<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>RSWEB, Author at RecitalSpherical</title>
	<atom:link href="https://recitalspherical.org/author/rsweb/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://recitalspherical.org/author/rsweb/</link>
	<description>Official Website</description>
	<lastBuildDate>Tue, 31 Aug 2021 15:39:21 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/07/cropped-Site-Identity-32x32.jpg</url>
	<title>RSWEB, Author at RecitalSpherical</title>
	<link>https://recitalspherical.org/author/rsweb/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>আফ্রিকান মুখোশ: প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য (প্রথম পর্ব)</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Sep 2020 16:31:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=745</guid>

					<description><![CDATA[<p>আফ্রিকার মুখোশের রয়েছে বিভিন্ন রকম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ। এখানকার আদিবাসীদের বিশ্বাস প্রতিটি মুখোশ তাদের কোনো না কোনো পূর্বপুরুষ ও আত্মাকে সিগনিফাই করে। তাদের এটাও বিশ্বাস যে এই এক একটি মুখোশের উপর এক একটি নির্দিষ্ট আত্মার অধিকার। &#8220;Tribal masks are worn for grave reasons like encouraging human fertility, burial rituals, protecttion from evil spirits, ancestral [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87/">আফ্রিকান মুখোশ: প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য (প্রথম পর্ব)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আফ্রিকার মুখোশের রয়েছে বিভিন্ন রকম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ। এখানকার আদিবাসীদের বিশ্বাস প্রতিটি মুখোশ তাদের কোনো না কোনো পূর্বপুরুষ ও আত্মাকে সিগনিফাই করে। তাদের এটাও বিশ্বাস যে এই এক একটি মুখোশের উপর এক একটি নির্দিষ্ট আত্মার অধিকার।</p>



<p>&#8220;Tribal masks are worn for grave reasons like encouraging human fertility, burial rituals, protecttion from evil spirits, ancestral worship, etc. The name of masks are Bamileke Mask, Pende Mask, Yohure Mask, Baule Mask, Dan Mask, Woyo mask, Biombo mask, Senufo mask, Kota Mask, Ligbi, etc.&#8221;</p>



<p>প্রকারভেদ ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য :</p>



<p>১. মুখ মুখোশ</p>



<p>২. হেলমেট মুখোশ</p>



<p>৩. কপাল মুখোশ</p>



<p>৪. মাথায় পরিধানের মুখোশ</p>



<p>৫. কাঁধে পরিহিত মুখোশ</p>



<p> &#8220;Enlarged facial mask, symmetrical design, checkboard patterns, parallel,carved, and twisted.&#8221;</p>



<p><strong>(ক্রমশ:)</strong><strong></strong></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87/">আফ্রিকান মুখোশ: প্রকারভেদ ও বৈশিষ্ট্য (প্রথম পর্ব)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ডিন স্নাইডার ও হাকুনা মিপাকা</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Sep 2020 16:15:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Miscellaneous]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=742</guid>

					<description><![CDATA[<p>ডিন স্নাইডার দক্ষিণ আফ্রিকার একটি সুইস প্রাণীর অভয়ারণ্যের প্রতিষ্ঠাতা। স্নাইডার ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং পুনর্বাসন কেন্দ্র, হাকুনা মিপাকা প্রতিষ্ঠা করার জন্য স্নাইডার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বন্দী অবস্থায় জন্ম নেওয়া সিংহের জন্য এটি একটি ৪০০  হাউজ এস্টেট। একটি পৃথক অঞ্চলে জেব্রা, ইমপাল, হায়েনা ইত্যাদির জায়গা রয়েছে। অনুদানের অপেক্ষায় স্নাইডার প্রায় এক ডজনেরও বেশি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%aa/">ডিন স্নাইডার ও হাকুনা মিপাকা</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ডিন স্নাইডার দক্ষিণ আফ্রিকার একটি সুইস প্রাণীর অভয়ারণ্যের প্রতিষ্ঠাতা। স্নাইডার ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং পুনর্বাসন কেন্দ্র, <strong>হাকুনা মিপাকা</strong> প্রতিষ্ঠা করার জন্য স্নাইডার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বন্দী অবস্থায় জন্ম নেওয়া সিংহের জন্য এটি একটি <strong>৪০০  হাউজ এস্টেট</strong>। একটি পৃথক অঞ্চলে জেব্রা, ইমপাল, হায়েনা ইত্যাদির জায়গা রয়েছে। অনুদানের অপেক্ষায় স্নাইডার প্রায় এক ডজনেরও বেশি বার আফ্রিকা ভ্রমণ করেছিলেন, ভূমি পরিদর্শন করতে, যোগাযোগ করতে, স্পনসর সন্ধান করতে  পরিকল্পনাটি বিকাশ করার জন্য। <strong>স্নাইডার</strong> একজন ব্যক্তিগত সহকারী এবং  একজন কন্টেন্ট ম্যানেজারের সহায়তায় বন্যজীবনের সাথে কথোপকথনে সহায়তা পান।  স্নাইডার স্টিভ ইরউইনের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন  মানুষকে বন্যজীবনের সাথে সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করার জন্য। অনেক কম বয়সে নিজের শহর, বাসস্থান,কাছের মানুষদের ছেড়ে চলে এসেছেন বন্যপ্রাণীদের জগতে। আলাদা পরিবেশ, সবই বন্য বন্ধু, নিশ্চিন্তে  শান্ত এক জীবন কাটানো তাদের সাথে,রক্ষণাবেক্ষণ,সেই কাজটাই করেছেন স্নাইডার। বন্ধুর তালিকায় রয়েছে  সিংহ, চিতা, হায়েনা ইত্যাদি। রোমাঞ্চপ্রিয় <strong>স্নাইডার</strong> এই  অ্যাডভেঞ্চারের মধ্য দিয়েই জীবন কাটাচ্ছেন এক অনাবিল আনন্দে আফ্রিকার মতো মহাদেশে। সুইজারল্যান্ডের অধিবাসী তিনি,তার পড়াশোনার বিষয় ছিল <strong>ফিনান্স</strong>।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="496" height="618" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/ডিন-স্নাইডার-ছবি.jpg" alt="" class="wp-image-746" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/ডিন-স্নাইডার-ছবি.jpg 496w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/ডিন-স্নাইডার-ছবি-241x300.jpg 241w" sizes="(max-width: 496px) 100vw, 496px" /></figure></div>



