আমরা দেখতে পাচ্ছি যে বাংলাদেশর চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড এত কঠোর অথচ বাস্তবসম্মত সংলাপ থাকা সত্ত্বেও' হাওয়া ' কে ছাড়পত্র দিয়েছে। আশা করি, ভবিষ্যতে আরও চলচ্চিত্র নির্মাতারা তাদের শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি বড় পর্দায় তুলে ধরার জন্য সেন্সর বোর্ডের কাছ থেকে এমন স্বাধীনতা পেতে পারেন।সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক গুঞ্জন ও ফিল্মের কিছু প্রধান সমস্যাগুলির উপরে, আমরা কি সত্যিই বলতে পারি যে 'হাওয়া' সমস্ত প্রচারের ঊর্ধ্বে গিয়ে মূল্যবান কিনা?    
      মেজবাউর রহমানের চমকপ্রদ চলচ্চিত্রটি একমাত্র বাংলাদেশী ফিচার ফিল্মগুলির মধ্যে একটি যা আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের চেকলিস্টের সমস্ত বাক্সে টিক দিয়েছে। বাংলাদেশি সিনেমা কেমন হওয়া উচিত এবং কেমন হওয়া উচিত নয়, সে বিষয়ে তিনি কার্যত প্রশ্ন তুলেছেন। টিম' হাওয়া ' এদেশে কীভাবে একটি চলচ্চিত্রের প্রচার করা দরকার তা নিয়ে পাঠ্যপুস্তকের আকার নিয়েছে।বাংলাদেশ অবশেষে সেই মঞ্চে প্রবেশ করেছে যেখানে আগামী সপ্তাহ থেকে “থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার”-এর মতো মার্ভেল ফিল্মগুলিতে অনন্ত জলিলের “দিন: দ্য ডে”,রায়হান রাফির'পরান 'এবং মেজবাউর রহমান সুমনের দুর্দান্তভাবে তৈরি ' হাওয়া 'এর মতো সরাসরি স্থানীয় বক্স অফিসের প্রতিদ্বন্দ্বী তো থাকবেই।</code></pre>



<p class="has-text-align-right"><strong>লেখক : </strong><em>উমাশ্রী রায়(ইন্টার্ন)</em></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a7%9f-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9c/">‘হাওয়া’- য় উত্তাল ! দুই প্রজন্মের মন রাখতে অক্ষম না সক্ষম বাংলাদেশী ফ্লিম &#8220;হাওয়া &#8220;?</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a7%9f-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মন্দার</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shubhra Saha]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Dec 2021 16:06:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Review]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1667</guid>

					<description><![CDATA[<p>নির্দেশনা : অনির্বাণ ভট্টাচার্য্য ওয়েব সিরিজ &#8211; রিভিউ সোমনাথ ঘোষ বহমান এই কালস্রোত , যা অক্লান্তভাবে ছুটে চলেছে চলন্ত ট্রেনের সাথে পাল্লা দিতে থাকা চাঁদটার মত । এই &#8216; কাল &#8216; এর হিসেব কষে চলা ভীষণ জরুরী । নয়তো জীবনের এই যাত্রায় ঘুমালেই নিকষ মৃত্যু ! তাই তো , &#8221; ম্যাকবেথ শ্যাল স্লিপ নো মোর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0/">মন্দার</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading">নির্দেশনা : অনির্বাণ ভট্টাচার্য্য</h2>



<h4 class="has-text-align-center wp-block-heading">ওয়েব সিরিজ &#8211; রিভিউ</h4>



<p class="has-text-align-center"></p>



<h5 class="has-text-align-center wp-block-heading">সোমনাথ ঘোষ</h5>



<p>বহমান এই কালস্রোত , যা অক্লান্তভাবে ছুটে চলেছে চলন্ত ট্রেনের সাথে পাল্লা দিতে থাকা চাঁদটার মত । এই &#8216; কাল &#8216; এর হিসেব কষে চলা ভীষণ জরুরী । নয়তো জীবনের এই যাত্রায় ঘুমালেই নিকষ মৃত্যু ! তাই তো , &#8221; ম্যাকবেথ শ্যাল স্লিপ নো মোর &#8221; ! আর এই &#8216;কাল&#8217; কেই শেক্সপিয়ারের কালজয়ী নাটক &#8216;ম্যাকবেথ &#8216; এর উপর নির্ভর করে চৌকো পর্দায় ধরতে চেয়েছেন অনির্বাণ ভট্ট্যাচার্য তাঁর প্রথম ওয়েব সিরিজ &#8216;মন্দার&#8217; এ , সমুদ্রতীরবর্তী গেইলপুর নামের এক জায়গার প্রেক্ষাপটে ।</p>



