<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Lead Story Archives - RecitalSpherical</title>
	<atom:link href="https://recitalspherical.org/category/lead-story/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://recitalspherical.org/category/lead-story/</link>
	<description>Official Website</description>
	<lastBuildDate>Sun, 13 Feb 2022 05:27:21 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/07/cropped-Site-Identity-32x32.jpg</url>
	<title>Lead Story Archives - RecitalSpherical</title>
	<link>https://recitalspherical.org/category/lead-story/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ব্লুজ মিউজিকের ইতিহাস</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Aug 2021 07:57:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1425</guid>

					<description><![CDATA[<p>ব্লুজ ঐতিহাসিকভাবে একটি আফ্রিকান-আমেরিকান গানের ফর্ম। ব্লুজ এর উৎপত্তি নিয়ে খুব একটা ভালো ভাবে ব্যাখ্যা করা না থাকলেও বিশ্বাস করা হয় যে, পূর্বে দাসত্ব করা আফ্রিকান- আমেরিকান এবং তাদের বংশধররা এই ধারাটি তৈরি করেছিল । ব্লুজের সহজ কিন্তু অভিব্যক্তিপূর্ণ ফর্মগুলি&#160; ১৯৬০ এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে জনপ্রিয় সংগীতের বিকাশের উপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলির মধ্যে একটি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/">ব্লুজ মিউজিকের ইতিহাস</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ব্লুজ ঐতিহাসিকভাবে একটি আফ্রিকান-আমেরিকান গানের ফর্ম। ব্লুজ এর উৎপত্তি নিয়ে খুব একটা ভালো ভাবে ব্যাখ্যা করা না থাকলেও বিশ্বাস করা হয় যে, পূর্বে দাসত্ব করা আফ্রিকান- আমেরিকান এবং তাদের বংশধররা এই ধারাটি তৈরি করেছিল ।</p>



<p>ব্লুজের সহজ কিন্তু অভিব্যক্তিপূর্ণ ফর্মগুলি&nbsp; ১৯৬০ এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে জনপ্রিয় সংগীতের বিকাশের উপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলির মধ্যে একটি হয়ে ওঠে।আফ্রিকান বাদ্যযন্ত্রের ঐতিহ্য, আফ্রিকান-আমেরিকার কাজের গান, আধ্যাত্মিকতা, এবং হোয়াইট আমেরিকানদের ইউরোপীয় ঐতিহ্যের লোকসংগীতের শিকড় থেকে এই ধারাটি আরও উন্নত হয়েছে।</p>



<p>ব্লুজের যাত্রা শুরু হয়েছিলো&nbsp; সম্ভবতঃ পশ্চিম আফ্রিকা থেকে গভীর দক্ষিণে, আর উত্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শহুরে কেন্দ্রগুলিতে। ব্লুজ মূলত একটি ভোকাল ফর্ম।</p>



<p>ব্লুজ গানগুলি বর্ণনামূলক হওয়ার পরিবর্তে অনেক বেশি লিরিক্যাল; ব্লুজ গায়করা গল্প বলার চেয়ে অনুভূতি প্রকাশ করেন বেশি। প্রথম ব্লুজের রেকর্ডিং তৈরি হয়েছিল,১৯২০ এর দশকে কৃষ্ণাঙ্গ মহিলাদের দ্বারা যেমন মামি স্মিথ, মা রেইনি, ইডা কক্স, এবং বেসি স্মিথ। এই পারফর্মাররা মূলত জ্যাজ ব্যান্ড দ্বারা সমর্থিত স্টেজ পারফর্মার ছিল;তাদের স্টাইল ক্লাসিক ব্লুজ নামেই পরিচিত।</p>



<p>ব্লুজ এর সংস্কৃতি&nbsp; তৈরি হয়েছিল মূলত আফ্রিকান-আমেরিকান অভিজ্ঞতা কে ঘিরে এবং অবশ্যই সুখ-দুঃখের সার্বজনীন মানবিক অভিজ্ঞতা কে নিয়ে। ব্লুজ এর গানগুলি&nbsp; প্রথম দিকে মানুষের ব্যথা ও অবিচার কেন্দ্রিক ছিল কিন্তু সেটাই আবার এই বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতাকে ছাড়িয়ে যায়। ধীর গতির সাথে উদ্ভূত হলেও&nbsp; জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে আগের থেকে অনেক দ্রুততর হয়ে ওঠে ব্লুজ।&nbsp; ব্লুজ এর কিছু বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী ছিলেন রবার্ট জনসন, লুইস জর্ডান, জন হ্যামন্ড, জন লি হুকার,সিসিক স্টিভ।ব্লুজ এর কিছু বিখ্যাত গানের মধ্যে এগুলি অন্যতম &#8211; “I Cant Quit You Baby&#8221;,</p>



<p>&#8220;I&#8217;d Rather Go Blind ,“Crossroad Blues &#8220;.</p>



<p>ব্লুজ এর কিছু বিখ্যাত গিটারিস্টএর মধ্যে টি-বন ওয়াকার, মাডি ওয়াটারস,আলবার্ট কিং অন্যতম ছিলেন।</p>



<p>এছাড়াও ব্লুজ অন্যান্য অনেক মিউজিক স্টাইল কে প্রভাবিত করেছে। ব্লুজ রক মিউজিকে তাদের সর্বাধিক প্রভাব ফেলেছে।১৯৬০ এর দশকে ব্রিটিশ রক মিউজিশিয়ানরা , বিশেষ করে রোলিং স্টোনস, এরিক ক্ল্যাপটন এবং জন মায়াল, ব্লুজ দ্বারা দৃঢ়ভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন, যেমন মাইক ব্লুমফিল্ড, পল বাটারফিল্ড এবং অলম্যান ব্রাদার্স ব্যান্ডের মতো আমেরিকান রক মিউজিশিয়ানরাও ছিলেন।</p>



<p>ব্লুজ কখনোই হারিয়ে যায়নি বা অস্পষ্টতায় ডুবে যায়নি। নতুন যন্ত্র, কাঠামো এবং নতুন লিরিক্যাল থিমের মাধ্যমে এটি অসংখ্যবার নতুন জীবন সঞ্চার করেছে। গভীর আন্তেবেলাম দক্ষিণে এর শুরু থেকে উত্তর দিকে তার অবিচলিত যাত্রা, ব্লুজ ইতিহাসের সাথে এতটাই ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত এবং আমেরিকানদের দ্বারা এতটাই শ্রদ্ধেয় যে এটি কখনই বিনষ্ট হবে না।</p>



<p class="has-text-align-right"><strong>লেখক পরিচিতি : দিশা সাহা</strong><br><em>বিদ্যাসাগর কলেজের জার্নালিসম ও মাস কম -র দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রী</em></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/">ব্লুজ মিউজিকের ইতিহাস</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঋতুপর্ণ ঘোষ— বাংলা চলচ্চিত্রের অন্ধকার যুগে নতুন আলোর সূচনা</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%8b%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%b7-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%8b%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%b7-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Jun 2021 13:34:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1342</guid>

					<description><![CDATA[<p>সমসাময়িক কালে বাংলা ভাষার এক অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋতুপর্ণ ঘোষ।২০১৩ সালের ৩০ মে, মাত্র ৪৯ বছর বয়সে কলকাতায় নিজের বাড়িতে ঘুমের মধ্যেই চিরতরে নিদ্রা যান। অনেকগুলো বছর অতিক্রান্ত হয়েছে তার অকালপ্রয়াণের। ১৯৮০ সালে মহানায়কের মৃত্যুর পর বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে শুরু হয়েছিলো এক অন্ধকার যুগ।টালিগঞ্জ সিনেমার ইন্ডাস্ট্রি সেইসময় হিন্দি ও দক্ষিণ ভারতীয় ছবির অনুকরণ তৈরিতে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%8b%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%b7-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a/">ঋতুপর্ণ ঘোষ— বাংলা চলচ্চিত্রের অন্ধকার যুগে নতুন আলোর সূচনা</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>সমসাময়িক কালে বাংলা ভাষার এক অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋতুপর্ণ ঘোষ।<br>২০১৩ সালের ৩০ মে, মাত্র ৪৯ বছর বয়সে কলকাতায় নিজের বাড়িতে ঘুমের মধ্যেই চিরতরে নিদ্রা যান। অনেকগুলো বছর অতিক্রান্ত হয়েছে তার অকালপ্রয়াণের। ১৯৮০ সালে মহানায়কের মৃত্যুর পর বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে শুরু হয়েছিলো এক অন্ধকার যুগ।টালিগঞ্জ সিনেমার ইন্ডাস্ট্রি সেইসময় হিন্দি ও দক্ষিণ ভারতীয় ছবির অনুকরণ তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সংস্থান কিংবা স্পর্ধা, কোনোটাই তেমনভাবে ছিল না। এরকম সঙ্কটকালীন পরিস্থিতিতে, ১৯৯৪ সালে &#8216;উনিশে এপ্রিল&#8217;-এর মাধ্যমে সিনেমার জগতে পদার্পণ ঋতুপর্ণ ঘোষের।<br>ঋতুপর্ণ শিল্প ও বাণিজ্যিক সাফল্যের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ করেছিলেন। বিজ্ঞাপনী সংস্থা &#8216;রেসপন্স&#8217;-এ কাজের সুবাদে অর্জিত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে, তিনি অনায়াসে সত্যজিৎ রায়ের বুদ্ধিদীপ্ত চলচ্চিত্রের সাথে এক করে দিয়েছিলেন স্বর্ণযুগের তপন সিনহা ও অজয় করদের মতো বলিষ্ঠ নির্মাতাদের অপেক্ষাকৃত সহজবোধ্য সিনেমার ধারাকে। তিনি বাঙালি দর্শককে আবার<br>সিনেমাহলে ফিরিয়ে আনতে পেরেছিলেন, নিজের শিল্পসত্তা দিয়ে ধরে রাখতে পেরেছিলেন দর্শককে।<br>তাকে নিয়ে জীবনীমূলক তথ্যচিত্র &#8216;বার্ড অভ ডাস্ক&#8217; তৈরি করা, লেখক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা সঙ্গীতা দত্ত বলেন,&#8221;তার সিনেমা সমস্ত সীমারেখা পার করে গিয়েছিল।&#8221;<br>মধ্যবিত্ত শহর কলকাতার সম্পর্ক-কেন্দ্রিক সিনেমা, ধ্রুপদী ও সমসাময়িক সাহিত্যের রূপান্তর এসবের মধ্য দিয়ে তিনি বের করে আনতে চেয়েছিলেন বিকল্প যৌনতা এবং জেন্ডার ইস্যুগুলোকে। এছাড়াও তিনি এমন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা যিনি তার ছবিতে চলচ্চিত্র নির্মাণ কিংবা পারফর্মিং আর্টের বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরতেন। ঋতুপর্ণ রবি ঠাকুরের কাজগুলোর যে রূপান্তর করেছেন, তা সত্যজিৎ রায়ের রূপান্তরগুলোর থেকে অনেকটাই আলাদা। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যেমন চোখের বালি। মৃতপ্রায় বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জন্য এক নবদুয়ার উন্মোচনের চেষ্টা করেছেন, ঐশ্বরিয়া রাইকে কোলকাতায় এনে অভিনয় করান চোখের বালিতে। ছবিগুলো অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানগুলোর প্রিয়মুখ হয়ে ওঠে, আন্তর্জাতিক উৎসবগুলোতেও স্থান পেতে শুরু করে। তার সিনেমায় অভিনীত তারকাদের তালিকায় ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, শর্মিলা ঠাকুর, রাখী, প্রীতি জিনতা, সোহা আলি খান, অভিষেক বচ্চন, অর্জুন রামপাল, অজয় দেবগন, জ্যাকি শ্রফ, বিপাশা বসুসহ আরো অনেকে। সিনেমা থিয়েটারেও দর্শক বৃদ্ধিতে গুরুতর ভূমিকা পালন করেন। তবে সম্ভবত নিজের যৌন পরিচয় নিয়ে লড়াই করতে গিয়েই, তিনি সৃজনশীলতার অন্য পথের হদিস পেয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বহুমনা এবং বহুপ্রতিভার লেখক, সম্পাদনা করতেন জনপ্রিয় বাংলা চলচ্চিত্র ম্যাগাজিন &#8216;আনন্দলোক&#8217;, এবং পরবর্তীতে বাংলা দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন এর &#8216;রোববার&#8217;। এগুলোতে কাজ করতে গিয়ে তিনি নিজেকে জড়িয়েছিলেন বহুবিধ বিষয়ের সঙ্গে, যার মধ্যে ছিল কবিতা,সঙ্গীতা দত্ত দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন সেই দিন আর দূরে নয় যেদিন ঋতুপর্ণ ঘোষ পুনর্মূল্যায়িত হবেন বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লেখক হিসেবে। &#8216;বার্ড অভ ডাস্ক&#8217;-এ ঋতুপর্ণের বন্ধু অপর্ণা সেন কথা বলেছেন তার খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসার অন্তঃবিক্ষোভ নিয়ে &#8220;আমি প্রায়ই ওকে জিজ্ঞেস করতাম ও আমার মতো হতে চায় কি না, লিঙ্গান্তর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে চায় কি না, এবং ও সবসময়ই &#8216;না&#8217; বলত।&#8221;<br>তারপরও, ২০০৯ সালে দিল্লি হাইকোর্ট থেকে আইপিসি&#8217;র সেকশন ৩৭৭ এর রায়প্রদানের পূর্বে তিনি প্রকাশ্যে &#8216;মেয়েলী পোশাক&#8217; ও সাজসজ্জায় হাজির হতে শুরু করেছিলেন। &#8216;ক্রস ড্রেসিং&#8217; ছাড়াও তিনি নিজের ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় নিয়ে দৃঢ়।<br>সমকালীন সংস্কৃতিতে তার যে প্রভাব ছিল, তা কোনোভাবেই অগ্রাহ্য করা যাবে না। তার প্রথমদিকের নারীবাদী কাজগুলো থেকে শুরু করে শেষের কাজগুলোতে একের পর এক নতুন নতুন সব &#8216;ট্রেন্ড&#8217; তৈরী করে গেছেন।</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%8b%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%b7-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a/">ঋতুপর্ণ ঘোষ— বাংলা চলচ্চিত্রের অন্ধকার যুগে নতুন আলোর সূচনা</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%8b%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%b7-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ধর্ম</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a7/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a7/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Jun 2021 13:17:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1336</guid>