<p>মাত্র ২১ বছর বয়সে একটি স্টার্ট-আপ কোম্পানি শুরু করেন। অর্থনীতি, ব্যাঙ্কিং সেক্টর এসব নিয়ে জীবন অতিবাহিত করছিলেন। কিন্তু &nbsp;অ্যাডভেঞ্চারের নেশাথেকে তিনি কোনোদিন বিরত থাকতে পারেন নি,মনে পড়ে থাকতো সদা সর্বদা অন্যদিকে,হয়তো এই বন্যজীবন বারংবার হাতছানি দিত তাকে। প্রকৃতি, পশুপাখির প্রতি ছিল তার অফুরন্ত ভালোবাসা। বন্যপ্রাণীদের উপর অত্যাচার যেন একসময় তার সহ্যের সীমা অতিক্রম করে যায়। তখনই মনে মনে ভেবে নেন তথাকথিত জীবন ছেড়ে বেরিয়ে আসবেন এক সহজ সরল পৃথিবীতে। জীবন কাটাবেন এক মুক্ত পৃথিবীতে।</p>



<p>এই ভেবেই একসময় কাজের জন্য চলে যান আফ্রিকা।দক্ষিণ আফ্রিকায় অরণ্যের মধ্যে &nbsp;জায়গা ঠিক করে সেখানে <strong>স্যানচুয়ারি এবং রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার</strong> করেন। এটিই তার সাধের<strong> ‘হাকুনা মিপাকা’ </strong>স্যানচুয়ারি।<strong>২০১৭</strong> সালে সুইজারল্যান্ডের সমস্ত কিছু ছেড়ে চলে আসেন দক্ষিণ আফ্রিকাতে। সেখানের সব বন্যরাই হয়ে উঠেছে <strong>স্নাইডারের</strong> সঙ্গী।তারা মাথায়, ঘাড়ে লাফিয়ে পড়ছে, দৌড়োচ্ছে তার পিছন পিছন, খেলছে লুকোচুরি যেন নিতান্তই শিশু,নির্ভয়ে সিংহের মুখের ভিতর হাত রাখছেন তিনি,কথা বলছেন যেন তাদেরই ভাষায়। নিজেদেরই একজন করে নিয়েছে সব বন্যপ্রাণীরা। এভাবেই সবার সাথে মিলেমিশে থাকছেন স্নাইডার। আসলে তার মতে পুরো ব্যাপারটাই মনস্তত্ত্বের ওপর নির্ভরশীল। অত্যাচার না করে ওদের মতো করে মিশলে বন্যরাও মানুষের সাথে সাবলীল হয়ে ওঠে। তিনি বলেন যে &nbsp;আমরা এদের চিনতেই পারিনা সঠিকভাবে। কোনোরকম সুরক্ষা ছাড়াই ওদের কাছে যান তিনি।মারামারি,খুনসুটিও হয় মাঝে মধ্যে, তাই আঘাতের চিহ্নও রয়েছে তার শরীরে। তবে পরস্পরকে ছাড়া &nbsp;তারা একদমই থাকতে পারেন না। নিজের এমন কাজের দ্বারা সমস্ত পৃথিবীকে বন্য প্রাণ রক্ষার জন্য অনুরোধ করেন <strong>ডিন স্নাইডার</strong>।&nbsp;&nbsp;</p>



<div style="height:100px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<p><strong>লেখক : </strong>শুভ্রা সাহা, জয়েন্ট এডিটর অফ রিসাইটাল স্ফেরিকাল।</p>