<p>পাঁচ এপিসোডের এই সিরিজের সূত্রধর মজনু বুড়ি ও পেঁদো নামক দুই চরিত্র যারা সহজেই ডাইনিদের মনে করায় । তাঁদের মাধ্যমেই পরিচয় ঘটে কেন্দ্রীয় চরিত্র মন্দারের , একে একে আসে লাইলি , বন্কা , ডাব্লু ভাই , মদন হালদার , মণ্চা , মুকাদ্দর মুখার্জীরা । ম্যাকবেথকে অনুসরণ করেই সিরিজটি হলো ক্ষমতা এবং প্রতিশোধের গল্প আর এই গল্প হলো সময়ের । তাই মজনু বুড়ির ভাষ্যে কালের হিসেব উঠে আসে বারবার । সিরিজ জুড়ে মজনু বুড়িকেই কালের প্রতিভূ মনেহয় কখনও কখনও । তবে ক্ষমতার সাথে আসে লোভ ।  সেই লোভের জন্য লাইলির হাতিয়ার অবাধ যৌনতা আর কয়েনের উল্টোপিঠে মুকাদ্দার মুখার্জীর যৌনতার লোভেই ক্ষমতার ব্যবহার কোথাও গিয়ে এক হয়ে যায় । তবে লাইলির যৌনতা এখানে যেন উদ্দেশ্যপ্রণীত । ধ্বজভঙ্গ মন্দার সন্তান চায় ভবিষ্যতের কথা ভেবে , ক্ষমতা কায়েমের কথা ভেবে , যদিও গদির লোভকে চাপা দিতে পারে না বিবেক , তাই তো কাপড়ে রক্তের দাগ ভুলতে পারে না । আবার মন্দার চরিত্রটি রক্তের স্বাদ পাওয়া বাঘের মত । পরে চিরাচরিত শাসকের মতই ক্ষমতা দখল করে লাইলিকে ব্যবহার করতেও পিছপা হয়না । মন্দার, লাইলি , ডাব্লু ভাই , মুকাদ্দার সবার কাছেই সিংহাসন আয়ত্বে আনা মুখ্য হয়ে ওঠে , এক হয়ে যায় fare is foul and foul is fare । যদিও সিরিজে তার অনুবাদ &#8216; কপাল ইজ পোঁদ , পোঁদ ইজ কপাল &#8216; কোথাও যেন লঘু করে দেয় । ক্ষমতার লোভ বন্কারও রয়েছে তবে অভাব সাহসের , আর রয়েছে পিতৃস্নেহের পিছুটান । তাই নিজের পাপের দায় যাতে সন্তানের ওপর না বর্তায় সেই ভয় থাকে । আর রয়েছে মুকাদ্দার মুখার্জী । ক্ষমতার চেয়েও নারীতে আসক্তি হয়তো তাকে ক্ষমতার ইঁদুর দৌড়ে রাখেনি কিন্তু মন্দারের ভাগ্যনির্ধারণে তাঁর ভূমিকা দর্শককে তৃতীয় ডাইনির কথা মনে পড়ায় । সিরিজের পর্বগুলো নামকরণের সাথে যুক্ত তবে দর্শকের সুবিধার্থে কিছু ঘটনার পূর্ব প্রেক্ষাপট থাকলে হয়তো সুবিধা হতো । বিশেষত লকার চরিত্রটা যেভাবে শুরু হয়েই শেষ হয় সেটা দর্শক মনে অপূর্ণতা তৈরী করতে পারে ।  এই সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মুহূর্তসৃষ্টি । ছবির শুরুতেই গাড়িতে করে মাছ নিয়ে যাবার দৃশ্যে সামাজিক স্তরভেদকে দেখানো , বন্কার ভাষ্যে লকার সাইকেলের চাবিতে &#8216;ইনকিলাব জিন্দাবাদ দেখে &#8216; এটা কোন কিলাব রে ? &#8216; বিপ্লবকে প্রাতিষ্ঠানিক করে দেয় এক মুহূর্তে । সিরিজের প্রথম চারটি এপিসোড বেশ টানটান ,তবে রান কম পড়লো স্লগ ওভারে গিয়ে । ম্যাকবেথ নির্ভর সিনেমায় প্রতিশোধ একটা বড় বিষয় , হয়তো আরো ছড়িয়ে খেলার জায়গাও ছিল কিন্তু কোথাও যেন সিরিজটা হঠাৎ করেই শেষ হয় । শেষটা যুক্তিহীন নয় তবে নাটকীয়তার অভাব দর্শকের মনে কিছুটা অপ্রাপ্তি তৈরী করে । তবে একশ্রেনীর দর্শক যারা ম্যাকবেথ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল তাঁদের মনে হয়তো সিরিজটি অনেক প্রশ্ন তৈরী করবে । বরং একটি সাধারন সিরিজ হিসাবে দেখতে বসা দর্শকদের হয়তো বেশী টানবে &#8216; মন্দার &#8216; !</p>



<p>সিরিজের অভিনয়ের দিক দিয়ে প্রায় সবাই যথাযত । কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেবাশীষ মণ্ডল (মন্দার) যৌন অক্ষমতা থেকে হতাশা , নিজের ভবিষ্যৎ জানতে চাওয়া এবং গদি বাঁচানোর তীব্র ইচ্ছার অভিনয় ফুটিয়ে তুলেছেন পোক্ত অভিনেতার মতই , সোহিনী সরকারও নজর কেড়েছেন দর্শকের। শঙ্কর দেবনাথ (বন্কা ) , দেবেশ রায়চৌধুরী (ডাব্লু ভাই ) অভিজ্ঞ অভিনেতা , পরিসরমাফিক কাজ করেছেন ভালোভাবে । অনবদ্য অভিনয় করেছেন লোকনাথ দে (মদন হালদার ) এবং সজল মণ্ডল (মজনু বুড়ি )। নতুনদের মধ্যে দিগন্ত সাহা (মন্চা ) কোরক সামন্ত(ফাণ্টুস) লকুমনি (দোয়েল রায় নন্দী ) তাঁদের ভূমিকায় যথাযথ । আর রয়েছেন অনির্বাণ ভট্ট্যাচার্য (মুকাদ্দার মুখার্জী ), নিজের প্রথম পরিচালনাতেই নিজের গলার ধাঁচ ভেঙ্গে অন্য ধারার অভিনয় বেশ চ্যালেঞ্জিং , আর তিনি কাজটা করেছেন সফলভাবেই । চরিত্রটি কোন দর্শকের পছন্দ হতে পারে , কোন দর্শকের অপছন্দ হতে পারে কিন্তু চরিত্রটিকে এড়িয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব ।</p>



<p>এই সিরিজের সম্পদ হলো ক্যামেরা, মেক আপ ও ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক । শুরু থেকে শেষ অবধি অসাধারণ কিছু ক্যামেরা আর ড্রোনের কাজ উপহার দেয় এই সিরিজ । তা সেই প্রথম দৃশ্যে মাছের গাড়ি যাওয়া হোক অথবা মন্দারের দৌড় । রয়েছেন মেক আপ আর্টিস্ট সোমনাথ কুন্ডু । আমাদের দেশে এই শ্রেনীর লোকের কাজ অন্তরালে থেকে যায়, সজল হালদারকে মজনু বুড়ি করে তোলার জন্য মেক আপ আর্টিস্ট ও তাঁর টিমের জন্য আলাদা হাততালি বরাদ্দ রাখতেই হয় । আর রয়েছে ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর , যা দর্শককে সিরিজের সাথে রিলেট করতে বাধ্য । সব মিলিয়ে প্রথম পরিচালনায় কিছু খামতি ছাড়া দর্শকের কাছে হয়তো অনির্বাণ ভট্ট্যাচার্য পাশমার্কের চেয়ে বেশি কিছু নম্বর ব্যাগে নিয়ে দর্শকদের এক উপভোগ্য সিরিজ উপহার দিতে পেরেছেন ।</p>



<pre class="wp-block-code"><code></code></pre>



<p class="has-text-align-right"><strong>লেখক পরিচিতি :</strong> <em>সোমনাথ ঘোষ</em></p>



<p class="has-text-align-right"><em>( পেশায় শিক্ষক ও লেখক )</em></p>



<p class="has-text-align-right"><strong>স্থান :</strong> <em>বেলুড়</em></p>



<h2 class="wp-block-heading"></h2>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0/">মন্দার</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গোলন্দাজ</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shubhra Saha]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 23 Oct 2021 05:24:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Review]]></category>
		<category><![CDATA[Anirban Bhattacharya]]></category>
		<category><![CDATA[Dev]]></category>
		<category><![CDATA[Golandaj]]></category>
		<category><![CDATA[SVF]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1539</guid>

					<description><![CDATA[<p>গোলন্দাজ সিনেমা রিভিউ কথায় আছে দীর্ঘ অন্ধকার কেটে যে আলোর সূচনা হয়, সেই আলো নাকি চোখ ধাঁধিয়ে দেয় , ঠিক এমনটাই ঘটলো বর্তমানে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে। সুদীর্ঘ অতিমারিতে আটকে থাকা বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ কে নতুন করে আবারও প্রানবন্ত হতে দেখা গেলো পূজোয় প্রকাশিত &#8216; গোলন্দাজ &#8216; ছবির মধ্যে দিয়ে। বাংলার হারিয়ে যাওয়া গৌরবময় ইতিহাস, ভাষা, [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%9c/">গোলন্দাজ</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<h2 class="wp-block-heading"></h2>