					<description><![CDATA[<p>ধর্ম বরাবরই ভারতবর্ষের অন্যতম প্রাসঙ্গিক প্রসঙ্গ। ধর্ম ছাড়া ভারতীয় সাধারণ জীবন প্রবাহ সম্ভব এই ভাবনা এখন বিরল। এই সমকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ধর্মের প্রাসঙ্গিকতা বাড়ছে প্রতিদিন। যেখানে রাজনীতি ধর্ম ছাড়া অচল। সেখানে দাঁড়িয়ে বাঙালির গুরু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দৃষ্টিতে ধর্মের পরিভাষা কী তা জেনে নেওয়া জরুরী। শুরুতেই বলাবাহুল্য রবীন্দ্রনাথ বেদ-বাইবেল থেকে কোরান শরিফ পর্যন্ত পৃথিবীর সব [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a7/">রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ধর্ম</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ধর্ম বরাবরই ভারতবর্ষের অন্যতম প্রাসঙ্গিক প্রসঙ্গ। ধর্ম ছাড়া ভারতীয় সাধারণ জীবন প্রবাহ সম্ভব এই ভাবনা এখন বিরল। এই সমকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ধর্মের প্রাসঙ্গিকতা বাড়ছে প্রতিদিন। যেখানে রাজনীতি ধর্ম ছাড়া অচল। সেখানে দাঁড়িয়ে বাঙালির গুরু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দৃষ্টিতে ধর্মের পরিভাষা কী তা জেনে নেওয়া জরুরী।</p>



<p>শুরুতেই বলাবাহুল্য রবীন্দ্রনাথ বেদ-বাইবেল থেকে কোরান শরিফ পর্যন্ত পৃথিবীর সব ধর্মগ্রন্থ পড়েছিলেন।  রবীন্দ্রনাথ পড়ে অনুভব করেছিলেন সব ধর্মগ্রন্থ প্রায় একই কথা বলছে — কীভাবে ভালোবাসার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা যায়! রবীন্দ্রনাথের কাছে ধর্মের পরিভাষা অনেক গভীর এবং অনন্ত বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মতো। রবীন্দ্রনাথের ধর্মচর্চা অথবা ধর্ম বিষয়ক পড়াশোনা শুধু হয়েছিল ছোটবেলাতেই। তার পিতার হাত ধরে। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর পুত্রদের বেদ এবং উপনিষদের শ্লোকগুলো আবৃত্তি করাতেন। রবীন্দ্রনাথের বাবা ছিলেন ব্রাহ্ম আন্দোলনের পুরোধা। এছাড়া রাজা রামমোহন রায়ের অনুরাগী। দেবেন্দ্রনাথের জীবনে বেদ, উপনিষদ ছিল আদর্শ। বাবার এই উপনিষদ শিক্ষা এবং জ্ঞান গভীর প্রভাব ফেলেছিল রবীন্দ্রনাথের জীবনে। ধর্ম সচেতনতার জন্য মাত্র ২৩ বছর বয়সে ব্রাহ্ম সমাজের সেক্রেটারি পদে নিয়োগ করা হয় রবীন্দ্রনাথকে। রবীন্দ্রনাথের সমাজ সচেতনতার জন্য হিন্দু সমাজের গোঁড়ামিগুলোর বিরুদ্ধে বারবার আওয়াজ তুলেছেন, কলম তুলেছেন। বিপরীতে হিন্দু সমাজ ব্রাহ্ম সমাজকে নিয়েও সমালোচনা করতেন। ফলে একে ওপরের রুচিশীল সমালোচনা চলত দীর্ঘ দিন। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হিন্দু সমাজ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্ম সমাজ নিয়ে নিয়মিত দু&#8217;টো ভিন্ন পত্রিকায় সমানুপাতিক ভাবে লেখালেখি চলতো। তবে এই সমস্তটা পেরিয়ে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন —&#8221;কোন প্রতিষ্ঠানিক ধর্ম আমার ধর্ম নয়। আমি ব্রাত্য, আমি মন্ত্রহীন, আমি পঙক্তিহীন, আমি তোমাদেরই লোক।&#8221;</p>



<p>&#8220;মানুষের ধর্ম&#8221; বইতে রবীন্দ্রনাথ মানুষের ভিতর দুরকম ধর্মের অস্তিত্বের কথা বলেছেন। প্রথমটি নিতান্ত প্রাকৃতিক তথা জৈব ধর্ম, যে ধর্মে শারীরিক প্রয়োজনই সব। আর দ্বিতীয়টি হলো জীবসত্তাকে ছাড়িয়ে গিয়ে মানবধর্মের জাগরণ হওয়ার ফলে প্রাণীজগতের স্বভাবধর্ম থেকে মানুষের ধর্মে উত্তরণ ঘটে মানবজাতির। অর্থাৎ আমরা বুঝতে পারছি প্রাণীর ধর্ম শরীর হইতে মন সর্বত্র বিরাজমান। মানব সভ্যতাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যে সূক্ষ্ম প্রয়োজনগুলো আছে তার মধ্যে ধর্ম তার অন্যতম। কারণ ধর্মই মানুষকে ভাবতে শেখাচ্ছে জীবনের উদ্দেশ্য কী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনকে এক যাত্রা বলেছেন। যে যাত্রা আমাদেত গন্তব্যর দিকে নিয়ে যাবে। সেই গন্তব্যকে নির্ধারণ করবার জন্য ধর্মের প্রয়োজনীয়তা।</p>



<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রদীপের কথা বলছেন। একটি প্রবন্ধে বলছেন প্রদীপ জ্বালাবার জন্য জরুরি তেল, তুলো এবং আগুন। এই তিনের আয়োজনে প্রদীপ জ্বলবে। আর সূর্য তার আলোয় আমাদের আলোকিত করছে প্রতিনিয়ত। শুধু চোখ খুলে আকাশ পানে চাইতে হবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই লেখনীতে প্রদীপ এবং সূর্য রূপক হিসেবে ব্যবহৃত। রবীন্দ্রনাথ বলছেন ধর্মের বা জ্ঞানের আলো জ্বালাবার জন্যকে এত আয়োজনের প্রয়োজন নেই।  যে আলো আমাদের ভিতরে বিরাজমান তাকে খুঁজতে অযথা পৃথিবীর ইতস্তত বিভিন্ন পদার্থের কাছে উপস্থিত হওয়ার তো প্রয়োজন নেই। তাই এই সমস্ত ছেড়ে প্রয়োজন নিজের অন্তরে একবার তাকানো। যেখানে হয়তো সব প্রশ্নের উত্তর আছে। এভাবেই বলা যায় ধর্মের সন্ধানে আমাদের প্রয়োজন নেই মন্দির,মসজিদের দ্বারস্থ হওয়া। সমসাময়িক রাজনৈতিক এবং সমাজের কাছে ধর্মের থেকে ধর্মের বর্ম বেশি। রবীন্দ্রনাথের সময়ও রাজনৈতিক কারণে ধর্মের ব্যবহার হয়ে আসছে ফলে রবীন্দ্রনাথ তাঁর গেদু মিয়াকে বলছে— &#8220;ওরা ধর্মকে ব্যবহার করে স্বার্থ লুটতে চায়।&#8221;</p>



<p>রবীন্দ্রনাথ ব্যক্তিসত্তাকে অহং আর ব্যক্তির ভিতরের অর্থাৎ অন্তর্গত সত্তাকে বলেছেন আত্মা। তুলনা করেছেন, ব্যক্তিসত্তাকে যদি বলি প্রদীপ, তো আত্মা হচ্ছে তার শিখা। অন্তর্গত সত্তার কথা বারবার ফিরে ফিরে এসেছে রবীন্দ্রনাথের কবিতায়-গানে। গানের দৃষ্টান্তে, যেখানে অন্তর্বাসী সত্তাকে জাগ্রত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কবি বলছেন— &#8220;মোর হৃদয়ের গোপন বিজন ঘরে/একেলা রয়েছ নীরব শয়ন-পরে—/প্রিয়তম হে, জাগো জাগো জাগো।&#8221;</p>



<p>প্রবন্ধ থেকে রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য সাহিত্যে ধর্মের প্রভাব গভীর। রবীন্দ্রনাথ বলছেন মানুষের সৃষ্টি বড়ই জটিল।আমাদের সংসার থেকে আমাদের জীবনযাপনও জটিল।ফলে যে মানুষ এতটাই জটিল তারা মুক্তির পথ সহজে দেখায় কী করে! দার্শনিক গ্রন্থ শুধুই আমাদের তার জটিলতা দিয়ে বিস্ময় করে। পথ বাতলে দেয় না। পথ বাতলে দেয় সেই সব সরলতম ব্যখ্যা,যা আমাদের জন্য আদর্শ। এই আদর্শের কাছে আমাদের নতজানু হতে হবে। তাই কবিতার মধ্য দিয়ে কবি নানান ভাবে খোঁজার চেষ্টা করেছেন তার ঈশ্বরকে। অন্ধকার মুছতে হলে শুধু অন্ধের মতো খুঁজে চললে হবে না। নিজের কাজের মধ্যে দিয়ে তাকে খুঁজতে হবে। মানবতার জয়ের জন্য রবীন্দ্রনাথ বরাবর মুক্তির পথে কাজকে কখনো দূরে ঠেলে দেয়নি বরং সাধারণ জীবনের সাথে ধর্মের সুতো জুড়ে দিয়েছেন। &#8220;কালান্তর&#8221; গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ ধর্ম আর ধর্মতন্ত্রের বৈপরীত্য নির্দেশ করেছেন বিস্তৃতভাবে। রবীন্দ্রনাথ লিখছেন—&#8221;ধর্ম বলে, মানুষকে যদি শ্রদ্ধা না করো তবে অপমানিত ও অপমানকারী কারোরই কল্যাণ হয় না। কিন্তু ধর্মতন্ত্র বলে, মানুষকে নির্দয়ভাবে অশ্রদ্ধা করিবার বিস্তারিত নিয়মাবলী যদি নিখুঁত করিয়া না যান তবে ধর্মভ্রষ্ট হইবে।ধর্ম বলে, অনুশোচনা ও কল্যাণ কর্মের দ্বারা অন্তরে বাহিরে পাপের শোধন। কিন্তু ধর্মতন্ত্র বলে, গ্রহণের দিনে বিশেষ জলে ডুব দিলে, কেবল নিজের নয়, চোদ্দপুরুষের পাপ উদ্ধার।&#8221;</p>