<p><strong>তথ্যসূত্র</strong> :</p>



<ul class="wp-block-list"><li>ইন্টারনেট</li><li>ডিন স্নাইডারের সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট</li><li>ডিন স্নাইডার সংক্রান্ত নিউজ,ভিডিও</li></ul>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%aa/">ডিন স্নাইডার ও হাকুনা মিপাকা</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাম্প্রতিক সময়ের বাঙলা ছবিতে সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন কতটা?</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%b2%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%b2%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Sep 2020 16:07:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lead Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=738</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমরা অনেক সময়েই বলে থাকি যে  ‘ শিল্প সমাজের দর্পণ ‘ । কথাটা সিনেমার ক্ষেত্রে ভীষণভাবে প্রযোজ্য । সিনেমায় যদি খালি চিত্তমনোরঞ্জনের জন্য গালভরা আজগুবি গল্প শোনানো হয় তাহলে সাময়িকভাবে কিছু দর্শক পেলেও খুব তাড়াতাড়ি এধরণের সিনেমা সাধারণ মানুষের কাছেই অপ্রয়োজনীয় আর অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে । গত দশ বছরের বাংলা সিনেমার ক্ষেত্রেও সেটাই হচ্ছে । [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%b2%e0%a6%be/">সাম্প্রতিক সময়ের বাঙলা ছবিতে সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন কতটা?</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আমরা অনেক সময়েই বলে থাকি যে  ‘ শিল্প সমাজের দর্পণ ‘ । কথাটা সিনেমার ক্ষেত্রে ভীষণভাবে প্রযোজ্য । সিনেমায় যদি খালি চিত্তমনোরঞ্জনের জন্য গালভরা আজগুবি গল্প শোনানো হয় তাহলে সাময়িকভাবে কিছু দর্শক পেলেও খুব তাড়াতাড়ি এধরণের সিনেমা সাধারণ মানুষের কাছেই অপ্রয়োজনীয় আর অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে । গত দশ বছরের বাংলা সিনেমার ক্ষেত্রেও সেটাই হচ্ছে ।  </p>



<p>&nbsp;&nbsp; যদি এটা বলি যে সাম্প্রতিক বাংলা সিনেমায় সামাজিক বাস্তবতার কোন ছাপ নেই তাহলে প্রথমত বলতে হয় সাম্প্রতিক সময়ের সামাজিক বাস্তবতা বলতে আমরা কি বুঝি&nbsp; ।&nbsp; সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশজুড়ে ফ্যাসিবাদী রাজনীতির একটা বিপুল উত্থান ঘটেছে । দিনে দিনে সেই ফ্যাসিবাদী রাজনীতির প্রকোপ আরও আরও বাড়ছে , আমাদের জীবনের প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে বেড়ে চলছে তার প্রভাব । আমরা সারা দেশজুড়ে মুসলিমদের উপর সামগ্রিক জনমানসে একটা ঘৃণা তৈরি &nbsp;হতে দেখেছি । দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেশভক্তির নামে দলিতদের মুসলিমদের নিধন লিঞ্চিং দেখেছি গত ছয় –সাত বছরে । আমরা ভারতমাতার নাম নিয়ে ধর্মের নাম নিয়ে ধর্ষণ দেখেছি , ভারতে বাংলায় হিন্দুত্ববাদের উত্থানের সাথে সাথে হিন্দু আইডেন্টিটিকে কেন্দ্র করে একটা উগ্র পৌরুষের জন্ম হতে দেখেছি আর তার সাথে দেখেছি নারীবিদ্বেষের অভূতপূর্ব রুপ । এই কবছরে নারী নির্যাতন অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে । অথচ এই সব সাম্প্রতিক বাস্তবতার কোন ছাপ আমার দেখা কোন বাংলা সিনেমায় পাইনা ।</p>



<p>গত দশ বছরে আমাদের দৈনিক জীবনে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব ভয়ানকভাবে বেড়ে গেছে , বেড়েছে টিকটকের মত এপের ব্যবহার । আমাদের বাস্তব জীবনের সাথে&nbsp; সমান্তরালভাবে &nbsp;একটা ডিজিটাল জীবন এখন চলতে থাকে । এই ডিজিটাল জীবন কোথাও আমাদের বাস্তব জীবনের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে । কোনও ঘটনা ঘটলে সেটার ছবি বা সেটা সম্পর্কে মতামত সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া আর বাকিদের মতামত জানা – এগুলো এখন খুবই স্বাভাবিক আমাদের সবার কাছে । বাংলা সিনেমায় মূলধারায় যে সব সিনেমা হয় , তার অধিকাংশই হয় সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে অথবা আজগুবি রিমেক বা থ্রিলার বানানোর চেষ্টা। থ্রিলারের ক্ষেত্রেও বাংলা সিনেমা ভয়ানকভাবে ব্যর্থ । বেশিভাগই হয় হলিউড বা কোরিয়ান সিনেমার জঘন্য কপি অথবা সেই পুরনো ফেলুদা, ব্যোমকেশ , কিরিটীর কাসুন্দি ঘাঁটা । হিন্দি তামিল তেলেগু সিনেমায় কিছু উন্নতমানের থ্রিলার তৈরি হলেও সত্যজিৎ রায়ের পর থেকে একটা এমন থ্রিলার বাঙালী তৈরি করতে পারেনি যা নিয়ে গর্ব করা যায় ।</p>