<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading">গোলন্দাজ </h2>



<h4 class="has-text-align-center wp-block-heading">সিনেমা রিভিউ </h4>



<p class="has-drop-cap has-text-align-center">            </p>



<div class="wp-block-buttons is-content-justification-center is-layout-flex wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link"><span class="has-inline-color has-white-color">রোহিত মজুমদার </span></a></div>
</div>



<p></p>



<p class="has-drop-cap has-text-align-center">কথায় আছে দীর্ঘ অন্ধকার কেটে যে আলোর সূচনা হয়, সেই আলো নাকি চোখ ধাঁধিয়ে দেয় , ঠিক এমনটাই ঘটলো বর্তমানে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে। সুদীর্ঘ অতিমারিতে আটকে থাকা বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ কে নতুন করে আবারও প্রানবন্ত হতে দেখা গেলো পূজোয় প্রকাশিত <strong>&#8216; গোলন্দাজ &#8216; </strong>ছবির মধ্যে দিয়ে। বাংলার হারিয়ে যাওয়া গৌরবময় ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি, স্বদেশ আন্দোলনের অধ্যায়টি আবার নতুন করে তুলে ধরা হয়েছে এই ছবির মাধ্যমে।</p>



<p class="has-text-align-center">১০ই অক্টোবর সিনেমা হলে মুক্তি পায় এই ছবি। গল্পের সময়কাল পরাধীন ভারতবর্ষ, ও স্বৈরাচারী ব্রিটিশ শাসন। যার প্রধান চরিত্র অর্থাৎ <strong>&#8216; নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারি &#8216;</strong> -র ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের খ্যাতনামা সুপারস্টার দেব কে। এর আগেও বিভিন্ন আলাদা চরিত্রে অভিনয়ের জন্যে নিজেকে যথার্থ ভাবে প্রস্তুত করে সফলতা আনতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এইবারও ঠিক এমনটাই হলো। নৌকাডুবি টলিপাড়ায় যেনো একবার নতুন করে হাল ধরে দিল<strong> &#8216; গোলন্দাজ &#8216; </strong>ছবি। নিজেকে একেবারে ভেঙে আবার যে নতুন করে গড়ে তোলা যায়, তা প্রমাণ করেছেন অভিনেতা<strong> &#8216; দেব &#8216;</strong> এই ছবির মধ্যে দিয়ে।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>গল্পসার :</strong> ছবির প্রেক্ষাপট ও সময়কালে মিশে থাকা ভারতীয় বাঙালিরদের আবেগ ও দেশপ্রেম এক প্রবল শিহরণ জাগিয়ে তুলেছে সমগ্র ছবিটির প্লে জুড়ে। কাহিনিনুসারে <strong>নগেন্দ্রর (দেব) </strong>ছেলে বেলা থেকেই ধ্যানজ্ঞান ছিল ফুটবল খেলার প্রতি। ভারতীয় হিসেবে প্রথম তিনিই ফুটবলে পা দেন। নিজ প্রচেষ্টায় প্রায় ১০ এরও বেশি ফুটবল সংগঠন তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রথম ভারতীয় হিসেবে তিনিই প্রথম ফুটবল ক্লাব গঠন করেন। নাম দেন ওয়েলিংটন। যদিও ব্রিটিশদের এই খেলায় জায়গা করা স্থানীয় ভারতীয়দের কাছে সহজ ছিল না। যেই ইউরোপীয় সংস্কৃতি নিয়ে ব্রিটিশের গর্ব ছিল আকাশছোঁয়া, সেই স্থানেই তাদের সমান মর্যাদার দাবি করেন নগেন্দ্র ও তার ক্লাবের সদস্যরা।<strong> &#8216;ফ্রেন্ডস’,</strong> <strong>‘বয়েজ’, ‘প্রেসিডেন্সি’ </strong>ক্লাবের সহায়তায় নগেন্দ্র<strong> ‘ওয়েলিংটন’ </strong>ক্লাব শুরু করলেও একসময় নানা কারনে ভেঙে যায়। ডুরান্ড কাপে খেলা হয় না তাদের। যেখানে সমাজের প্রভাবশালী কুমর্মী দের ভূমিকা ছিল। ছবিতে অনির্বাণের চরিত্রের আগমনের অপেক্ষায় ছিল অনেকেই। হতে গোনা কয়েকটা সিনে জায়গা হলেও নিঃসন্দেহে বলা যায়<strong> &#8216; ভার্গব &#8216;</strong> -এর মত এক অসামান্য চরিত্রে তার অভিনয় ও চলার পথে নগেন্দ্রের পথ প্রদর্শক রূপে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন দর্শকদের মনে। এসবের পাশাপাশি <strong>নাড়ুর </strong>চরিত্রে<strong> &#8216; মির্চি অগ্নি</strong> &#8216; বেশ আনন্দ দিয়েছেন দর্শকদের।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="451" height="680" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/images-2021-10-23T084203.952.jpeg" alt="" class="wp-image-1541" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/images-2021-10-23T084203.952.jpeg 451w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/images-2021-10-23T084203.952-199x300.jpeg 199w" sizes="(max-width: 451px) 100vw, 451px" /><figcaption><em>গোলন্দাজ ছবির পোস্টার</em></figcaption></figure>



<p class="has-text-align-center"></p>



<p class="has-text-align-center">এসবেরই মাঝে নগেন্দ্রের জীবনে জুড়ে যায়<br><strong>‘কমলিনী’ (ইশা সাহা)।</strong> খুব সুন্দর মানিয়েছে (দেব-ইশা) জুটিকে। রাসের গানে তাঁদের মাধুর্য চোখে পড়ার মতো। কেবল মুকাবয়াব দ্বারাই প্রেম, খুশি, দুঃখ সমস্ত ভাব তুলে ধরেছেন সারা ছবি জুড়ে।পরবর্তীকালে <strong>রাজা আনন্দকৃষ্ণ দেব (পদ্মনাভ দাশগুপ্ত)</strong> অর্থাৎ নগেন্দ্রর শশুরমশাই ও অন‌্য ক্ষমতাবানদের সঙ্গে মিলিতভাবে নগেন্দ্র ‘<em>শোভাবাজার ক্লাব</em>’ তৈরি করেন। এইবার এক নতুন স্বপ্নের আনাগোনা শুরু হয় নগেন্দ্রর চোখে, &#8216;<em>ট্রেডস কাপ</em>&#8216;। এবং ট্রেডস কাপ ফাইনলে প্রবেশ করা মাত্রই তার প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায় মেজর জ্যাকসনের টিম। এই শোভাবাজার ফুটবল টিম সংগঠনে নগেন্দ্রর এক নতুন নেতৃত্ব প্রদানকারী রূপ সামনে আসে। যার কথা অনুযায়ী ফুটবল টিম গেম, এখানে জাত, ধর্ম, বর্ন কিছুই গুরুত্ব রাখে না। কারণ একার লড়াইয়ে জয় আসে না কোনোদিন। তিনি আরও বলেন<em> &#8216; খেলার মাঠ মানুষকে ভাঙ্গে না, বরং গড়ে। ধর্ম-বর্ণ বৈষম্যের উর্ধ্বে গিয়ে তৈরি হয় নগেনের দল। যায় চোখে থাকে এক নতুন স্বপ্ন, ট্রেডস কাপ ফাইনাল ও স্বপ্নের স্বাধীন ভারতবর্ষ।</em> &#8216;</p>