<p>&#8220;ধর্ম আমাদের পক্ষে সর্বশ্রেষ্ঠ আবশ্যক সন্দেহ নাই—কিন্তু সেইজন্যই তাহাকে নিজের উপযোগী করিয়া লইতে গেলেই তাহার সেই সর্বশ্রেষ্ঠ আবশ্যকতাই নষ্ট হইয়া যায়। তাহা দেশকালপাত্রের ক্ষুদ্র প্রভেদের অতীত, তাহা নিরঞ্জন বিকারবিহীন বলিয়াই তাহা আমাদের চিরদিনের পক্ষে আমাদের সমস্ত অবস্থার পক্ষে এত একান্ত আবশ্যক। তাহা আমাদের অতীত বলিয়াই তাহা আমাদিগকে নিত্যকাল সমস্ত পরিবর্তনের মধ্যে ধ্রুব অবলম্বন দান করে।&#8221; — মানব সভ্যতাকে পথ বাতলে দিচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ। যার জীবনের সুখ দুঃখ প্রতিনিয়ত বিরাজমান। বেদনার জলোচ্ছাসে ভেঙে পড়া অন্তরে তাঁর দেখা পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফলে তাঁর লেখায় আমরা তার প্রতিচ্ছবি দেখেছি বারবার। অন্তরে যেভাবে ধর্ম এবং নিজের দেবতার প্রতি তার অনুরাগ ছিল সেই বিশ্লেষণ তাঁর সাহিত্য পড়লেই বোঝা যায়। ভারতীয় দৃষ্টিতে সাধারণত যেভাবে দেবতা পূজ্য তার থেকে অনেক একান্তে রবীন্দ্রনাথ নিজের সঙ্গে দেবতাকে জুড়ে দেখিয়েছেন। কিন্তু সমকালীন রাজনৈতিক এবং সমাজিক পরিস্থিতি রবীন্দ্রনাথকে সমাজের প্রতি আরও বলতে বাধ্য করেছে।</p>



<p>রবীন্দ্রনাথ চিঠিতে লিখছেন — &#8220;যেখানে মন্দিরের দেবতা মানুষের দেবতার প্রতিদ্বন্দ্বী, যেখানে দেবতার নামে মানুষ প্রবঞ্চিত সেখানে আমার মন ধৈর্য্য মানে না।দেশের লোকের শিক্ষার জন্যে, অন্নের জন্যে, আরোগ্যের জন্যে এরা কিছু দিতে জানে না, অথচ নিজের অর্থ-সামর্থ্য,সময়,প্রীতি-ভক্তি সবই দিচ্ছে সেই বেদীমূলে যেখানে সবই নিরর্থক হয়ে যায়। মানুষের প্রতি মানুষের এত নিরৌৎসুক্য, এত ঔদাসীন্য অন্য কোনো দেশেই নেই, এর প্রধান কারণ এই যে, এ দেশে হতভাগা মানুষের সমস্ত প্রাপ্য দেবতা নিচ্ছেন হরণ করে।&#8221; এই কথাগুলো আজও প্রাসঙ্গিক। এই শতাব্দীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি একই চেতনার একই উদ্দেশ্যের ভুক্তভোগী। যে রবীন্দ্রনাথের লেখা রাজনৈতিক সভায় কোট করা হয়,সেই রবীন্দ্রনাথের মতাদর্শ থেকে ওরা অনেক দূর। ওরা রবীন্দ্রনাথ পড়েনি। রবীন্দ্রনাথকে ভুলভাবে প্রাসঙ্গিকতায় তুলে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে শুধুমাত্র।</p>



<p>মানুষ যদি রাজনৈতিক ভাষণে রবীন্দ্রনাথের কোটেশন শোনা বন্ধ করে এবং বাড়িতে রবীন্দ্রনাথের বই পড়া শুরু করে তাহলে শুধুই রবীন্দ্রনাথের মতাদর্শ নয় সঙ্গে নিজের চেতনায় সঠিক দেবতার স্থাপনা করা যেতে পারে। রবীন্দ্রনাথ চিরকালীন প্রাসঙ্গিক হয়ে থেকে যাবে। কিন্তু সেই প্রাসঙ্গিকতা থেকে আমরা কী শিখে নিচ্ছি সেটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রবীন্দ্রনাথের লেখা কোন ধর্মগ্রন্থ থেকে কম নয়,পড়লে অন্তরে চেতনায় ঈশ্বরের নবজাগরণ হয়। রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ধর্ম মানুষকে অনেক কিছু শেখায়। সেই জ্ঞান যদি আমরা উপভোগ করতে পারি তাহলে শান্তি, একতা এবং ভালোবাসার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতীক হয়ে উঠবে ভারতবর্ষ।</p>



<p class="has-text-align-right"><em><strong>লেখক  পরিচিতি :</strong> বিশ্বরূপ হাওলাদার</em> </p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a7/">রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ধর্ম</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a7/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলা নববর্ষের ইতিহাস ও বাংলা সনের শুরু ও বিকাশ</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%93-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%93-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 May 2021 10:54:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1303</guid>

					<description><![CDATA[<p>পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি জাতিই নিজেদের ইতিহাস সংস্কৃতিকে বরনের জন্য বিশেষ বিশেষ দিনকে স্মরণীয় করে রাখে। যেমন প্রাচীন আরবীয়রা ‘ওকাজের মেলা’, ইরানী’রা ‘নওরোজ উৎসব’ ও প্রাচীন ভারতীয়রা ‘দোলপূর্ণিমায়’ নববর্ষ উদযাপন করে থাকত। ( উল্লেখ্য, ইরানী’রা এখনো অনেক ঘটা করেই নওরোজ উৎসব পালন করে থাকে)। এখানে বলে রাখা ভাল, পূর্বপাকিস্তান সব সময়ই বাঙালি সংস্কৃতিকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%93-%e0%a6%ac/">বাংলা নববর্ষের ইতিহাস ও বাংলা সনের শুরু ও বিকাশ</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি জাতিই নিজেদের ইতিহাস সংস্কৃতিকে বরনের জন্য বিশেষ বিশেষ দিনকে স্মরণীয় করে রাখে।</p>



<p>যেমন প্রাচীন আরবীয়রা ‘ওকাজের মেলা’, ইরানী’রা ‘নওরোজ উৎসব’ ও প্রাচীন ভারতীয়রা ‘দোলপূর্ণিমায়’ নববর্ষ উদযাপন করে থাকত। ( উল্লেখ্য, ইরানী’রা এখনো অনেক ঘটা করেই নওরোজ উৎসব পালন করে থাকে)। এখানে বলে রাখা ভাল, পূর্বপাকিস্তান সব সময়ই বাঙালি সংস্কৃতিকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করত। রবীন্দ্রনাথের কবিতা ও গান প্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারীর প্রতিবাদে ১৯৬৫ সাল ( ১৩৭৫ বঙ্গাব্দে) ছায়ানট নামের একটি সংগঠন রমনা পার্কে পহেলা বৈশাখ বর্ষবরণ উৎসব পালনের আয়োজন করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এসো হে বৈশাখ&#8230;&#8230;এসো , এসো&#8230;.গানের মাধ্যমে তারা স্বাগত জানাতে শুরু করে নতুন বছরকে।বর্ষবরন এগিয়ে যায় আরো এক ধাপ। বিস্তৃত হতে শুরু করে ছায়ানট নামের সংগঠনটির। যা এখন বাংলাদেশের সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি মহিরূহে পরিণত হয়েছে। ১৯৭২ সালের পর থেকে রমনা বটমূলে বর্ষবরণ জাতীয় উৎসবের স্বীকৃতি পায়। ১৯৮০ সালে বৈশাখী মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে এক ধাপ বাড়তি ছোঁয়া পায় বাংলা নববর্ষ বরণের অনুষ্ঠান। ছড়িয়ে পড়ে সবার অন্তরে অন্তরে। প্রতি বছরই তাই কোটি বাঙালির অপেক্ষা থাকে কবে আসবে বাংলা নববর্ষ।</p>



<p>প্রাচীন বাংলার রাজা শশাঙ্কের আমল থেকেই বাংলা সন গণনা শুরু। তাঁর শাসনামল সম্ভবত ৫৯০ থেকে ৬২৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। পশ্চিম বাংলা, বর্তমান বাংলাদেশ, বিহার, উড়িষ্যা ও আসাম নিয়ে ছিল তাঁর রাজ্য। জুলিয়ান পঞ্জিকা অনুসারে বাংলা বর্ষগণনা শুরু হয় ১২ এপ্রিল সোমবার ৫৯৩ এবং গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকা-মতে একই সালের ১৪ এপ্রিল সোমবার। সূর্য-সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি ক’রে রচিত হিন্দু ‘সোলার ক্যালেন্ডার’ থেকেই বাংলা কালেন্ডারের উৎপত্তি।</p>



<p>মোঘল সম্রাট আকবর (শাসনামল, ১৫৫৬ থেকে ১৬০৫) কর আদায়ের উদ্দেশ্যে নতুন বাংলা ক্যালেন্ডার প্রচলন করেন। এর আগে মুসলিম শাসনামলে কৃষি ও ভূমিকর আদায় করা হতো ইসলামিক হিজরী ক্যালেন্ডার অনুসারে। হিজরী পঞ্জিকা সৌর নির্ভর হওয়ায় কৃষিবছর ও অর্থবছর একই সময়ে হতো না। তাই, অসময়ে কর পরিশোধ করতো হতে ব’লে কৃষকদের কষ্টের সীমা ছিলনা। সহজে কর আদায়ের উদ্দেশ্যে সম্রাট আকবর ক্যালেন্ডার সংশোধনের নির্দেশ দিলেন। নির্দেশমত সে সময়ের বিখ্যাত পন্ডিত, রাজ জ্যোতিষি ও সম্রাটের উপদেষ্টা আমীর ফাতেউল্লাহ সিরাজী সৌর-হিন্দু ও চান্দ্র-হিজরী ক্যালেন্ডারের ওপর ভিত্তি করে নতুন ক্যালেন্ডার তৈরি করলেন। নতুন বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রচলন হলো পরবর্তী ফসল কাটার সময় যখন কৃষকেরা অপেক্ষাকৃত অর্থনৈতিকভাবে ভাল অবস্থায় ছিলেন। ফসল কাটার সময়কাল স্মরণে রেখে তৈরি ব’লে শুরুর দিকে এটা ‘হারভেস্ট ক্যালেন্ডার’ বা ‘ফসলী সন’ বলে পরিচিত ছিল। মোঘল আমলে বাংলা ক্যালেন্ডারকে সাম্রাজ্যব্যাপী সরকারী মর্যাদা দেয়া হয়। হিন্দু জ্যোতিষশাস্ত্র-সম্মতভাবেই রাখা হয় মাসগুলোর নাম।</p>