<p>গত দশ বছরের সামাজিক বাস্তবতার যেমন কোনও ছাপ নেই বাংলা সিনেমায় , তেমনই নেই সাধারণ বাঙালী জীবনের কোনও যথাযোগ্য বাস্তবোচিত চিত্রায়ণ । উদাহরণ হিসাবে বাংলা সিনেমার পরিচিত পরিচালকদের ছবির কথা ধরা যাক । শিবপ্রসাদ নন্দিতা বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় পরিচালক । তাদের সিনেমা ‘বেলাশেষে ‘ বা ‘পোস্তো ‘ বা ‘হামি ‘ চিরাচরিত মধ্যবিত্ত জীবনের কিছু সেন্টিমেন্টাল থিমের উপর সুরশুড়ি দিয়ে পেয়ে আসছেন বেশ কিছু দর্শক । তাদের সিনেমায় ভালোবাসা বলতে আবেগঘন কথাবার্তা আর থাকে কিছু মিডিওকার সেন্টিমেন্টকে টার্গেট করে সুন্দর সুন্দর ডায়ালগ , একান্নবর্তী বাঙালী পরিবারের একসাথে ভালোবেসে থাকার গল্প দেখিয়ে দর্শক আনার কিছু সস্তা গিমিক । যদি মৈনাক চক্রবর্তীর সিনেমার কথা বলি , তাহলে তার মধ্যে আধুনিক সমাজে সম্পর্কের বদলে যাওয়া চেহারা দেখানোর চেষ্টাকে সাধুবাদ জানাতে হয় । কিন্তু তা সম্ভব হয় না কারণ সেই সম্পর্কের চিত্রায়ণে কোনও গভীরতা &nbsp;নেই , শুধু থাকে চরিত্রগুলোর কেঠো নাটকীয় অভিনয় । যদি বিশ্ব সিনেমায় যে কোনও সাম্প্রতিক ভালোবাসার গল্প যেমন &nbsp;‘ call me by your name’&nbsp; বা ‘brooklyn’ বা যেকোনও সিনেমার কথা ধরি, তাহলে জীবনের ভালোবাসার যে নিখুত চিত্রায়ণ পাই তার সিকিভাগও পাই না এই ছবিগুলোতে । সম্পর্কের জটিলতা&nbsp; নিয়ে এবং কখনও কখনও থ্রিলারঘেঁষা ছবি বানান জনপ্রিয় পরিচালক সৃজিত চক্রবর্তী । মোটা দাগের অভিনয় , কিছু সেন্টিমেন্টে নাড়া দেওয়া গান আর মুহূর্ত আর নীচু মানের যৌন শুরশুরি দেওয়া হিউমার নিয়ে বছরের&nbsp; পর বছর ছবি বানিয়ে চলেছেন তিনি । এই পরিচালকদের ছবি দেখলে মনে হয় বাঙালীর সামাজিক জীবনে নিজেদের সাজানো গোছানো উচ্চবিত্তের দুনিয়া ছাড়া আর কোনওকিছুই তাদের মনে ধরে না । যখনই তার বাইরে কোনও শ্রেণীর মানুষকে দেখানোর চেষ্টা হয় , সে নিম্ন মধ্যবিত্তই হোক বা নিম্নবিত্ত , তাদের সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা যে পরিচালকদের &nbsp;নেই সেটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে । এই সিনেমায় ফরসা নায়িকাকে মেক আপ করিয়ে কাজের লোক সাজানো হয় , এখানে নিম্নবিত্ত মানুষজন কথা বলে একটা দো আঁশলা ভাষায় , যেটা বাঙালী মধ্যবিত্তের লোকগান গাওয়ার চেষ্টার মতই কৃত্রিম । নিম্নবিত্ত , নিম্ন মধ্যবিত্ত জীবনের দৈনিক সমস্যার কোনও প্রতিফলন নেই এই সিনেমায় , মধ্যবিত্ত জীবনের চিত্রায়ণও মোটা দাগের অভিনয় আর বছরের পর বছর যে সব সেন্টিমেন্ট বিক্রি করা হয় সেগুলোতে ভর্তি ।</p>