<p class="has-text-align-center">ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড : সিনেমার স্ক্রিন প্লে ও BGM এর দুর্দান্ত সহযোগ গায়ে কাঁটা দেওয়ার মত। সঙ্গে ছবির গান গুলি মন কারার মতো, বিশেষ করে <strong>নির্মাল্য রায়ের</strong> গান ও সঙ্গে বিক্রম ঘোষের সঙ্গীত পরিচালনা। পাশাপাশি কুর্নিশ জানানো যায় এই ছবিতে কাজ করা সিনেমাটোগ্রাফার কে<strong> (সৌমিক হালদার)</strong> । অত্যন্ত ভাবপ্রবন সহকারে ইতিহাসের ছবি কে পুনরায় নতুন করে তুলে এনেছেন চোখের সামনে। ছবির ডিরেক্টর কে সম্ভাষণ এত সুন্দর ভাবে পর পর সিনেমার স্ক্রিন-প্লে গুলিকে সাজিয়েছেন তিনি।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img decoding="async" width="720" height="720" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/FB_IMG_1634959002842.jpg" alt="" class="wp-image-1542" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/FB_IMG_1634959002842.jpg 720w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/FB_IMG_1634959002842-300x300.jpg 300w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2021/10/FB_IMG_1634959002842-150x150.jpg 150w" sizes="(max-width: 720px) 100vw, 720px" /><figcaption><em>দেব ও অনির্বাণ ভট্টাচার্য্য </em></figcaption></figure>



<div class="wp-block-columns is-layout-flex wp-container-core-columns-is-layout-28f84493 wp-block-columns-is-layout-flex">
<div class="wp-block-column is-layout-flow wp-block-column-is-layout-flow" style="flex-basis:100%">
<blockquote class="wp-block-quote has-text-align-center is-style-large is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>&#8220;এই মরাজাতির রক্তে একটা বিস্ফোরণ ঘটাতে হবে।&#8221;</p><cite>&#8212;&#8212;&#8212;&#8211; ভার্গব</cite></blockquote>
</div>
</div>



<p class="has-text-align-center">শেষ অবধি কি নগেন্দ্রর দল পারে <em>&#8216;ট্রেডস কাপ</em> &#8216; ফাইনালে অমানবিক ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে? কি হয় তার ফলাফল? অবশ্য তার উত্তর পেতে গেলে আপনাকে সিনেমাটি অবশ্যই দেখতে হবে…অন্তথায় আপনি বঞ্চিত থেকে যাবেন এক অতি প্রাচীন ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হওয়া থেকে।</p>



<p class="has-text-align-center">ছবির নাম – <strong>গোলন্দাজ</strong><br>পরিচালনা – <strong>ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়</strong><br>অভিনয়ে – <strong>দেব, ইশা সাহা, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, বিশ্বজিৎ দাস, ইন্দ্রাশিস, জন ভট্টাচার্য, অনিরুদ্ধ গুপ্ত, জাকির হুসেন, অনির্বাণ সিকদার, দুলাল দে, উজান চট্টোপাধ‌্যায়, অমিতাভ আচার্য, দেবেশ সরকার।</strong><br>এছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন <em>জটাধারী (বিশ্বজিৎ দাস), ক‌্যাপ্টেন জিতেন্দ্র (ইন্দ্রাশিস), বিনোদ (জন ভট্টাচার্য), সাইরাস (অনিরুদ্ধ গুপ্ত), মজিদ (জাকির হোসেন), রানার দুখিরাম (অনির্বাণ সিকদার), পুরোহিত (দুলাল দে), মণি দাস (উজান চট্টোপাধ‌্যায়), সুরদাস (অমিতাভ আচার্য), মহিদুল (দেবেশ সরকার) প্রভূত।</em></p>



<div class="wp-block-group is-layout-flow wp-block-group-is-layout-flow">
<pre id="block-0601d2c4-c7e7-4478-9bb3-2d94a462e222" class="wp-block-preformatted"></pre>



<div class="wp-block-buttons is-layout-flex wp-block-buttons-is-layout-flex">
<div class="wp-block-button"><a class="wp-block-button__link"><span class="has-inline-color has-white-color"><em>লেখক পরিচিতি</em>  : <em>রোহিত মজুমদার (WBSU তে Journalism -র স্নাতকস্তরের ছাত্র)(রিসাইটাল স্ফেরিকাল &#8211; এ ইন্টার্ন ) (২০২১)</em></span></a></div>
</div>



<p></p>
</div>



<pre class="wp-block-preformatted"></pre>



<p></p>



<p></p>



<p></p>



<p></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%9c/">গোলন্দাজ</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দানে দানে নয় ছক্কা : লুডো</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%9f-%e0%a6%9b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a7%8b/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%9f-%e0%a6%9b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a7%8b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 25 Feb 2021 07:26:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Review]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1276</guid>

					<description><![CDATA[<p>Star Cast: অভিষেক বচ্চন, আদিত্য রয় কাপুর, রাজকুমার রাও, পঙ্কজ ত্রিপাঠি, রোহিত সরফ, ফাতিমা সানা শেখ, সান্য মালহোত্রা, আশা নেগি Director: অনুরাগ বসু ফাঁস হওয়া সেক্স টেপ, টাকা ভর্তি স্যুটকেস থেকে শুরু করে দু&#8217;‌টো ভয়াবহ খুন; চারটে একেবারে আলাদা ধরনের ভাগ্য, কাকতালীয় ঘটনা এবং একজন পাগল অপরাধীর কারণে একে-অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায়। জীবনের সঙ্গে দাবার [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%9f-%e0%a6%9b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a7%8b/">দানে দানে নয় ছক্কা : লুডো</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>Star Cast: অভিষেক বচ্চন, আদিত্য রয় কাপুর, রাজকুমার রাও, পঙ্কজ ত্রিপাঠি, রোহিত সরফ, ফাতিমা সানা শেখ, সান্য মালহোত্রা, আশা নেগি</p>



<p>Director: অনুরাগ বসু</p>



<p>ফাঁস হওয়া সেক্স টেপ, টাকা ভর্তি স্যুটকেস থেকে শুরু করে দু&#8217;‌টো ভয়াবহ খুন; চারটে একেবারে আলাদা ধরনের ভাগ্য, কাকতালীয় ঘটনা এবং একজন পাগল অপরাধীর কারণে একে-অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায়। জীবনের সঙ্গে দাবার ছকের তুলনা তো অনেকবারই করা হয়েছে, কিন্তু লুডো থেকে বের হওয়া এই চার রঙের গল্প একেবারেই অন্যরকম। কথায় আছে, যা কিছু ঘটে তা শুধুমাত্র কাকতালীয় ঘটনা নয়। জীবনের সফরে অনেক মুখই একে-অপরের সামনাসামনি আসে, যার পেছনে কোনও না কোনও কারণ থাকে, যেটার সম্পর্কে আপনি অজানা। পরিচালক অনুরাগ বসুর &#8216;‌লুডো&#8217;‌ সেরকমই একটি ছবি। ছবিতে একটি সংলাপ রয়েছে যেখানে বলা হয়েছে, &#8216;‌ইনসান ক্যায়া হ্যায়?‌ লাইফ কী বিসাত পর হরি, নীলি, লাল, পীলী গোটিয়া.‌.‌.‌অউর ইন সবকা পাসা হ্যায় উপারওয়ালে কে হাথ।&#8217;</p>