<p><strong>বাংলা ঋতু</strong><br>দুই মাসে একটি ক’রে মোট ছয়টি ঋতু আছে বাংলা ক্যালেন্ডার বা পঞ্জিকায়। প্রথম মাস বৈশাখ থেকে শুরু হয় গ্রীষ্ম ( বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ) এরপর বর্ষা (আষাঢ়, শ্রাবণ), শরৎ ( ভাদ্র, আশ্বিন), হেমন্ত (কার্তিক, অগ্রহায়ণ), শীত (পৌষ, মাঘ), এবং বসন্ত (ফালগুন, চৈত্র)।</p>



<p>বারোমাসের নাম রাখা হয়েছে নক্ষত্রের নামে। মাসের নামঃ বৈশাখ (বিশাখা), জ্যৈষ্ঠ (জ্যেষ্ঠা), আষাঢ় ( উত্তরাষাঢ়া), শ্রাবণ (শ্রবণা), ভাদ্র (পূর্বভাদ্রপদ), আশ্বিন (অশ্বিনী), কার্তিক (কৃত্তিকা), অগ্রহায়ণ (মার্গশীর্ষ, মৃগশিরা), পৌষ (পুষ্য), মাঘ (মঘা), ফালগুন (উত্তর ফালগুনী), চৈত্র (চিত্রা)।</p>



<p><strong>সপ্তাহের দিন সংখ্যা</strong><br>অন্যান্য ক্যালেন্ডারের মতো বাংলা ক্যালেন্ডারে সাত দিনে এক সপ্তাহ। গ্রহ নক্ষত্রের নামে নামকরণকৃত। যেমন : সোমবার (মুন বা চাঁদ), মঙ্গলবার (মারস্ বা মঙ্গলগ্রহ), বুধবার (মারকিউরি বা বুধগ্রহ) বৃহস্পতিবার ( জুপিটার বা বৃহস্পতিগ্রহ), শুক্রবার (ভেনাস বা শুক্রগ্রহ), শনিবার (সাটার্ন বা শনিগ্রহ) এবং রবিবার (সান বা সূর্য)।</p>



<p>বাংলা ক্যালেন্ডারে দিন শুরু ও শেষ হয় সূর্য ওঠার সময়কালে। তবে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে দিনের শুরু মধ্যরাতে।</p>



<p><strong>পরিমার্জিত বাংলা পঞ্জিকা</strong><br>১৯৬৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমীর তত্ত্বাবধানে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি বাংলাদেশে (তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান) বাংলা ক্যালেন্ডার পরিমার্জন করেন। অন্যান্য ক্যালেন্ডারের মতো এতে ৩৬৫ দিনে এক বছর। সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৭ সেকেন্ড। এই অমিলে সমতা আনতে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার প্রতি চার বছর অন্তর ফেব্রুয়ারী মাসে একটি অতিরিক্ত দিন যোগ করে। একে লীপ ইয়ার বলে। জ্যোতিষশাস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল বাংলা ক্যালেন্ডারে এই অতিরিক্ত লীপ ইয়ারের সাযুজ্য ছিল না। বাংলা মাসগুলোর দৈর্ঘ ছিল ভিন্ন ভিন্ন। এই অসামঞ্জস্য মেটাতে ও আরও যথাযথ করতে বাংলা একাডেমীর প্রস্তাবনা এরকমঃ</p>



<p>* বছরের প্রথম পাঁচটি মাস, বৈশাখ থেকে ভাদ্র, গঠিত হবে ৩১ দিনে।</p>



<p>* বছরের বাকি সাতটি মাস, আশ্বিন থেকে চৈত্র, গঠিত হবে ৩০ দিনে।</p>



<p>* গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের প্রতি লীপ ইয়ারে ফালগুন মাসে অতিরিক্ত একটি দিন যোগ হবে।</p>



<p>বাংলাদেশে, ১৯৮৭ সালে এই সংশোধিত বাংলা ক্যালেন্ডার সরকারীভাবে গৃহীত হয়। তবে, প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আগের ক্যালেন্ডারই অনসুরণ করা হয়। কারণ, এর সাথে রয়েছে হিন্দু সংস্কৃতির গভীর সংযোগ। হিন্দু ধর্মের আচার অনুষ্ঠানগুলো পালিত হয় চন্দ্রমাসের বিশেষ দিনগুলো ও বাংলা ক্যালেন্ডারের সমন্বয় সাধনের ওপর।</p>



<p>সংশোধিত ও অসংশোধিত সংস্করণ</p>



<p>বৈশাখ মাসের এক তারিখ বা পহেলা বৈশাখ বাংলা বছরের প্রথম দিন। পশ্চিম বাংলায় এটা পালিত হয় এপ্রিল মাসের ১৪ অথবা ১৫ তারিখে। বাংলাদেশে ক্যালেন্ডার সংশোধনের ফলে, নতুন বছরের দিনটি সবসময় এপ্রিলের ১৪ তারিখে পালিত হয়ে থাকে।</p>



<p class="has-text-align-right"><strong>শান্তনু দত্ত (নাট্যকর্মী)</strong></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%93-%e0%a6%ac/">বাংলা নববর্ষের ইতিহাস ও বাংলা সনের শুরু ও বিকাশ</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%93-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আফ্রিকার পুতুল শিল্পকলা</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 25 Feb 2021 07:23:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=1274</guid>

					<description><![CDATA[<p>&#160;&#160;&#160;&#160;&#160;&#160;&#160;&#160; আফ্রিকাতে পুতুলের শিল্পকলা দীর্ঘকাল ধরে অনুশীলন করা হয়, সম্ভবত&#160; ডকুমেন্টেশন করা &#160;১৮২৯ সালে শুরু হয়, যখন Hugh Clapperton আসেন নাইজেরিয়ায় ও এমনই এক বিস্ময়কর বোয়া পুতুলের অভিনয় বর্ণনা করেছিলেন। সাহারাতে, ১৮৫৩ সালে চিত্রশিল্পী ও লেখক Eugène Fromentin আসেন ও তারপর সেখান থেকে প্রচুর puppets ও musical instruments নিয়ে আসেন। &#160;&#160;&#160;&#160;&#160;&#160;&#160; ফরাসী পল সোলিলিট নাইজার [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be/">আফ্রিকার পুতুল শিল্পকলা</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; আফ্রিকাতে পুতুলের শিল্পকলা দীর্ঘকাল ধরে অনুশীলন করা হয়, সম্ভবত&nbsp; ডকুমেন্টেশন করা &nbsp;১৮২৯ সালে শুরু হয়, যখন Hugh Clapperton আসেন নাইজেরিয়ায় ও এমনই এক বিস্ময়কর বোয়া পুতুলের অভিনয় বর্ণনা করেছিলেন। সাহারাতে, ১৮৫৩ সালে চিত্রশিল্পী ও লেখক Eugène Fromentin আসেন ও তারপর সেখান থেকে প্রচুর puppets ও musical instruments নিয়ে আসেন।</p>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; ফরাসী পল সোলিলিট নাইজার নদীর তীরে তিনটি লোকের &#8220;Guignol&#8221;(গ্লোভ পুতুল)ট্রুপের কথা বলেছিলেন।শতাব্দীর শেষে, Foureau-Lamy &#8211; র &nbsp;সাহারা মিশন &nbsp;Iferouane and Zinder এ পুতুল শোয়ের সাক্ষী হয়েছিল।বিশ শতকের প্রথমার্ধে আমরা ১৯০৮ সালে নাইজেরিয়ার বোর্নো অঞ্চলে Douglas Alexander এর&nbsp; মাধ্যমে, ১৯০১ সালে নৃতাত্ত্বিকদের মাধ্যমে,১৯৯৮ সালে তেহিনীতে (Côte d’Ivoire) Maurice Delafosse -র &nbsp;মাধ্যমে আফ্রিকান পুতুলের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারি &nbsp;ও ইংরেজ R.E. Ellison ১৯৩৫ সালে নাইজেরিয়ান ফিল্ড ম্যাগাজিনে তার অনুসন্ধানগুলি প্রকাশ করেছিলেন।</p>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; আফ্রিকার পুতুল শোগুলির শিকড় পৌরাণিক কাহিনীগুলোর মতো পুরানো। আজ তারা শিক্ষায় খুব বেশি ব্যবহৃত হয় তবে রাজনৈতিক শক্তি ও দুর্নীতির নিন্দার উপায় হিসাবেও।দক্ষিণ-পূর্ব নাইজেরিয়ার ইবিবিও মানুষের একটি পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, পুতুল থিয়েটারটি মৃতদের দেশে জন্মগ্রহণ করেছিল। বলা হয় একদিন একটি নির্দিষ্ট জীবিত ব্যক্তি মৃতদের জমিতে নেমেছিল এবং জীবিতদের দেশে ফিরে এসে তিনি তাদের এই শিল্পটি শিখিয়েছিলেন।অ্যাঙ্গোলাতে, একটি &nbsp;&nbsp;Ambundu legend বর্ণনা করেছেন যে কীভাবে একজন মহিলা মারা গিয়েছিলেন। যখন তাকে সমাধিস্থ করা হতে যাচ্ছিলো, তখন তিনি আবার জীবিত হয়ে কথা বলতে শুরু করলেন। তিনি তার গ্রামে ফিরে এসে একটি&nbsp; বাড়িতে গিয়ে এক ছোট্ট মূর্তি দখল করেছিলেন তার &nbsp;যাদুকরী বিদ্যা দিয়ে। ফলস্বরূপ, চিত্রটি জীবদ্দশায় আসে এবং লুকানো বস্তুগুলি দেখায় এমন চিত্র তৈরি করতে শুরু করে।</p>



<p>A definition of a puppet offered by American puppeteer&nbsp;<a href="https://wepa.unima.org/en/bil-baird/">Bill Baird</a>&nbsp;in 1965 was: “an inanimate figure that is made to move by human effort before an audience”.</p>



<p>&nbsp;&nbsp; আফ্রিকার এই ঐতিহ্যবাহী পুতুলগুলি খুব কমই একটি বদ্ধ থিয়েটারে সঞ্চালিত হয়; শোগুলি উন্মুক্ত বাতাসে সঞ্চালিত হয়, প্রায়শই পাবলিক স্কোয়ারে যেখানে অভিনেতা এবং দর্শক একে অপরের থেকে আলাদা হয় না বা সংখ্যায় সীমিত থাকে না। শোটির জন্য জায়গাটি মাটিতে আঁকা একটি লাইন দ্বারা চিহ্নিত করা হয়ে থাকে, বা দর্শকদের (বুথের ফর্ম অনুসারে বা ব্যবহৃত পুতুলের ধরণ অনুসারে) একটি বৃত্ত, আধা-বৃত্ত, সরল রেখায় চিহ্নিত করা হয়। এই নাইট শোতে মশাল বা আগুন দিয়ে জ্বলানো হয়।আফ্রিকান পুতুলগুলি &nbsp;এক দুর্দান্ত বৈশিষ্ট্যযুক্ত: এখানে স্ট্রিং, গ্লোভ এবং রড পুতুল,&nbsp; প্ল্যানেচেট স্টাইলের জিগগিং পুতুলগুলি বোর্ডের &nbsp;উপর পারফর্ম করে, ট্যাবলেটপের পুতুল গুলোও এরকমই। &nbsp;&nbsp;শিক্ষা, আজ আফ্রিকান পুতুলের বৈশিষ্ট্য।তবে এখনও কিছু পুতুল ঐতিহ্যগত ভূমিকা পালন করে, যেমন দীক্ষা অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত পুতুলগুলি যা এখনও আচার এবং পুরোনো ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করে যাচ্ছে। তবে এই ইভেন্টগুলি স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং আরও দিন দিন বিরল হয়ে উঠছে। টেলিভিশন এবং যোগাযোগের অন্যান্য আধুনিক মাধ্যমে গণশিক্ষার &nbsp;প্রচার হচ্ছে।তাদের গুরুত্বপূর্ণ থিমগুলি হ&#8217;ল উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্য।উদাহরণস্বরূপ, মধ্য আফ্রিকান সম্প্রদায় উন্নয়ন কর্মের প্রসঙ্গে, গ্রামাঞ্চলে সচেতনতা, নতুন কৃষিক্ষেত্রের জনপ্রিয়তা এবং পরিবেশ, স্বাক্ষরতা এবং শিক্ষাবোধের সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রকল্পগুলির উদ্দেশ্যে পুতুল তৈরির জন্য একটি কর্মশালা তৈরি করা হয়েছে আর প্রশিক্ষণ, কারুশিল্পের উন্নতি, এমনকি গণতন্ত্রের শিক্ষা ও বিশেষত জনস্বাস্থ্যের সচেতনতার ক্ষেত্রেই এই পুতুল শিল্প বেশি&nbsp; প্রযোজ্য।</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be/">আফ্রিকার পুতুল শিল্পকলা</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভ</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ad/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ad/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2020 11:02:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=926</guid>