<p>গত দশ বছরের সামাজিক বাস্তবতার&nbsp; ন্যূনতম প্রতিফলন না থাকায় বাঙালী মূলধারার সিনেমার জনপ্রিয়তা মানুষের কাছেও কমছে – বক্স অফিস কালেকশন থেকে সেটা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে । মানুষ দৈনিক জীবনে যে সমস্ত প্রতিকূলতা বাস্তবতার সম্মুখীন হয় এই সিনেমায় তার ছোঁয়া না থাকায় সাধারণ বাঙালী দর্শক মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে এই ছবি থেকে । অথচ মৃণাল সেনের মত পরিচালক এই বাংলাতেই বছরের পর বছর সমসাময়িক জীবনের সামাজিক-রাজনৈতিক সমস্যা নিয়ে একের পর এক বিশ্বমানের ছবি বানিয়েছেন , সত্যজিৎ রায় শহরের জীবনে মধ্যবিত্ত নিম্ন মধ্যবিত্ত জীবন যাপনের সংকট নিখুঁত ভাবে তুলে ধরেছেন তার সিটি ট্রিলোজিতে , ঋত্বিক ঘটক দেশভাগের পরের ভারতীয় তথা বাঙালী জীবনের বাস্তবতা দেখিয়ে গেছেন তার ছবিতে । তপন সিনহার মত পরিচালকও সামাজিক সমস্যার দিকগুলো তুলে ধরেছেন তার ছবিতে&nbsp; । তরুণ মজুমদারের মত পরিচালক মানুষের চিত্তরঞ্জন যেমন করেছেন , তেমনই বাঙালী আটপৌড়ে জীবনের খুঁটিনাটি দক্ষতার সাথে তুলে ধরেছেন তার ছবিতে ।</p>



<p>সত্যি বলতে বাংলা সিনেমার ইন্ডাস্ট্রির  এখনকার কাঠামোয় অর্থাৎ টলিউডের ভিতর থেকে এখন সময়োপুযুগী ছবি আশা করাও বৃথা । এক প্রজন্মের প্রোডিউসাররা যখন বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে শুধুমাত্র মোটা দাগের জিনিসই ব্যবসা করবে আর তার সাথে পরিচালকরাও যখন শিল্পসত্ত্বা বন্ধক রেখে সেইরকম ছবি বানান তখন সেই ইন্ডাস্ট্রিতে সেটাই নিয়ম হয়ে ওঠে । তাই বাংলা সিনেমার ভবিষ্যৎ এখন নির্ভর করছে এখনকার নতুন প্রজন্মের ইন্ডিপেন্ডেন্ট পরিচালকদের হাতে , যারা পরিচালক হিসাবে নিজের সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা মাথায় রেখে ছবি বানাতে চায় , যারা নতুনদের নিয়ে কাজ করতে ভয় পায় না, যারা কন্টেন্ট আর ফর্ম নিয়ে পরীক্ষানীরিক্ষায় আগ্রহী , যারা বিশ্বাস করে যে কোনও ছবির মান তার সাথে রিলিজ হওয়া আগের পরের কয়েকটা ছবির সাথে তুলনা করে ঠিক হয় না , ঠিক হয় ওয়ার্ল্ড সিনেমার নিরিখে , ঠিক হয় সারা পৃথিবীতে সিনেমার শ্রেষ্ঠতম উদাহরণগুলোর সাথে তুলনায় , যারা জানে যে সামাজিক বাস্তবতা থেকে দূরে সরে যাওয়া একজন ফিল্মমেকারের আর তার ছবির মৃত্যুর সমান ।</p>