<p>ছবির গল্প লুডো-তে চারটে গল্প একসঙ্গে দেখানো হয়েছে, যেগুলি আলাদা আলাদা মোড় হলেও একটা সময়ে তারা একে-অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। প্রথম গল্প হল আকাশের (‌আদিত্য রয় কাপুর)‌, যাঁর প্রেমিকা অহনার (‌সান্য় মালহোত্রা)‌ সঙ্গে একটি সেক্স টেপ পর্ণ সাইটে ফাঁস করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে অহনার চারদিনের মাথায় অন্য কারোর সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা। কিন্তু এই টেপ এখন উভয়ের জীবনেই সমস্যার সৃষ্টি করেছে এবং এঁদের এই সমস্যা থেকে বের করতে পর্দায় আসেন সত্তু ত্রিপাঠী। দ্বিতীয় গল্প হল&nbsp; বিট্টু তিওয়ারির (‌অভিষেক বচ্চন)‌। যাঁকে কোনও একসময় সত্তুর ডান হাত বলে মানা হত। কিন্তু সংসার করার চক্করে বিট্টু অপরাধ জগত থেকে সরে আসেন। বিট্টুর এখন ভরপুর পরিবার। কিন্তু কথায় আছে পুরনো কর্ম কখনও পিছু ছাড়ে না। এটাই এঁদের জীবনের ট্র‌্যাজেডি। তৃতীয় গল্প হল অলোক ওরফে আলুর (‌রাজকুমার রাও)। যিনি পিঙ্কিকে (‌ফাতিমা)‌ প্রচণ্ড ভালোবাসেন। আর এই ভালোবাসার খাতিরে অলোক চুরি থেকে খুন সবকিছু করে বসে। চতুর্থ গল্প হল রাহুল আর শ্রীজার। যাঁরা নিজের নিজের জীবন ও চাকরি নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন। কিন্তু এক ঝটকায় ভাগ্য এমন বদলে গেল যে দুটজনের সহজ সমতল জীবন অপ্রত্যাশিত হয়ে যায়। আর এই সব গল্প ও চরিত্রগুলির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সত্তু ত্রিপাঠি (‌পঙ্কজ ত্রিপাঠি)‌। সত্তুর জীবনের ঘটনা এই সব চরিত্রগুলিকে প্রভাবিত করে বা এরকমভাবেও বলা যায় যে সব গুটিগুলিকে নিজের নিজের ঘরে পৌছে দেয়। অবশেষে অভিষেক বচ্চনের মৃত্যু তে এও বোজা যায় লুডোতে একা থাকা গুটি-ই খওয়া যায়।</p>



<p>নির্দেশনা পরিচাক অনুরাগ বসুর কাজ নিয়ে কোনও সন্দেহ প্রকাশ না করাই ভালো। বরফি থেকে শুরু করে মেট্রো সব ছবিতেই প্রতিটি চরিত্র যেন কথা বলে তাঁর নির্দেশনায়। একইভাবে ‘‌লুডো&#8217;‌ ছবিতেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। ছবির পাঞ্চলাইন ‘‌ইনসান ক্যায়া হ্যায়?‌ লাইফ কী বিসাত পর হরি, নীলি, লাল, পীলী গোটিয়া.‌.‌.‌অউর ইন সবকা পাসা হ্যায় উপারওয়ালে কে হাথ।&#8217; এই ধারণাকেই অনুরাগ বসু চারটে গল্পের মাধ্যমে একসঙ্গে কিন্তু আলাদা আলাদা ভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। কিছু জায়গায় তিনি সফলও হয়েছেন। এ ছবিতে কমেডি, আবেগ, রহস্য ও ভরপুর অস্থিরতা রয়েছে। তবে এরপর কি হবে, তা অনুমান করার জন্য হয়ত আপনি ব্যর্থ হতে পারেন। দারুণ অভিনেতাদের অভিনয়ের সমন্বয় ও সঙ্গে পরিচালকের পরিচালনা এই ছবির প্রধান ইউএসপি। যদিও ছবির কিছু কিছু জায়গা ‘‌লুডো&#8217;‌ ২০১৯ সালে চর্চিত তামিল ছবি ‘‌সুপার ডিলাক্স&#8217;‌-এর কথা মনে করিয়ে দেয়।</p>



<p>অভিনয় একটা ছবিতেই যেখানে অসাধারণ সব অভিনেতারা রয়েছেন সেই ছবির অভিনয় অসাধারণ হবে সেটা বলাই বাহুল্য। সব চরিত্রেই অভিনেতারা তাঁদের দক্ষ অভিনয় দেখাতে সফল হয়েছেন। বিট্টু তিওয়ারির চরিত্রে অভিষেক বচ্চন একেবারে ফিট ছিলেন। বহুদিন পর অভিষেক আবারও তাঁর অভিনয় দেখানোর সুযোগ পেলেন এবং তিনি নিরাশ করেননি। কখনও রাগ, কখনও ভালোবাসা আবার কখনও আবেগ তাঁর চোখে মুখে স্পষ্ট ছিল। সত্তু ত্রিপাঠির চরিত্রে পঙকজ ত্রিপাঠি একেবারে যথাযথ। তাঁর অভিনয় নিয়ে কোনও প্রশ্নবোধক চিহ্ন রাখা যাবে না। অলোক কুমারের চরিত্রে রাজকুমার রাও একেবারে নিজেকে ঢুকিয়ে নিয়েছিলেন, তিনি যে সব চরিত্রেই পারদর্শী তা আবার একবার প্রমাণ করলেন। অন্যান্য অভিনেতা তথা সান্য মালহোত্রা, ফাতিমা, আদিত্য রয় কাপুর সহ অন্যান্যরাও যাঁর যাঁর চরিত্রে যথেষ্ট দক্ষ অভিনয় প্রদর্শন করেছেন।</p>