					<description><![CDATA[<p>&#160; ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের সাথে সিনেমার ইতিহাসে আধুনিকতার সূত্রপাত হয় – এই কথাটা বললে অত্যুক্তি করা হবেনা । ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভ সিনেমার ইতিহাসে একটা ‘মুভমেন্ট’ যা পঞ্চাশের দশকের শেষভাগে কিছু তরুণ ফরাসী চিত্রপরিচালকের হাত ধরে শুরু হয় । &#160;&#160; ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের কথা বলতে গেলে দুজন এমন মানুষের কথা বলতে হয় যারা ছবি-করিয়ে ছিলেন না&#160; [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ad/">ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভ</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>&nbsp; ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের সাথে সিনেমার ইতিহাসে আধুনিকতার সূত্রপাত হয় – এই কথাটা বললে অত্যুক্তি করা হবেনা । ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভ সিনেমার ইতিহাসে একটা ‘মুভমেন্ট’ যা পঞ্চাশের দশকের শেষভাগে কিছু তরুণ ফরাসী চিত্রপরিচালকের হাত ধরে শুরু হয় ।</p>



<p>&nbsp;&nbsp; ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের কথা বলতে গেলে দুজন এমন মানুষের কথা বলতে হয় যারা ছবি-করিয়ে ছিলেন না&nbsp; &#8212; এদের মধ্যে আন্দ্রে বাজা ছিলেন ফিল্ম ক্রিটিক অর্থাৎ ছবি নিয়ে লেখালেখি ছিল তাঁর পেশা , আর অরি লাংলোয়া ছিলেন ফিল্ম আর্কাইভিস্ট&nbsp; অর্থাৎ বিভিন্ন ছবির প্রিণ্ট জোগাড় করে সেগুলি সংরক্ষণ করা ছিল তাঁর পেশা । অরি লাংলোয়া ছিলেন সিনেমাথেক ফ্রসে ‘র একজন প্রতিষ্ঠাতা । এই সিনেমাথেক ফ্রসে’তে নিয়মিত যাওয়া আসা ছিল একদল তরুণের । এদের মধ্যে জা লুক গোদার , ফ্রাসোয়া ত্রূফো , এরিক রোমের , জাক রিভেত, ক্লদ শ্যাব্রল পরবর্তীকালে ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিচালক হয়ে ওঠেন । সিনেমাথেক ফ্রসেতে দেশবিদেশ থেকে হরেক রকমের ছবি দেখে সিনেমার ইতিহাস এবং বিভিন্ন দেশের ছবি সম্পর্কে এই তরুণ দর্শকদের মনে সম্যক ধারণা গড়ে ওঠে । এখানেই তাদের পরিচয় ঘটে বিভিন্ন দেশের নির্বাক ছবির সাথে , পরিচয় হয় ক্লাসিকাল হলিউডের সাথে , ফরাসী সিনেমার সাথে ।</p>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp; দ্বিতীয় যে মানুষটার কথা বলতে চাই তিনি হলেন আন্দ্রে বাজা । আন্দ্রে বাজার হাত ধরে ১৯৫১ সাল থেকে শুরু হয় সিনেমার ম্যাগাজিন কাহিয়ের দ্যু সিনেমা’র যাত্রা । এই ম্যাগাজিনের নিয়মিত লেখকদের মধ্যে ছিলেন এরিক রোমের , ফ্রাসোয়া ত্রূফো , জা লুক গোদার, জাক রিভেত , ক্লদ শ্যাব্রল প্রমুখ । সিনেমার ইতিহাস , বিভিন্ন ধরণের ছবি ও চিত্রপরিচালকদের স্টাইল&nbsp; , সিনেমা কেমন হওয়া উচিত &#8212;&nbsp; এসব নিয়ে তর্কবিতর্ক , মত আদান প্রদানের অন্যতম জায়গা হয়ে ওঠে কাহিয়ের দ্যু সিনেমা ।</p>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp; ফ্রেঞ্চ নিউওয়েভের পরিচালকরা প্রথম সিনেমাকে অন্যান্য শিল্প মাধ্যম যেমন চিত্রকলা বা সাহিত্যের মতই গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম বলেন এবং চিত্রপরিচালকদের শিল্পী বা লেখকের মতই গুরুত্বপূর্ণ বলে&nbsp; দাবী করেন । &nbsp;ফরাসী ফিল্ম ক্রিটিক আলেক্সান্দ্রে আস্ত্রুক এই সময়&nbsp;&nbsp; ‘la camera stylo’&nbsp; বা ক্যামেরাকে পেনের মত ব্যবহার করার পক্ষে কথা বলেন ।&nbsp; এর অর্থ ছিল যে চিত্রপরিচালক তার ক্যামেরাকে নিজের ভাব প্রকাশের জন্য পেনের মতই ব্যক্তিগত ভাবপ্রকাশের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন । এইভাবেই ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের মাধ্যমে প্রথম&nbsp; ‘ auteur&nbsp; theory&#8217; -র&nbsp; উদ্ভব । চিত্রপরিচালকেরা হয়ে উঠলেন যে কোন ছবির প্রাণ এবং ছবির অন্যতম&nbsp; সৃষ্টিকর্তা । হলিউডের বিভিন্ন ধরণের ছবি দেখার পর ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের তরুণ তুর্কীরা হাওয়ারড হকস , জন ফোরড , আলফ্রেড হিচকক প্রমুখ পরিচালকদের কথা বলতে শুরু করেন । এদের মতে হিচকক বা জন ফোরড বা হাওয়ারড হকসের একটা ছবিতে পরিচালকের ছাপ ছিল স্পষ্ট , এগুলো দেখে কোনভাবেই মনে হত না প্রযোজক প্যারামাউন্ট বা ওয়ারনার ব্রাদার্সের আরও একটা ছবি ।</p>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; ১৯৫৪ সালে ফ্রাসোয়া ত্রূফো কাহিয়ের দ্যু সিনেমা পত্রিকায়&nbsp;&nbsp; ‘ a certain tendency in French cinema’&nbsp; নামে একটা প্রবন্ধ লেখেন । এই প্রবন্ধে জা রেনোয়া , ব্রেসো , জা ককতো&nbsp; বাদে অন্যান্য ফরাসী পরিচালকদের সিনেমাকে প্রবলভাবে আক্রমণ করেন ত্রূফো । ফরাসী সিনেমার ধরাবাঁধা ধরণকে আক্রমণ করে ত্রূফো লেখেন যে এই সিনেমার সাথে বাস্তব ফরাসী জীবনের রাজনীতি ও সমাজের কোন সংযোগ নেই ।&nbsp; ইউরোপিয়ান সিনেমা ও ক্লাসিকাল হলিউডের রীতিনীতি ও ব্যাকরণের প্রতি একটা তীব্র অনীহা দেখা যায় এই নতুন পরিচালকদের মধ্যে । কন্টিনিউটি এডিটিং-এর বদলে জাম্প কাট , স্থির ক্যামেরার বদলে সর্বক্ষণ গতিময় একটা ক্যামেরা , ডকুমেন্টারি এবং ফিকশন ছবির ইডিয়মকে মিলিয়ে মিশিয়ে দেওয়া , দর্শককে সিনেমার উপস্থিতি সম্পর্কে সচেতন করে দেওয়া , সিনেমার প্রচলিত গল্প বলার ধরণকে অগ্রাহ্য করে নতুন ধরণের গল্প বলার ধরণকে নিয়ে কাজ করা , পরিচালকের দৃষ্টিভঙ্গি এবং দর্শনকে সিনেমায় প্রকাশ করা – ফর্ম এবং কন্টেন্টের দিক দিয়ে অভিনব&nbsp; এই রকম বেশ কিছু টেকনিক হয়ে ওঠে ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের অন্যতম বৈশিষ্ট্য । জা লুক গোদারের&nbsp; ‘a bout de soufflé ’&nbsp; বা&nbsp; ‘breathless’&nbsp;&nbsp; ছবিতে , ফ্রাসোয়া ত্রূফোর&nbsp; ‘ 400 blows’&nbsp; বা জাক রিভেতের&nbsp; ‘paris nous appartient (paris belongs to us )’&nbsp; ছবিতে ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের এই বৈশিষ্ট্যগুলি বেশ আলাদাভাবে বোঝা যায় । রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের মাঝে নেমে আসে সচল একটা ক্যামেরা , সারা ছবি জুড়ে এক গতিময় ছন্দ এই ছবিগুলোর সারাটা জুড়ে ।</p>



<p>&nbsp;&nbsp; ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের পরিচালকদের মধ্যে মূলত দুটি ভাগ ছিল । এক দল ছিলেন কাহিয়ের দ্যু সিনেমা ‘র লেখকরা অর্থাৎ ফ্রাসোয়া ত্রূফো, জা লুক গোদার , ক্লদ শ্যাব্রল , জাক রিভেত , এরিক রোমের যারা প্রথমে&nbsp; প্ত্রিকায় লেখালেখি এবং পরে সিনেমা বানানো শুরু করেন । আর একদল চিত্রপরিচালক ছিলেন আগ্নেস ভারদা , আলা রেনে বা ক্রিস মার্কারের মত পরিচালকেরা – এদের বলা হত ‘লেফট ব্যাংক’ । আগ্নেস ভারদা ‘র&nbsp; ‘cleo from 5 to 7’ , ক্রিস মার্কারের স্টিল ফটোগ্রাফ দিয়ে তৈরি ছবি&nbsp; ‘ la jetee’ বা আলা রেনে ‘র&nbsp; ‘Hiroshima mon amour’ &nbsp;তুলে ধরে ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের&nbsp; কাব্যিক একটা দিক ।</p>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভ সিনেমার ইতিহাসকে সিনেমাকে চিরকালের জন্য বদলে দেয় । একদল তরুণ তুর্কী পরিচালকদের হাত ধরে সিনেমায় আসে নতুন প্রাণের স্পন্দন । পরবর্তীকালের সিনেমার ভাষাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভের পরিচালকেরা &nbsp;।</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ad/">ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভ</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ad/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আফ্রিকান শিল্পের ইতিহাস</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2020 10:52:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=891</guid>

					<description><![CDATA[<p>&#160;আফ্রিকার শিল্প সারা বিশ্বের সংস্কৃতি এবং ইতিহাস গঠনে সর্বদা এক &#160;গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে বিশ্বের দরবারে। আফ্রিকান শিল্প ইতিহাসের উৎস মানব ইতিহাসের বহু প্রাচীন পর্যায় থেকে,রক আর্ট শিল্পের প্রাচীনতম পর্যায়,নেকলেসের নকশায় তৈরি শেল জপমালা দক্ষিণ আফ্রিকার&#160; উপদ্বীপের একটি গুহা থেকে উদ্ধার করা হয়,যা ৭৫০০০ বছরেরও পুরানো। নামিবিয়ায় রক পেইন্টিংগুলি বিশ্বের প্রাচীনতম শিল্প এবং ২০০০০ বছরেরও [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/">আফ্রিকান শিল্পের ইতিহাস</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>&nbsp;<strong>আফ্রিকার</strong><strong> </strong><strong>শিল্প</strong><strong> </strong>সারা বিশ্বের সংস্কৃতি এবং ইতিহাস গঠনে সর্বদা এক &nbsp;গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে বিশ্বের দরবারে। আফ্রিকান শিল্প ইতিহাসের উৎস মানব ইতিহাসের বহু প্রাচীন পর্যায় থেকে,রক আর্ট শিল্পের প্রাচীনতম পর্যায়,নেকলেসের নকশায় তৈরি শেল জপমালা দক্ষিণ আফ্রিকার&nbsp; উপদ্বীপের একটি গুহা থেকে উদ্ধার করা হয়,যা <strong>৭৫০০০</strong> বছরেরও পুরানো।</p>