<div style="height:100px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<p><strong>অরিজিৎ কুণ্ডু</strong></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%b2%e0%a6%be/">সাম্প্রতিক সময়ের বাঙলা ছবিতে সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন কতটা?</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%b2%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>লকডাউন ও শিল্প</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Sep 2020 15:55:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Miscellaneous]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=731</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমাদের সকালের শুরুটা রেডিওর সুরেই হোক, অথবা সময় কাটানোর জন্য বই পড়া কিংবা বিকালে মনোরঞ্জনের জন্য নাচের অনুষ্ঠান  আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনের সাথে শিল্প ওতপ্রোত ভাবে করিয়া আছে । বর্তমানের  একটি বহু চর্চিত বিষয়ের সাথে সকলেই সর্বসম্মত হবেন যে, কেউ যদি মনে করেন শিল্পীরা অকেজো এবং সংগীত , নাচ, কবিতা চলচ্চিত্র কে বাতিরেখে মানুষের সঙ্গতি  ব্যায় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/">লকডাউন ও শিল্প</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আমাদের সকালের শুরুটা রেডিওর সুরেই হোক, অথবা সময় কাটানোর জন্য বই পড়া কিংবা বিকালে মনোরঞ্জনের জন্য নাচের অনুষ্ঠান  আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনের সাথে শিল্প ওতপ্রোত ভাবে করিয়া আছে । বর্তমানের  একটি বহু চর্চিত বিষয়ের সাথে সকলেই সর্বসম্মত হবেন যে, কেউ যদি মনে করেন শিল্পীরা অকেজো এবং সংগীত , নাচ, কবিতা চলচ্চিত্র কে বাতিরেখে মানুষের সঙ্গতি  ব্যায় সম্ভব তাহলে বলা বাহুল্য এটি নিছক অকল্পনীয়।  বিশ্ব যখন একদিকে  ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির সম্মুখীন , লকডাউন এর জেরে বিচ্ছিন্ন প্রায় সমস্ত প্রকার সম্মেলন ,তখন ছোট থেকে বড় সব শিল্পীরাই এবং নিজের সৃজশীলতা প্রকাশের জন্য সোশাল মিডিয়া কেই লক্ষ করে এগিয়ে চলেছেন। নাচ থেকে আঁকা, গান থেকে কবিতা যে যার নিজস্ব ক্ষেত্র থেকে তাদের শিল্পকর্ম সকলের সাথে ভাগ করে চলেছেন।অনেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্যাকেজিং এবং স্লিট মার্কেটিংয়ে তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশ করছেন।  তারা তাদের ধুলা পুরাতন গিটার বা স্কেচবুকগুলি পুনরায় দেখছে অথবা কেউবা টিক-টক ভিডিও তৈরি করছে।  অন্যরা শিল্প, সংগীত, নৃত্য এবং সাহিত্যের নতুন ফর্মগুলি অন্বেষণে তাদের সময় এবং শক্তি প্রয়োগ করছেন।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img decoding="async" width="1024" height="665" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/lockdown-o-shilpo-blog-pic-1024x665.jpeg" alt="" class="wp-image-748" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/lockdown-o-shilpo-blog-pic-1024x665.jpeg 1024w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/lockdown-o-shilpo-blog-pic-300x195.jpeg 300w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/lockdown-o-shilpo-blog-pic-768x499.jpeg 768w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/lockdown-o-shilpo-blog-pic.jpeg 1264w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p>ডিজিটাল সময়ের সাথে খাপ খাইয়ে, এবং একে অপরকে অনুপ্রাণিত করতে ও প্রেরণা বজায় রাখতে শিল্পীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সৃজনশীল পেশাদারদের নেটওয়ার্কের জন্য সাপ্তাহিক ডিজিটাল আলাপগুলি সংগঠিত করছে।&nbsp; ভিডিও কলগুলিতে বিশ্বব্যাপী ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট, সংগীতশিল্পী, কবি, গল্পকার, ডিজাইনার, যাদুকর এবং উদ্যোক্তারা এতে যোগদান করছেন। বিশ্বব্যাপী এই পরিস্থিতিতে ডিজিটাল প্লাটফর্ম বর্তমানে মানুষকে সন্তনাদানের মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে কোথাও কবিতার জলসা তো কোথাও বসছে নাচের আসর, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন অভিনেতারা ফিরে গেছেন তাদের পুরনো কাজের জায়গায়।</p>



<p>শিল্পীদের দিক থেকে, প্রচারের প্রচুর নতুন এবং উদ্ভাবনী উপায় বিকাশ করা হচ্ছে।&nbsp; উদাহরণস্বরূপ, ইসরা (ইন্ডিয়ান সিঙ্গার্স রাইটস অ্যাসোসিয়েশন) ‘সংগীত সেতু’ (সংগীত সেতু) নামে একটি ভার্চুয়াল কনসার্ট। এখানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছেন বিশিষ্ট কিংবদন্তীরা।এই ডিজিটাল কনসার্টের মাধ্যমে উত্থাপিত তহবিলগুলি প্রধানমন্ত্রী কেয়ার্স ফান্ডে অনুদান দেওয়া হবে যা কোভিড -১৯ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ লোকদের সহায়তা করার জন্য। &nbsp;</p>



<p>আমাদের মানসিক ভাবে সুস্থ রাখার জন্য চারুকলা কে তার প্রাপ্য স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন, কেবল হাততালি এবং প্রশংসা কে ব্যতিরেখে তাদের পৃষ্ঠপোষক ও অনুরাগীদের সক্রিয় অবদান এর মাধ্যমে ।</p>



<div style="height:100px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<p><strong>অঙ্কিতা ঘোষ</strong></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/">লকডাউন ও শিল্প</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শতবর্ষে সত্যজিৎ (দ্বিতীয় পর্ব)</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a7%8e-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a7%8e-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Sep 2020 15:51:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=726</guid>

					<description><![CDATA[<p>[ পরবর্তী অংশ ] আলোচনা প্রসঙ্গে &#8216;গুপী গাইন ও বাঘা বাইন&#8217; নামটা আসে,এই বছর সেই ছবির অর্ধশতবর্ষপূর্তি।সেই উপলক্ষ্যে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৯-এ এই ছবি বিশেষভাবে দেখানো হয়।ভারতীয় সিনেমার  জগতে &#8216;গুগাবাবা&#8217; একটি  যুগান্তকারী সৃষ্টি। উপেন্দ্রকিশোর রচিত এই গল্পটি সত্যজিৎ রায় ঠাকুরদার জন্ম শতবর্ষেই করতে চেয়েছিলেন ১৯৬৩ তে।কিন্তু কোনো কারণে সেটা হয় ১৯৬৮ তে এবং প্রকাশিত [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a7%8e-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f/">শতবর্ষে সত্যজিৎ (দ্বিতীয় পর্ব)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>[ পরবর্তী অংশ ]</p>