<p>অন্যান্য দিক শুধু পরিচালনা বা অভিনয় নয়, বরং অনুরাগ বসু এই ছবিতে গল্প, সিনেমাটোগ্রাফি, পটকথা আর প্রযোজনার দায়িত্ব নিয়েছেন। অনুরাগ বসুর ছবিতে নিজস্ব একটা ছাপ থাকে, যা ‘‌লুডো&#8217;‌ ছবিতেও দেখা গিয়েছে। ছবির সংলাপ চরিত্রদের সঙ্গে দর্শকদের সংযোগ ঘটাতে পারে, কিন্তু কোথাও গিয়ে যেন তা হারিয়ে যায়। যেখানে সিনেমাটোগ্রাফির জন্য পরিচালকের প্রশংসা করতে হবে। চারটে গল্পের মাধ্যমে আলাদা আলাদা চরিত্রকে খুব ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলেছে পরিচালক। সিনেমাটি&nbsp; আড়াই ঘণ্টার ধরে চললেও দর্শকদের ধৈর্য্য হারানোর সম্ভাবনা খুবই কম রয়েছে।</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%9f-%e0%a6%9b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a7%8b/">দানে দানে নয় ছক্কা : লুডো</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%9f-%e0%a6%9b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অভঙ্গ-সমাভঙ্গ-‘ত্রিভঙ্গ’ : মুভি রিভিউ</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 19 Feb 2021 04:25:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Review]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1268</guid>

					<description><![CDATA[<p>০২১ সালেই ওয়েব দুনিয়ায় প্রথম ডেবিউ ‘ত্রিভঙ্গ’ এ অনুরাগীদের নজর কাড়লেন কাজল। ১৫ই জানুয়ারি নেটফ্লিক্স অরিজিনাল এ মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। পরিচালনায় রয়েছেন রেনুকা শাহানে এবং চিত্রনাট্য ও নিজেই লিখেছেন তিনি। তনভি আজমি ও মিথিলা পালকার এর চরিত্র ও অভিনয় দুই-ই যথেষ্ট প্রশংসনীয়। মুম্বাইয়ের প্রেক্ষাপটে ত্রিভঙ্গ একটি জটিল কাহিনী। একই পরিবারের তিনজন নারীর বাস্তব মুহূর্তগুলি চিত্রনাট্যে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97/">অভঙ্গ-সমাভঙ্গ-‘ত্রিভঙ্গ’ : মুভি রিভিউ</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>০২১ সালেই ওয়েব দুনিয়ায় প্রথম ডেবিউ ‘ত্রিভঙ্গ’ এ অনুরাগীদের নজর কাড়লেন কাজল। ১৫ই জানুয়ারি নেটফ্লিক্স অরিজিনাল এ মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। পরিচালনায় রয়েছেন রেনুকা শাহানে এবং চিত্রনাট্য ও নিজেই লিখেছেন তিনি। তনভি আজমি ও মিথিলা পালকার এর চরিত্র ও অভিনয় দুই-ই যথেষ্ট প্রশংসনীয়। মুম্বাইয়ের প্রেক্ষাপটে ত্রিভঙ্গ একটি জটিল কাহিনী। একই পরিবারের তিনজন নারীর বাস্তব মুহূর্তগুলি চিত্রনাট্যে দেখানো হয়েছে। তিন প্রজন্মের গল্প বলেছেন রেনুকা। কিন্তু নারীকেন্দ্রিক ছবি বলে অযথা পুরুষদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাননি তিনি। তার বদলে একজন মা মেয়ে এবং দিদিমার জীবন যুদ্ধের কাহিনী বলতে চেয়েছেন তিনি।</p>



<p>অত্যন্ত সাদামাটা মারাঠি ঘরের বউ নয়নতারা আপ্টের(তন্বী আজমি) লেখালিখির পেশা নিয়ে আপত্তি শাশুড়ির। নানান লাঞ্ছনা গঞ্জনা সহ্য করতে না পেরে স্বামীর ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এসে বছর দশেকের কন্যা অনুরাধা, ছেলে রবীন্দ্র এবং পরিচারিকা মিলন কে নিয়ে শুরু করে সে নতুন সংসার। মায়ের এই সিদ্ধান্তে অনুর মনে তৈরি হয় ক্ষোভ এবং সেই গোপন ক্ষত নিয়ে বড় হতে থাকে ছোট্ট অনু। অনুরাধার বড় বয়সের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় কাজল কে। ছোটবেলায় মাকে প্রেমিকের হাতে যৌন নিগ্রহের ঘটনা দেখার প্রতিক্রিয়া থেকে দীর্ঘদিন কোমায় পড়ে থাকা মাকে বহুদিন বাদে ছোঁয়ার দৃশ্য গুলি অনবদ্য। কুমারী অবস্থায় অনু সন্তানের জন্ম দেয়। অনুর মেয়ে মাশা (মিথিলা পালকার) তার আজ্জি(দিদা) ও আই (মা)- কে কি অনুসরণ যোগ্য মনে করে? আপাত দৃষ্টিতে শান্ত এবং বুঝদার মনে হওয়া মানুষগুলির ভিতরেও যে ঝড় বয়ে যেতে পারে মাশা- র ভূমিকায় তা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন মিথিলা। কোমায় আচ্ছন্ন নয়নকে কেন্দ্র করেই তিন প্রজন্মের একত্রিত হওয়া।</p>



<p>সিরিজে মিলনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কুনাল রায় কাপুর। তাঁর সঙ্গে কাজলের খুনসুটি দেখতে বেশ ভালোই লেগেছে।ছবির প্রথমে কাজলের উচ্চকিত অভিনয় চোখে লাগে বটে কিন্তু কম সংলাপের চরিত্রে কাজল অনবদ্য। তবে কুণালকে ততটাও স্বতঃস্ফূর্ত মনে হয়নি। বাকি চরিত্রে কনওয়ালজিৎ সিং, বৈভব তত্ত্বাওয়াড়ি, মানব গোহিল নিজেদের চরিত্রের চাহিদা পূরণ করেছেন।</p>



<p>ছবিতে কিছু বৈপরীত্য নজর কেড়েছে। ‘ত্রিভঙ্গ’ মূলত একটি ওড়িশি নৃত্যভঙ্গি। আর ছবিতে অনুরাধাকে একজন ওড়িশি নৃত্যশিল্পীর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে। কিন্তু গোটা ছবিতে একবার পারফর্ম করতে দেখা যায়নি &nbsp;শুধু নাচের পোশাকে তার ছবির কোলাজ, তার ইমেজকে তুলে ধরেছে। নাচের মুদ্রার প্রসঙ্গ টেনে অনু তার মাকে বলে ‘অভঙ্গ&#8217;, মেয়েকে বলে ‘সমাভঙ্গ’, আর নিজেকে বলে ‘ত্রিভঙ্গ’। অথচ তার মায়ের আত্মজীবনীর নাম রাখা হয় ‘ত্রিভঙ্গ&#8217;। তাই ‘ত্রিভঙ্গ&#8217; শব্দটি দিয়ে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে তা খুব একটা স্পষ্ট নয়। ছবির পাঞ্চলাইনে যে ‘টেরি-মেরি-ক্রেজি’ শব্দবন্ধনী রয়েছে তাও অনুর জন্যই প্রযোজ্য।</p>



<p>পুরোনো-নতুন এর দ্বন্দ্ব রেনুকার ছবির মূল বিষয়বস্তু নয়। নারী যদি তার ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেয় তবে তাকে তার মূল্যও দিতে হয়। সেই ইচ্ছার সঙ্গে আমৃত্যু সংঘাত চলে নিজের পরিবারের এবং সমাজের। সময়টা ২০২১ হলেও ইচ্ছের সঙ্গে নারীর ঘরে-বাইরের লড়াই চিরন্তন। তাই রেনুকার ছবিতে বারবার বলা হয় &#8216;চয়েস&#8217; শব্দটি।</p>