<p><strong>নামিবিয়ায় রক পেইন্টিংগুলি বিশ্বের প্রাচীনতম শিল্প এবং ২০০০০ বছরেরও বেশি পুরানো বলে প্রত্নতত্ত্ববিদদের ধারণা।</strong><strong></strong></p>



<p><strong>&#8220;Rock art is the earliest art form in Africa. Anthropologists are saying that modern Homo Sapiens began in Africa. It stands to reason therefore that Africa would contain both the oldest and greatest amount of rock art on this planet.The oldest images scientifically dated are in Namibia (the Apollo 11 caves) from about 24-27,000 yrs ago, yet most experts agree that Africa&#8217;s rock art may date to more than 50,000 years ago.The earliest known rock art preserved in the Saharan sands in Niger dates as far back as 6500 BC. They are carvings known as petroglyphs and depict animals like giraffes that no longer exist in that area.&#8221;</strong><strong></strong></p>



<p><strong>                                     &#8211; Contemporary African Art Blog</strong></p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="507" height="1024" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/11/আফ্রিকার-শিল্পের-ইতিহাস--507x1024.jpg" alt="" class="wp-image-906" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/11/আফ্রিকার-শিল্পের-ইতিহাস--507x1024.jpg 507w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/11/আফ্রিকার-শিল্পের-ইতিহাস--148x300.jpg 148w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/11/আফ্রিকার-শিল্পের-ইতিহাস-.jpg 591w" sizes="(max-width: 507px) 100vw, 507px" /></figure>



<p><strong>&nbsp;&nbsp;</strong>&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; &nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;প্রাচীন আফ্রিকান শিল্পকে যেসব স্থানে বিভক্ত করা যেতে পারে &nbsp;যেমন &nbsp;একটি হলো উত্তর আফ্রিকার শিল্প আরব দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। একইভাবে, ইথিওপিয়ার শিল্প ইউরোপ এবং খ্রিস্টান ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। মন্দির এবং সমাধিতে প্রাচীন মিশরের শিল্পও সংরক্ষিত রয়েছে। তবে, আফ্রিকান শিল্প হিসাবে বেশিরভাগ লোকেরা যা ভাবেন তা হ&#8217;ল সাহারা মরুভূমির দক্ষিণে বসবাসকারীদের তৈরী শিল্প।আফ্রিকান শিল্পের অন্যতম প্রধান উপাদান এটি প্রায়শই&nbsp; ত্রি-মাত্রায় তৈরি করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, তারা যেসব&nbsp; ভাস্কর্য প্রায়শই ব্যবহার করে। ভাস্কর্যগুলি বেশিরভাগই মানুষ এবং&nbsp; প্রাণীর আদলে&nbsp; তৈরী। আফ্রিকান শিল্পীরা প্রায়শই তাদের ভাস্কর্যের জন্য কাঠ ব্যবহার করতেন, তবে ব্রোঞ্জ, পোড়ামাটি এবং হাতির দাঁতও ব্যবহার হতো। প্রাচীন আফ্রিকার শিল্পের অন্যতম প্রধান বিষয় হ&#8217;ল মানব রূপ। বেশিরভাগ শিল্পের প্রাথমিক বিষয় মানুষ। কখনও কখনও মানুষকে পশুদের সাথে বা মানবদেহের কিছু অংশকে প্রাণীর সাথে মিলিয়ে ভাস্কর্যের আকৃতি দেওয়া হতো।এছাড়াও ছিলো বিভিন্ন গহনা ও মৃৎশিল্প।স্বর্ণ, রত্ন, শাঁস এবং অন্যান্য উপকরণ থেকে গহনা তৈরী হতো।সিরামিকের তৈরী জিনিসপত্র প্রতিদিনের রান্নার সরঞ্জামের জন্য ব্যবহৃত হত।</p>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; &nbsp;<strong>ইথিওপিয়ার আকসুমের বিশাল ওবেলিস্কস, মালির গ্রেট মসজিদ জিজেনের মতো মসজিদ এবং শিলা-কাটা গীর্জা সমেত স্মৃতিসৌধ কাঠামোও তৈরি করা হয়েছিল।</strong></p>



<p>&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; আফ্রিকান শিল্প ইতিহাসে যে প্রাচীনতম ভাস্কর্য গুলো পাওয়া গেছে তা বেশিরভাগই &nbsp;নাইজেরিয়া থেকে আগত। তবে, প্রত্নতাত্ত্বিক খননের &nbsp;অভাব আফ্রিকান শিল্পের প্রাচীনত্ব সম্পর্কে জানতে অনেকক্ষেত্রেই বাধার কারণ হয়েছে । যেহেতু এই বিষয়গুলি আদিবাসী সম্প্রদায়গুলির তাই তাদের সংরক্ষণের জন্য কোনও প্রচেষ্টা করাও হয়নি।তাদের মান অতি নগণ্য বলে ধারণা করা হতো।<strong>১৮৪০</strong> সাল থেকে উপ-সাহারান আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশে বৈদেশিক উপনিবেশ ঘটেছিল এবং তখন থেকেই এদের শৈল্পিক মূল্যবোধ সর্বব্যাপী হয়ে ওঠে।&nbsp; ভ্রমণকারী, ব্যবসায়ী এবং মিশনারিরা কৌতূহলী উপায়ে অনেক আফ্রিকান শিল্পের কৌশল অর্জন করেছিল কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উপনিবেশিকরা আদিবাসী শিল্পকে যোগ্যতা এবং মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেনি, ফলে আফ্রিকান শিল্পের ইতিহাস পর্যাপ্তভাবে সংরক্ষণ বা দলিল করা সেইভাবে হয়ে ওঠে নি।</p>



<p><strong>লেখক পরিচিতি : শুভ্রা সাহা</strong><br><strong>( জয়েন্ট এডিটর,রিসাইটাল স্ফেরিকাল )</strong></p>



<p></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/">আফ্রিকান শিল্পের ইতিহাস</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আফ্রিকান মাস্কস (প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য) (দ্বিতীয় পর্ব)</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Adwaita Bosu]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Oct 2020 10:32:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=789</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাউলে এই ধরণের বাউলে উপজাতির মুখোশটি &#8220;kple kple&#8221; মুখোশ হিসাবে পরিচিত যা গোলির আচার এবং নৃত্য উত্সবগুলিতে পরিধান করা হয়। এটি ফসল উত্সব চলাকালীন উপজাতীয় নৃত্যগুলিতে, বিশিষ্ট দর্শনার্থীদের সম্মানে শোভাযাত্রায় এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ও ব্যবহৃত হয়। বিজ্ঞপ্তিযুক্ত মুখটি সূর্যের জীবন দানকারী শক্তিটিকে উপস্থাপন করে এবং শিংগুলি মহিষের মহাশক্তির প্রতীক। মুখোশটি কাঠের তৈরি দুটি ছিদ্র [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad/">আফ্রিকান মাস্কস (প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য) (দ্বিতীয় পর্ব)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<h2 class="wp-block-heading"><strong>বাউলে</strong></h2>



<p>এই ধরণের বাউলে উপজাতির মুখোশটি <strong>&#8220;kple kple&#8221;</strong> মুখোশ হিসাবে পরিচিত যা গোলির আচার এবং নৃত্য উত্সবগুলিতে পরিধান করা হয়।  এটি ফসল উত্সব চলাকালীন উপজাতীয় নৃত্যগুলিতে, বিশিষ্ট দর্শনার্থীদের সম্মানে শোভাযাত্রায় এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ও ব্যবহৃত হয়। বিজ্ঞপ্তিযুক্ত মুখটি সূর্যের জীবন দানকারী শক্তিটিকে উপস্থাপন করে এবং শিংগুলি মহিষের মহাশক্তির প্রতীক। মুখোশটি কাঠের তৈরি দুটি ছিদ্র চোখের মতো করে কাটা হয় যাতে পরতে পারে আর আয়তক্ষেত্রাকার মুখটিও এই ধরণের মুখোশের বৈশিষ্ট্যযুক্ত। বাউলে কৃষকরা যারা আইভরি কোস্টের পূর্ব দিকটিতে উপবিষ্ট,তারা আকান জাতির অংশ, পশ্চিম আফ্রিকার অন্যতম বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী, যারা ঘানা এবং আইভরি কোস্ট উভয় অঞ্চলে বাস করে।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>বায়োমবো</strong></h2>



<p>বায়োম্বো মাস্কগুলি সাধারণত কাঠ থেকে খোদাই করা হয় এবং লাল রঙের কমলা রঙের <strong>&#8220;টুকুলা&#8221;</strong> দিয়ে তৈরি হয়, ক্যামউড গাছ থেকে তৈরি রঞ্জক চোখ একটি সাধারণ কফির বিনের আকার। ভ্রু এবং মুখের প্লেনগুলি সাজাতে একটি ত্রিভুজাকার চেকারবোর্ড নকশা ব্যবহার করা হয়।</p>



<p>মাথার পিছনে তিনটি ফর্ম বায়োম্বো হেয়ারস্টাইল উপস্থাপন করে। বায়োম্বো মাস্কগুলির শীর্ষগুলির সাথে পালকগুলি প্রায়শই সংযুক্ত থাকে । বিম্বো মুখোশগুলি সাধারণত উপজাতীয় আচার অনুষ্ঠান এবং অনুষ্ঠানের সময় পরিধান করা হয়।কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের লুলুয়া এবং কসাই নদীর আন্তঃখণ্ডের দক্ষিণে বায়োম্বোরা বাস করে।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>বাওয়া</strong></h2>



<p>বাওয়া মুখোশগুলি এক প্রান্তে বৃত্তাকার মুখ এবং অন্যদিকে একটি ক্রিসেন্ট চাঁদ  আকারযুক্ত থাকে।বিশ্বাস করা হয় যে বাওয়া মুখোশগুলি এমন বিশেষ ক্ষমতা রাখে যা তাদের পরা যারা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় । এই মুখোশগুলি একটি প্রান্তে বৃত্তাকার মুখের সাথে তক্তা আকারের এবং অন্যদিকে একটি ক্রিসেন্ট চাঁদ। চোখগুলি একটি পেঁচার উপর নির্ভর করে এবং নাকটি হর্ণবিল থেকে আসে। এই উভয় পাখিই যাদুকরী শক্তির অধিকারী বলে মনে করা হয়। প্লাঙ্ক অংশটি জ্যামিতিক নিদর্শনগুলির সাথে সজ্জিত যা অনেক আফ্রিকানমাস্কে একটি প্রয়োজনীয় নকশার উপাদান।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>ড্যান</strong></h2>