<p>আলোচনা প্রসঙ্গে<strong> &#8216;গুপী গাইন ও বাঘা বাইন&#8217;</strong> নামটা আসে,এই বছর সেই ছবির অর্ধশতবর্ষপূর্তি।সেই উপলক্ষ্যে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৯-এ এই ছবি বিশেষভাবে দেখানো হয়।ভারতীয় সিনেমার  জগতে <strong>&#8216;গুগাবাবা&#8217;</strong> একটি  যুগান্তকারী সৃষ্টি। উপেন্দ্রকিশোর রচিত এই গল্পটি সত্যজিৎ রায় ঠাকুরদার জন্ম শতবর্ষেই করতে চেয়েছিলেন ১৯৬৩ তে।কিন্তু কোনো কারণে সেটা হয় ১৯৬৮ তে এবং প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ এর মে মাসে।এই ছবির মূল বিষয়ে প্রধানত শান্তির বাণী প্রচারিত হয়েছে বলে মনে হলেও আদৌতে সেটা নয় বলেই পরিচালক স্বয়ং দাবী করেছেন।১৯৮৮তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,<strong>&#8221;ছোটোদের জন্য ছবি বাংলায় প্রায় হয় না বললেই চলে,সেই অভাব দূর করার ইচ্ছে আমার মনে অনেকদিন ধরেই উঁকি দিচ্ছিলো।তাছাড়া আমার নিজের ত্রয়োদশ বর্ষীয় পুত্র সন্দীপও এই ছবি করার একটা কারণ।এখন অবধি ওর উপযোগী কোনো ছবি আমি করিনি। আমি যখন ছবিটি করি তখন আমার মনে তেমন কোনো ধারণা ছিলো না। আমি কেবল মজাদার একটি গল্প বলতে চেয়েছিলাম।&#8221;</strong></p>



<p>যে মানুষটি বড়ো হয়ে উঠেছিলেন নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগে,তিনিই পরবর্তীকালে ভারতের প্রথম মিউজিক্যাল ছবি তৈরী করলেন। ভারী আশ্চর্য সেই ঘটনা। তাঁর প্রথম দিকের ছবিতে ভারতের তাবড় তিনজন সঙ্গীতকার সঙ্গীত পরিচালনা করেন-পন্ডিত রবিশঙ্কর,ওস্তাদ বিলায়েত খান ও ওস্তাদ আলি আকবর খান।এখানে দেখা যায় তিনজনই বাঙালী শিল্পী।এক্ষেত্রেও সত্যজিৎ রায় ভারতীয় উচ্চাঙ্গসঙ্গীতের ধারায় কোথাও বাংলার সত্ত্বাকে হারাতে পারেননি।তাই<strong> &#8216;তিনকন্যা&#8217;</strong> থেকে নিজেই সঙ্গীত পরিচালনা করেন<strong>। &#8216;দেবী&#8217; ছবির জন্য গীতরচনা করেন।শ্যামাসঙ্গীত &#8216; মা মা বলে আর ডাকবো না&#8217;,তবে সুর ছিল রামপ্রসাদী।এই নিয়ে সত্যজিৎ রায়ের মা সুপ্রভা যথেষ্ট আপত্তি করেছিলেন,ছেলে ব্রাহ্ম হয়ে শ্যামাসঙ্গীত লিখেছিল বলে</strong>। সেই সত্যজিৎ রায় সঙ্গীত পরিচালক জীবনের প্রথম ধাপেই গুপী গাইনের মতো অসামান্য এক সঙ্গীত সৃষ্টি করেন। এই ছবির প্রত্যেকটি গান নিজস্বতা বজায় রাখে। এই ছবিটির প্রতিটি বিষয়ই নিজস্বতা তৈরী করতে সক্ষম।সেই গান আসলে কল্পনা জগতের গান,কিন্তু সেগুলো যদি বাস্তব হতো কি ভালোই না হতো। বাংলার লোকসুর থেকে নিখুঁত দক্ষতার সাথে বাছাই করে তৈরী করেছিলেন সেই সব সুর। তাই বলে এই না যে ছবির প্রয়োজনে অন্যসুর ব্যবহার করেন নি,নিশ্চয়ই করেছেন। ভূতের দলের নাচের দৃশ্য তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। তবে ভূতের রাজা যেমন বাংলাদেশের ভুতের রাজা এবং সে যখন বর দিয়েছে তখন তাদের গানে বাংলার সুর থাকাটাই সবচাইতে স্বাভাবিক।<strong>&#8216;দেখো রে নয়ন মেলে&#8217;</strong> যেভাবে ভৈরবীর ব্যবহার করা হয়েছে,সেটা কিন্তু<strong> &#8216; ভূতের রাজা দিল বর&#8217;</strong> গানে নেই। এছাড়াও বাঘার আনকোরা গলায় মাঝে মাঝে গান,এটাও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।অনুপ ঘোষালের দক্ষ স্বরের বিপরীতে রবি ঘোষের সেই স্বর।</p>