<p>নিজের এই কাহিনী নিয়ে প্রথমে মারাঠি ভাষায় ছবি তৈরি করবেন বলে ভেবেছিলেন রেনুকা। কিন্তু দর্শক দের সাথে এই অবিচার করতে চাননি তিনি। সব মিলিয়ে নেটফ্লিক্সের পাওনা বেশ ভালোই।</p>



<p class="has-text-align-right"><strong>দীপ্তরুপা সাঁতরা </strong><br>জন্ম ২৬শে ডিসেম্বর, ২০০০ <br>পশ্চিমবঙ্গের, কলকাতা জেলার অধিবাসী। <br>বর্তমানে বিদ্যাসাগর কলেজের <br>সাংবাদিকতা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী।</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97/">অভঙ্গ-সমাভঙ্গ-‘ত্রিভঙ্গ’ : মুভি রিভিউ</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কুম্মাট্টি-দক্ষিণ ভারতের লোকগাঁথা (জি অরবিন্দনের নির্মিত একটি চলচ্চিত্র)</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a3-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a3-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Oct 2020 12:15:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Review]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=819</guid>

					<description><![CDATA[<p>চলচ্চিত্রকার জি অরবিন্দনের দৃষ্টিতে, প্রকৃতির বিভিন্ন দিক ও মানুষের মন যখন একসাথে মিলে যায় তখন তা এক একটি চিত্র হয়ে ওঠে। আর এই জাতীয় চিত্রগুলি যখন আমাদের মুখোমুখি হয়,আর কিছু না হলেও ভীষণভাবে আমরা নৈতিকতার সম্মুখীন হয়ে পড়ি।সিনেমার প্রথম দিকে আমরা দেখতে পাই, কুম্মাট্টি লোকজ ব্যক্তির গল্প বলে, কুম্মাট্টি, দিদা ঠাকুমার গল্পের একটি নিদর্শন, আমাদের [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a3-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0/">কুম্মাট্টি-দক্ষিণ ভারতের লোকগাঁথা (জি অরবিন্দনের নির্মিত একটি চলচ্চিত্র)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>চলচ্চিত্রকার জি অরবিন্দনের দৃষ্টিতে, প্রকৃতির বিভিন্ন দিক ও মানুষের মন যখন একসাথে মিলে যায় তখন তা এক একটি চিত্র হয়ে ওঠে। আর এই জাতীয় চিত্রগুলি যখন আমাদের মুখোমুখি হয়,আর কিছু না হলেও ভীষণভাবে আমরা নৈতিকতার সম্মুখীন হয়ে পড়ি।সিনেমার প্রথম দিকে আমরা দেখতে পাই, <strong>কুম্মাট্টি</strong> লোকজ ব্যক্তির গল্প বলে, <strong>কুম্মাট্টি</strong>, দিদা ঠাকুমার গল্পের একটি নিদর্শন, আমাদের কোথাও জীবনের&nbsp; কোনো এক পর্যায়ে গিয়ে যেন বুঝতে হয় জীবনের চেয়েও বড় ব্যক্তিত্ব। এক বিচরণকারী লোক&nbsp; যে বিদ্রোহী, যিনি একটি উপাখ্যান সহ জনপ্রিয় কল্পনাশক্তির <strong>Bogeyman</strong> হিসাবেও রয়েছেন,একজায়গায় বাচ্চাদের অপহরণ করারও পরামর্শ দেওয়া হয় কিন্তু তা আদপে ঘটে না। আবার <strong>কুম্মাট্টি</strong> তাদের পিতামাতার কাছ থেকে নিরপেক্ষভাবে বাচ্চাদের এক অদ্ভুত আকর্ষণে টেনে নিয়ে যাবে বিস্তৃত সবুজের ক্ষেতের মধ্যে। সুতরাং এও বলা যায় <strong>কুম্মাট্টির</strong> আকর্ষণ এবং ক্ষমতা উভয় ইতিবাচক এবং নেতিবাচক। তিনি আশ্চর্য ও ভয়ের কারণও বটে, তাঁর শক্তিগুলি আমাদের বিপরীতে। অন্য কথায়, কুম্মাট্টি একটি অমোঘ চিত্র যা এমন এক পথকে মূর্ত করে তোলে যা বৈষয়িক জগতকে অ-জড়জগতের সাথে সংযুক্ত করে। দৃশ্যমানের সাথে অদৃশ্য জগতগুলিকে তিনি একই সাথে উপস্থিত করেন।অরবিন্দন কুম্মাট্টির ব্যক্তিত্বের জাল এবং ভাঙাগড়ার দিকগুলো খুব সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরেছেন যেমন তার নকল দাড়ি, এবং প্রয়োজন মতো শেভ করে আবার নকল দাড়ি পরিধান। এভাবেই তাঁর পরিচয় আমাদের সামনে প্রকাশ করতে সতর্ক থাকে <strong>কুম্মাট্টি।</strong> একসময় কুম্মাট্টিও অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাকে নিরাময় করার প্রয়োজনে সরল বাচ্চারাই ছুটে আসে কোনো এক অমোঘ টানে। আমরা যখন প্রথম কুম্মাট্টিকে পর্দায় দেখি, তখন কেবল দৃশ্যের মধ্যে এক অন্ধকার থেকে দেখানো হয় তাকে, তাঁর গানটি তাঁর রূপের পূর্ববর্তী। <strong>কুম্মাট্টির</strong> সম্পর্কে আমরা যা জানি, তার বেশিরভাগ অংশ কল্পনাশক্তির থেকে নির্মিত। যেমন গ্রামের লোকেরা সোজা সরল করে এক অপূর্ব মিষ্টতা রেখে গায়। <strong>কুম্মাট্টি</strong> নিজে যে গান গাইলেন, গভীর, অন্ধকার এবং বিস্তীর্ণ আকাশের মতো নিরাকার, সিনেমার অবিস্মরণীয় গান রচিত হয়েছে কাবালাম নারায়ণ পানিক্করের মাধ্যমে,গেয়েছেনও অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে ভক্তিভাবে। না বললেই নয়, শাজি এন কারুনের সিনেমাটোগ্রাফি অনবদ্য। প্রত্যেকটি ফ্রেমে আলোর রঙ তুলি দিয়ে যেন আঁচড় কেটে গেছেন অদ্ভুত অদ্ভুত সব কম্পোজিশনে।