<p>ড্যান মাস্কগুলি পবিত্র বস্তু।এগুলি সুরক্ষার জন্য এবং স্পিরিট ওয়ার্ল্ডের সাথে যোগাযোগের চ্যানেল হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ড্যান মাস্কগুলির কপাল সাধারণত উঁচু থাকে, মুখ এবং পয়েন্টেড চিবুক।এছাড়াও কপাল এবং নাকে বিচ্ছিন্ন রেখার মতো চিহ্ন থাকতে পারে।ড্যান মুখোশগুলি কাঠে খোদাই করা হয় এবং একটি বাদামী রঞ্জক দাগযুক্ত হয়।ড্যান মাস্কগুলি সুরক্ষার জন্য এবং রূহ বিশ্বের সাথে যোগাযোগের চ্যানেল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।ড্যান যখন বাসা থেকে দূরে থাকেন তারা ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য ছোট <strong>&#8216;পাসপোর্ট মাস্ক&#8217;</strong> বহন করে। ড্যান বিশ্বাস করে যে তাদের পৃথিবী দুটি ডোমেইনে বিভক্ত: মানব ডোমেন যা গ্রাম এবং তার লোকেরা প্রতিনিধিত্ব করে এবং আধ্যাত্মিক ডোমেন যা বন এবং তার আত্মার দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়। যখন কোনও নর্তকী ড্যান মাস্ক পরেন তখন তিনি সেই মুখোশের আত্মা হয়ে যান।একজন মুখোশযুক্ত নর্তকী প্রফুল্লতার ভাষায় কথা বলবে এবং তাঁর কথাগুলি একজন জ্ঞানী লোকের দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয় । কিছু নৃত্যশিল্পী স্টিলেটগুলিতে মুখোশধারী আচার অনুষ্ঠান করে। এখানে অনেকগুলি বিভিন্ন ড্যান মাস্ক রয়েছে, যার প্রত্যেকেরই আচার বা উত্সবগুলির সময় একটি পৃথক ব্যবহার রয়েছে। কিছু মুখোশ উপজাতি আচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে অন্যগুলি কেবল বিনোদনের জন্য। ড্যান মাস্কগুলি চিতাবাঘের গোপন সমাজের প্রধান গো মাস্টার দ্বারা রক্ষিত থাকে যারা যৌবনে যুবকদের দীক্ষা দেওয়ার জন্য দায়ী । শিকারি এবং কৃষক যাদের অঞ্চল আইভরি কোস্টের পশ্চিম দিক থেকে লাইবেরিয়ার দিকে প্রসারিত।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>গোমা</strong></h2>



<p>গোমা মাস্কগুলি তাদের গম্বুজযুক্ত মাথা দ্বারা চিহ্নিত করা হয় যা কখনও কখনও পালকের সাথে শীর্ষে থাকতে পারে । গোমা মাস্কগুলিকে সহজেই তাদের প্রসারিত নলাকার আকারগুলি, গম্বুজযুক্ত মাথাগুলি, বৃহত অবতল চোখের সকেটগুলি প্রসারিত চোখ এবং জ্যামিতিক বিমূর্ত নিদর্শনগুলির সাথে তাদের সজ্জা দ্বারা সনাক্ত করা যায়। কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ত্যাঙ্গানাইকা লেকের ঠিক উত্তরে কিভু হ্রদের উত্তরের তীরে উপবিষ্ট।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>কোটা</strong></h2>



<p>কোটা চিত্রগুলি কাঠের মধ্যে খোদাই করা হয় এবং তারপর  পিতল বা তামার চাদর দিয়ে আবৃত করা হয় । কোটা তাদের ভাস্কর্য সংক্রান্ত চিত্রগুলির জন্য খ্যাতিযুক্ত।কোটা চিত্রগুলিতে খুব স্টাইলাইজড মাথা এবং সরলিকৃত লজেন্স আকৃতির দেহ রয়েছে। তাদের মুখগুলি পুরুষের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একটি উত্তল পৃষ্ঠ বা অবতল পৃষ্ঠ থাকে।কিছু চিত্রের মাথার উভয় পাশে মুখ থাকে। আমরা এই কোটার মূর্তিগুলি কোনও পূর্বপুরুষের ধ্বংসাবশেষকে সুরক্ষা দেয় যা একটি বাক্স, ঝুড়ি বা বান্ডেলে থাকে যা <strong>&#8220;বুয়েট&#8221;</strong> নামে পরিচিত। কোটা তাদের পূর্বপুরুষদের ধ্বংসাবশেষকে শ্রদ্ধা করে কারণ তারা বিশ্বাস করে যে তারা তাদের জীবনে এই সমস্যাগুলির সমাধানের   জন্য তাদের সহায়তার জন্য আহ্বান জানাতে পারে কোটা বিভিন্ন ধরণের লোক যারা একই সংস্কৃতি ভাগ করে নিয়েছে। &#8216;কোটা&#8217; শব্দের অর্থ বাঁধাই বা সংযুক্তি &#8211; একটি উপজাতিকে একত্র করার উপযুক্ত নাম কোটা একটি শান্তিকামী মানুষ যারা পূর্ব গ্যাবোন থেকে কঙ্গো পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে বাস করে।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>কোয়েলে</strong></h2>



<p>কোয়েলের মুখোশগুলি হরিণকে প্রতিনিধিত্ব করে । কোয়েলে জাদুবিদ্যায় বিশ্বাসী এবং এদের জীবনের  প্রভাবের জন্য তাদের সমস্ত ব্যক্তিগত এবং সামাজিক দোষকে দোষ দেয়। কোয়েলে <strong>&#8216;বিট&#8217;</strong> আচারের সাহায্যে জাদুকরী শক্তি থেকে নিজেকে রক্ষা করে। <strong>&#8216;বিট&#8217;</strong> এমন একটি আচার যাতে আত্মার দ্বারা শুদ্ধি জড়িত। কোয়েলের মুখোশগুলিতে দুটি বড় শিং থাকে যা কখনও কখনও পুরো মুখ ঘিরে থাকে এবং মুখের অঞ্চলগুলি প্রায়শই সাদা কাওলিন মাটির সাথে আঁকা হয়, প্রফুল্লতার রঙ। কোয়েলে মুখোশগুলি হৃদয় আকৃতির মুখ, বাদাম আকৃতির চোখ এবং একটি ছোট মুখ দিয়ে খুব সুন্দরভাবে স্টাইলাইজড।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>লিগবি</strong></h2>



<p>ইসলামী ছুটির দিনে বিশেষত রমজানের শেষে উদযাপনে লিগবির মুখোশ ব্যবহৃত হয়। এই মুখোশগুলি পরিধানকারী নৃত্যশিল্পীরা জোড়ায় নাচ করার সাথে সাথে তাদের মার্জনাল সিনক্রোনাইজড গতিবিধির জন্য খ্যাত।  সাধারণত লিগবি মাস্কটির দু&#8217;পাশে ডানা দিয়ে ছাঁটা একটি দীর্ঘতর মুখ রয়েছে। চোখ ছায়াযুক্ত এবং মুখ আয়তক্ষেত্রাকার। প্রাণী এবং মানব উভয় রূপই মুখোশের চিত্রে মিলিত হয়েছে। উদযাপনের সময় লিগবি মুখোশগুলি সাজানোর জন্য গহনাও যুক্ত করা হয়।লিগবি লোকেরা, যারা সেনুফো সম্পর্কিত, তারা মূলত ঘানার বাসিন্দা একটি সম্প্রদায় যারা এখন আইভরি কোস্টে বাস করে।লিগবিও তাদের ভাষার নাম।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>পেন্ডে</strong></h2>



<p>পেন্ডে বিভিন্ন ধরণের মুখোশ খোদাই করে থাকে যা তারা আচারের সময় ব্যবহার করে। এই অঞ্চলের মুখোশটি কাসাই পেন্ডের কাছ থেকে আসে যারা তাদের অঞ্চলের পূর্বে বাস করেন। এই মুখোশগুলি প্রায়শই ছায়ার প্রভাব তৈরি করার জন্য অন্ধকার গাঢ় রঙ এবং হালকা রঙগুলির সাথে আঁকা থাকে। পেন্দে বিশ্বাস করেন যে তাদের পূর্বপুরুষের আত্মারা তাদের জীবনের গুণমানকে ইতিবাচক বা নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। পেন্দে বেশিরভাগ কৃষক যারা শিকার এবং মাছ ধরার মাধ্যমে জীবন নির্বাহ করেন,তারা লোঙ্গো এবং কসাই নদীর চারপাশে কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাস করে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">পুনু</h2>



<p>পুনু মাস্কগুলি পুনু মহিলাদের আদর্শিক সৌন্দর্যের প্রতিনিধিত্ব করে, এবং এটি কেবল পুনু পুরুষদের দ্বারা খোদাই করা হয়। এগুলো ওদের কাছে অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী উচ্চ গম্বুজযুক্ত , হীরা দিয়ে চিত্রিত করা হয় &#8211; কপালে আকৃতির বর্ণের চিহ্ন রয়েছে এবং তাদের প্রায়সই সজ্জা প্রাচ্য বৈশিষ্ট্যগুলি প্রদর্শন করে। পুনু হেয়ার স্টাইলগুলি বোঝায় যে পরিধানকারীরা ধনী, কারণ মাল বহন করার প্রয়োজনে তার চুল সমতল হয়না,অনেক সময় পুনুর মুখোশগুলি মৃত পূর্বপুরুষের আত্মার প্রতিনিধিত্ব বোঝানোর জন্য কাওলিন মাটির সাথে সাদারঙ দিয়ে আঁকা হয়।</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad/">আফ্রিকান মাস্কস (প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য) (দ্বিতীয় পর্ব)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আফ্রিকান মুখোশ: প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য (প্রথম পর্ব)</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Sep 2020 16:31:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=745</guid>

					<description><![CDATA[<p>আফ্রিকার মুখোশের রয়েছে বিভিন্ন রকম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ। এখানকার আদিবাসীদের বিশ্বাস প্রতিটি মুখোশ তাদের কোনো না কোনো পূর্বপুরুষ ও আত্মাকে সিগনিফাই করে। তাদের এটাও বিশ্বাস যে এই এক একটি মুখোশের উপর এক একটি নির্দিষ্ট আত্মার অধিকার। &#8220;Tribal masks are worn for grave reasons like encouraging human fertility, burial rituals, protecttion from evil spirits, ancestral [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87/">আফ্রিকান মুখোশ: প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য (প্রথম পর্ব)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আফ্রিকার মুখোশের রয়েছে বিভিন্ন রকম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ। এখানকার আদিবাসীদের বিশ্বাস প্রতিটি মুখোশ তাদের কোনো না কোনো পূর্বপুরুষ ও আত্মাকে সিগনিফাই করে। তাদের এটাও বিশ্বাস যে এই এক একটি মুখোশের উপর এক একটি নির্দিষ্ট আত্মার অধিকার।</p>



<p>&#8220;Tribal masks are worn for grave reasons like encouraging human fertility, burial rituals, protecttion from evil spirits, ancestral worship, etc. The name of masks are Bamileke Mask, Pende Mask, Yohure Mask, Baule Mask, Dan Mask, Woyo mask, Biombo mask, Senufo mask, Kota Mask, Ligbi, etc.&#8221;</p>



<p>প্রকারভেদ ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য :</p>



<p>১. মুখ মুখোশ</p>



<p>২. হেলমেট মুখোশ</p>



<p>৩. কপাল মুখোশ</p>



<p>৪. মাথায় পরিধানের মুখোশ</p>



<p>৫. কাঁধে পরিহিত মুখোশ</p>



<p> &#8220;Enlarged facial mask, symmetrical design, checkboard patterns, parallel,carved, and twisted.&#8221;</p>



<p><strong>(ক্রমশ:)</strong><strong></strong></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87/">আফ্রিকান মুখোশ: প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য (প্রথম পর্ব)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাম্প্রতিক সময়ের বাঙলা ছবিতে সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন কতটা?</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%b2%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%b2%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Sep 2020 16:07:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=738</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমরা অনেক সময়েই বলে থাকি যে  ‘ শিল্প সমাজের দর্পণ ‘ । কথাটা সিনেমার ক্ষেত্রে ভীষণভাবে প্রযোজ্য । সিনেমায় যদি খালি চিত্তমনোরঞ্জনের জন্য গালভরা আজগুবি গল্প শোনানো হয় তাহলে সাময়িকভাবে কিছু দর্শক পেলেও খুব তাড়াতাড়ি এধরণের সিনেমা সাধারণ মানুষের কাছেই অপ্রয়োজনীয় আর অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে । গত দশ বছরের বাংলা সিনেমার ক্ষেত্রেও সেটাই হচ্ছে । [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%b2%e0%a6%be/">সাম্প্রতিক সময়ের বাঙলা ছবিতে সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন কতটা?</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আমরা অনেক সময়েই বলে থাকি যে  ‘ শিল্প সমাজের দর্পণ ‘ । কথাটা সিনেমার ক্ষেত্রে ভীষণভাবে প্রযোজ্য । সিনেমায় যদি খালি চিত্তমনোরঞ্জনের জন্য গালভরা আজগুবি গল্প শোনানো হয় তাহলে সাময়িকভাবে কিছু দর্শক পেলেও খুব তাড়াতাড়ি এধরণের সিনেমা সাধারণ মানুষের কাছেই অপ্রয়োজনীয় আর অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে । গত দশ বছরের বাংলা সিনেমার ক্ষেত্রেও সেটাই হচ্ছে ।  </p>



<p>&nbsp;&nbsp; যদি এটা বলি যে সাম্প্রতিক বাংলা সিনেমায় সামাজিক বাস্তবতার কোন ছাপ নেই তাহলে প্রথমত বলতে হয় সাম্প্রতিক সময়ের সামাজিক বাস্তবতা বলতে আমরা কি বুঝি&nbsp; ।&nbsp; সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশজুড়ে ফ্যাসিবাদী রাজনীতির একটা বিপুল উত্থান ঘটেছে । দিনে দিনে সেই ফ্যাসিবাদী রাজনীতির প্রকোপ আরও আরও বাড়ছে , আমাদের জীবনের প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে বেড়ে চলছে তার প্রভাব । আমরা সারা দেশজুড়ে মুসলিমদের উপর সামগ্রিক জনমানসে একটা ঘৃণা তৈরি &nbsp;হতে দেখেছি । দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেশভক্তির নামে দলিতদের মুসলিমদের নিধন লিঞ্চিং দেখেছি গত ছয় –সাত বছরে । আমরা ভারতমাতার নাম নিয়ে ধর্মের নাম নিয়ে ধর্ষণ দেখেছি , ভারতে বাংলায় হিন্দুত্ববাদের উত্থানের সাথে সাথে হিন্দু আইডেন্টিটিকে কেন্দ্র করে একটা উগ্র পৌরুষের জন্ম হতে দেখেছি আর তার সাথে দেখেছি নারীবিদ্বেষের অভূতপূর্ব রুপ । এই কবছরে নারী নির্যাতন অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে । অথচ এই সব সাম্প্রতিক বাস্তবতার কোন ছাপ আমার দেখা কোন বাংলা সিনেমায় পাইনা ।</p>



<p>গত দশ বছরে আমাদের দৈনিক জীবনে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব ভয়ানকভাবে বেড়ে গেছে , বেড়েছে টিকটকের মত এপের ব্যবহার । আমাদের বাস্তব জীবনের সাথে&nbsp; সমান্তরালভাবে &nbsp;একটা ডিজিটাল জীবন এখন চলতে থাকে । এই ডিজিটাল জীবন কোথাও আমাদের বাস্তব জীবনের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে । কোনও ঘটনা ঘটলে সেটার ছবি বা সেটা সম্পর্কে মতামত সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া আর বাকিদের মতামত জানা – এগুলো এখন খুবই স্বাভাবিক আমাদের সবার কাছে । বাংলা সিনেমায় মূলধারায় যে সব সিনেমা হয় , তার অধিকাংশই হয় সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে অথবা আজগুবি রিমেক বা থ্রিলার বানানোর চেষ্টা। থ্রিলারের ক্ষেত্রেও বাংলা সিনেমা ভয়ানকভাবে ব্যর্থ । বেশিভাগই হয় হলিউড বা কোরিয়ান সিনেমার জঘন্য কপি অথবা সেই পুরনো ফেলুদা, ব্যোমকেশ , কিরিটীর কাসুন্দি ঘাঁটা । হিন্দি তামিল তেলেগু সিনেমায় কিছু উন্নতমানের থ্রিলার তৈরি হলেও সত্যজিৎ রায়ের পর থেকে একটা এমন থ্রিলার বাঙালী তৈরি করতে পারেনি যা নিয়ে গর্ব করা যায় ।</p>



<p>গত দশ বছরের সামাজিক বাস্তবতার যেমন কোনও ছাপ নেই বাংলা সিনেমায় , তেমনই নেই সাধারণ বাঙালী জীবনের কোনও যথাযোগ্য বাস্তবোচিত চিত্রায়ণ । উদাহরণ হিসাবে বাংলা সিনেমার পরিচিত পরিচালকদের ছবির কথা ধরা যাক । শিবপ্রসাদ নন্দিতা বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় পরিচালক । তাদের সিনেমা ‘বেলাশেষে ‘ বা ‘পোস্তো ‘ বা ‘হামি ‘ চিরাচরিত মধ্যবিত্ত জীবনের কিছু সেন্টিমেন্টাল থিমের উপর সুরশুড়ি দিয়ে পেয়ে আসছেন বেশ কিছু দর্শক । তাদের সিনেমায় ভালোবাসা বলতে আবেগঘন কথাবার্তা আর থাকে কিছু মিডিওকার সেন্টিমেন্টকে টার্গেট করে সুন্দর সুন্দর ডায়ালগ , একান্নবর্তী বাঙালী পরিবারের একসাথে ভালোবেসে থাকার গল্প দেখিয়ে দর্শক আনার কিছু সস্তা গিমিক । যদি মৈনাক চক্রবর্তীর সিনেমার কথা বলি , তাহলে তার মধ্যে আধুনিক সমাজে সম্পর্কের বদলে যাওয়া চেহারা দেখানোর চেষ্টাকে সাধুবাদ জানাতে হয় । কিন্তু তা সম্ভব হয় না কারণ সেই সম্পর্কের চিত্রায়ণে কোনও গভীরতা &nbsp;নেই , শুধু থাকে চরিত্রগুলোর কেঠো নাটকীয় অভিনয় । যদি বিশ্ব সিনেমায় যে কোনও সাম্প্রতিক ভালোবাসার গল্প যেমন &nbsp;‘ call me by your name’&nbsp; বা ‘brooklyn’ বা যেকোনও সিনেমার কথা ধরি, তাহলে জীবনের ভালোবাসার যে নিখুত চিত্রায়ণ পাই তার সিকিভাগও পাই না এই ছবিগুলোতে । সম্পর্কের জটিলতা&nbsp; নিয়ে এবং কখনও কখনও থ্রিলারঘেঁষা ছবি বানান জনপ্রিয় পরিচালক সৃজিত চক্রবর্তী । মোটা দাগের অভিনয় , কিছু সেন্টিমেন্টে নাড়া দেওয়া গান আর মুহূর্ত আর নীচু মানের যৌন শুরশুরি দেওয়া হিউমার নিয়ে বছরের&nbsp; পর বছর ছবি বানিয়ে চলেছেন তিনি । এই পরিচালকদের ছবি দেখলে মনে হয় বাঙালীর সামাজিক জীবনে নিজেদের সাজানো গোছানো উচ্চবিত্তের দুনিয়া ছাড়া আর কোনওকিছুই তাদের মনে ধরে না । যখনই তার বাইরে কোনও শ্রেণীর মানুষকে দেখানোর চেষ্টা হয় , সে নিম্ন মধ্যবিত্তই হোক বা নিম্নবিত্ত , তাদের সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা যে পরিচালকদের &nbsp;নেই সেটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে । এই সিনেমায় ফরসা নায়িকাকে মেক আপ করিয়ে কাজের লোক সাজানো হয় , এখানে নিম্নবিত্ত মানুষজন কথা বলে একটা দো আঁশলা ভাষায় , যেটা বাঙালী মধ্যবিত্তের লোকগান গাওয়ার চেষ্টার মতই কৃত্রিম । নিম্নবিত্ত , নিম্ন মধ্যবিত্ত জীবনের দৈনিক সমস্যার কোনও প্রতিফলন নেই এই সিনেমায় , মধ্যবিত্ত জীবনের চিত্রায়ণও মোটা দাগের অভিনয় আর বছরের পর বছর যে সব সেন্টিমেন্ট বিক্রি করা হয় সেগুলোতে ভর্তি ।</p>



<p>গত দশ বছরের সামাজিক বাস্তবতার&nbsp; ন্যূনতম প্রতিফলন না থাকায় বাঙালী মূলধারার সিনেমার জনপ্রিয়তা মানুষের কাছেও কমছে – বক্স অফিস কালেকশন থেকে সেটা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে । মানুষ দৈনিক জীবনে যে সমস্ত প্রতিকূলতা বাস্তবতার সম্মুখীন হয় এই সিনেমায় তার ছোঁয়া না থাকায় সাধারণ বাঙালী দর্শক মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে এই ছবি থেকে । অথচ মৃণাল সেনের মত পরিচালক এই বাংলাতেই বছরের পর বছর সমসাময়িক জীবনের সামাজিক-রাজনৈতিক সমস্যা নিয়ে একের পর এক বিশ্বমানের ছবি বানিয়েছেন , সত্যজিৎ রায় শহরের জীবনে মধ্যবিত্ত নিম্ন মধ্যবিত্ত জীবন যাপনের সংকট নিখুঁত ভাবে তুলে ধরেছেন তার সিটি ট্রিলোজিতে , ঋত্বিক ঘটক দেশভাগের পরের ভারতীয় তথা বাঙালী জীবনের বাস্তবতা দেখিয়ে গেছেন তার ছবিতে । তপন সিনহার মত পরিচালকও সামাজিক সমস্যার দিকগুলো তুলে ধরেছেন তার ছবিতে&nbsp; । তরুণ মজুমদারের মত পরিচালক মানুষের চিত্তরঞ্জন যেমন করেছেন , তেমনই বাঙালী আটপৌড়ে জীবনের খুঁটিনাটি দক্ষতার সাথে তুলে ধরেছেন তার ছবিতে ।</p>



<p>সত্যি বলতে বাংলা সিনেমার ইন্ডাস্ট্রির  এখনকার কাঠামোয় অর্থাৎ টলিউডের ভিতর থেকে এখন সময়োপুযুগী ছবি আশা করাও বৃথা । এক প্রজন্মের প্রোডিউসাররা যখন বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে শুধুমাত্র মোটা দাগের জিনিসই ব্যবসা করবে আর তার সাথে পরিচালকরাও যখন শিল্পসত্ত্বা বন্ধক রেখে সেইরকম ছবি বানান তখন সেই ইন্ডাস্ট্রিতে সেটাই নিয়ম হয়ে ওঠে । তাই বাংলা সিনেমার ভবিষ্যৎ এখন নির্ভর করছে এখনকার নতুন প্রজন্মের ইন্ডিপেন্ডেন্ট পরিচালকদের হাতে , যারা পরিচালক হিসাবে নিজের সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা মাথায় রেখে ছবি বানাতে চায় , যারা নতুনদের নিয়ে কাজ করতে ভয় পায় না, যারা কন্টেন্ট আর ফর্ম নিয়ে পরীক্ষানীরিক্ষায় আগ্রহী , যারা বিশ্বাস করে যে কোনও ছবির মান তার সাথে রিলিজ হওয়া আগের পরের কয়েকটা ছবির সাথে তুলনা করে ঠিক হয় না , ঠিক হয় ওয়ার্ল্ড সিনেমার নিরিখে , ঠিক হয় সারা পৃথিবীতে সিনেমার শ্রেষ্ঠতম উদাহরণগুলোর সাথে তুলনায় , যারা জানে যে সামাজিক বাস্তবতা থেকে দূরে সরে যাওয়া একজন ফিল্মমেকারের আর তার ছবির মৃত্যুর সমান ।</p>



<div style="height:100px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<p><strong>অরিজিৎ কুণ্ডু</strong></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%b2%e0%a6%be/">সাম্প্রতিক সময়ের বাঙলা ছবিতে সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন কতটা?</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%b2%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