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img decoding="async" width="597" height="514" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/10/Kumatti-Blog-image-.jpeg" alt="" class="wp-image-846" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/10/Kumatti-Blog-image-.jpeg 597w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/10/Kumatti-Blog-image--300x258.jpeg 300w" sizes="(max-width: 597px) 100vw, 597px" /><figcaption>জি অরবিন্দন</figcaption></figure>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; দৃশ্যে দেখি <strong>কুম্মাট্টি</strong> গ্রামের বাচ্চাদের সাথে বন্ধুত্ব করেন, বাচ্চাগুলি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের,তার কাছে এসবে কোনো ভেদাভেদ নেই। একটি বিশাল শোভাযাত্রার দৃশ্যে, শিশুরা পর্বতজুড়ে তাঁকে অনুসরণ করার সাথে সাথে গীত আকারে লোক রীতিনীতিগুলোকে গায় ও পৌরাণিক কাহিনী স্মরণ করে <strong>কুম্মাট্টির</strong> সাথে। শিশুদের মন এই যোগাযোগের মাধ্যমে ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়। অনাবিল আনন্দে <strong>কুমাট্টিও</strong> মেতে ওঠে তাদের সাথে।কুম্মাট্টিকে প্রগতিশীল দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্ডন(একটি বাচ্চা)-র মা একজন &#8220;<strong>পাগল</strong> <strong>মানুষ</strong>&#8221; বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং <strong>কুম্মাট্টির</strong> সাথে সময় কাটাতে নিরুৎসাহিত করেছেন । নিশ্চিত হওয়া যায় যে, আধুনিকতা এবং অগ্রগতির একটি সমালোচনা রয়েছে, যেমনটি আমরা বুঝতে পারি যে ছবিতে, প্রায় শেষের পর্বে যেখানে কুম্মাট্টি শিশুদের এমন প্রাণীতে পরিণত করেছেন যাদের(পশু-পাখি)মুখোশ নিয়ে তারা খেলছিল। মানব শিশুরা ময়ূর, একটি হাতি, বানর, কুকুর ইত্যাদিতে পরিণত হয়, আধুনিকতার সমালোচনা তখনও অব্যাহত থাকে যখন চিন্ডন নামক ছেলেটি কুকুরে পরিণত হয়েছিল ও ধনী পরিবার তাকে প্রথমে&nbsp; দেখতে পেয়ে ধরে আনে আর গলায় অন্যান্য বিদেশী কুকুরগুলোর মতোই বেল্ট বেঁধে দেয়। লোকঐতিহ্যের মধ্যে প্রাণী মুখোশগুলি পৌরাণিক, বিশ্বে নৃতত্ত্ববিদদের মতে টোটেমিজমে এরকম মান্যতা আছে যে প্রাণীর আত্মা হয়। বাচ্চারা মুখোশগুলোকে খেলনা হিসাবে দেখতো। এরপর বাচ্চারা প্রাণীর মতো মুখোশ পরে খেলতে লাগলো আর খেলনাগুলো টোটেম হিসাবে অন্তর্নিহিতভাবে রূপান্তরিত হলো, অস্বাভাবিকভাবে এই মুখোশগলো জীবন্ত সত্তায় পরিণত হয়।আচার-অনুষ্ঠান, সম্প্রদায়, দুর্বোধ্য এবং অজানা এবং অদৃশ্যরা চলচ্চিত্রের চূড়ান্ত দৃশ্যে একত্রিত হয়।একটি পরিবারের সংকীর্ণ ঘরোয়া ট্র্যাজেডিতে একমাত্র পুত্র কুকুরে রূপান্তরিত হয় বলে সাম্প্রদায়িক আচারের রীতিনীতিও শুরু হয়ে যায়।পুরোহিতরা রূপান্তরগুলি বিপরীত করার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু কোনও ফলসই হয়নি। <strong>কুম্মাট্টি</strong> একা রূপকগুলিকে বিপরীত করতে পারে কারণ <strong>কুম্মাট্টি</strong> স্থবির গ্রামের আচারের অংশ নয়, যা আধুনিকতার মতোই অর্থহীন। <strong>কুম্মাট্টির</strong> শক্তি হ&#8217;ল আরেকটি অদৃশ্য,নিরাকার ও অজানাক্রম, আকাশ ও বৃষ্টির ক্রম ও বজ্রের ক্রম। যা অনেক বেশি খোলামেলা ও সরল। এটি শিক্ষণীয় যে এক বছরে কুম্মাট্টি চলে গিয়েছিল এবং চিন্ডান কুকুর হিসাবে তার পশুর অস্তিত্বে বেঁচে ছিল।কুম্মাট্টির গল্পে পুরাতন গল্পের ভাণ্ডার ছিল, দিদাটিও মারা গেছেন একসময়।তাঁর স্মৃতিও একসাথে মলিন হতে হতে একসময় ক্ষয় হয়ে গেছে। অবশ্য চিন্ডনের কুকুরের মতো হয়ে যাওয়া একটি পরিবারের ও সম্প্রদায়ের ক্ষতি হিসাবে ধরা হয়। পরিবার ও সম্প্রদায় শোকে পাথর হয়ে যায়,তাদের লোকসানে&nbsp; যাদু এবং <strong>কুম্মাট্টির</strong> শক্তিতে বিশ্বাস করতে হয়। অদৃশ্য শক্তিতে বিশ্বাস করতে হয়। চলচ্চিত্রের চূড়ান্ত রূপকগুলির মাধ্যমে আমরা এই রূপান্তরের অর্থ বুঝি। আবার <strong>কুম্মাট্টির</strong> ফিরে আসায় ছেলেটি মানুষ হয়ে ফিরে প্রত্যাবর্তন করে, খাঁচার পাখিকে তার ছিন্নমূলে ফিরে যাওয়ার জন্য মুক্ত করে দেয় বাচ্চাটি। আকাশে উড়ে যেতে দেখি। প্রায় কিছু সময় আমরা আকাশে পাখি ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাই না, পর্দার একদিক থেকে অন্য দিকে আকাশে নিজের স্বাধীনতায় পাখির ওড়া বাদ দিলে কিছুই নেই, যেমন আবার বাচ্চাদের কোরাস গান শোনা যায়।</p>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp; পাখির উড়ান স্বাধীনতার একটি সাধারণ রূপকের চেয়ে অনেক বেশি।স্বাধীনতার পথহীন ক্রম।আমরা প্রায়ই বাস্তব সময়ে পাখির এলোমেলো উড়ানের প্রতি আমাদের মনোযোগ দি না, অনেকেই আমরা প্রতিদিনের রুটিনের অংশ হিসাবে প্রকৃতিতে উড়ন্ত পাখিদের দেখি না। তবে সময়ের শুরু থেকেই পাখিরা কোনও নির্দিষ্ট পথ ছাড়াই আকাশে উড়ে চলেছে। তারা এটাই করে। চারদিক ভালোভাবে দেখে বুঝে এরা নিজেদের গতিতেই চলে।এই সাধারণ এবং গুরুতর সত্যটি সিনেমার দর্শকদের কাছে এক নৈতিক প্রতিশ্রুতি,যেটি অরবিন্দন তাঁর চোখ দিয়ে প্রত্যক্ষভাবে উপস্থাপন করে গেছেন।</p>



<p class="has-text-align-right">লেখক পরিচিতি : শুভ্রা সাহা <br>(জয়েন্ট এডিটর,রিসাইটাল স্ফেরিকাল )</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a3-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0/">কুম্মাট্টি-দক্ষিণ ভারতের লোকগাঁথা (জি অরবিন্দনের নির্মিত একটি চলচ্চিত্র)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a3-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