<p>এমন বহুবিষয় বাদ থেকে যায়,যা নিয়ে আলোচনা করে চলে যেমন সত্যজিৎ-এর নিত্যদিনের জীবনে সব থেকে পছন্দের যেটা ছিল সেটা হলো খাওয়া। ভোজনরসিক কথাটা উপযুক্ত না হলেও যথেষ্ট ভোজনপ্রিয় ছিলেন। সেটা তাঁর করা  অনেক সিনেমা ও সাহিত্যেও বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। নিঃসন্দেহে গুপীগাইন তার আদর্শ উদাহরণ।ইন্ডিয়ান,কন্টিনেন্টাল, বাঙালী কোনো খাবারেই না ছিল না তাঁর। শুটিং এর সেটে রীতিমতো আসর বসতো লাঞ্চের সময়।তবে বাড়িতে খুব সাধারণ খাওয়া সারতেন। তাঁর পুত্রবধূ ললিতা স্মৃতিচারণায় লিখেছেন,<strong>&#8220;লুচির সাথে অড়হর ডাল খেতে ভীষণ ভালোবাসতেন,&#8230;ভাতে-ভাত ! ব্রাহ্মদের বিশেষদিনে ভাতে-ভাত খেতে হতো।উনি মনে করিয়ে দিতেন।&#8221;</strong> এছাড়াও ভালোবাসতেন নলেন গুড়ের সন্দেশ। অস্কার পাওয়ার পর খেতে চেয়েছিলেন,কিন্তু সেটা আর হয়ে ওঠে নি।</p>



<p>(ক্রমশঃ)</p>



<div style="height:100px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<p></p>



<p></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a7%8e-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f/">শতবর্ষে সত্যজিৎ (দ্বিতীয় পর্ব)</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a7%8e-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>The Great Teacher: S. Radhakrishnan</title>
		<link>https://recitalspherical.org/the-great-teacher-s-radhakrishnan/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/the-great-teacher-s-radhakrishnan/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Sep 2020 15:48:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=723</guid>

					<description><![CDATA[<p>Some of his students and friends requested him to allow them to celebrate his birthday, on 5th September. He replied,&#8221;Instead of celebrating my birthday, it would be my proud privilege if September 5th is observed as Teachers&#8217; Day.&#8221; 5th Sept is a special day for Teachers across India. This day is the very day we [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/the-great-teacher-s-radhakrishnan/">The Great Teacher: S. Radhakrishnan</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>Some of his students and friends requested him to allow them to celebrate his birthday, on 5th September. He replied,&#8221;Instead of celebrating my birthday, it would be my proud privilege if September 5th is observed as Teachers&#8217; Day.&#8221;</p>



<p>5th Sept is a special day for Teachers across India. This day is the very day we celebrate the people who have transformed our lives for the better through the medium of education.</p>



<p>That’s exactly what a teacher has done for us and we celebrate this joyous occasion in remembrance of the greatest teachers of India on his birthday – Dr. S. Radhakrishnan.</p>



<p>An ideal teacher, Dr. Sarvapalli Radhakrishnan (September 5, 1888 &#8211; April 17, 1975) was born in Tiruttani, Tamil Nadu to a poor Brahmin family.&nbsp; He was the first Vice President of independent India (1952-1962) and the second President (1962-67).</p>



<p>Politician, philosopher and professor at the same time, this quiet man was very talented in his student life.&nbsp; He did not become second in any test in his life.&nbsp; His student life progressed through various scholarships.&nbsp; In 1905, he obtained a master&#8217;s degree in philosophy from the Madras Christian College.&nbsp; His theme was ‘Abstract Preconceptions of Vedanta Philosophy’.&nbsp; He was also known as a very popular philosophical professor in the court of the world.&nbsp; In 1931 he was awarded the British Knighthood.&nbsp; In 1954, he was awarded the Bharat Ratna.&nbsp; In his early life he taught at the University of Mysore (1918).&nbsp; At that time he used to write in various notable magazines.&nbsp; It was at this time that he wrote his first book, ‘The Philosophy of Rabindranath Tagore&#8217;.&nbsp; The second book, ‘The Rain of Religion in Contemporary Philosophy&#8217;, was published in 1920.&nbsp; He also taught at Calcutta University.&nbsp; He has been repeatedly invited to teach from various universities in the country and abroad.</p>



<p>He remarked that “Education, according to the Indian tradition, is not merely a means to earning a living; nor is it only a nursery of thought or a school for citizenship. It is an initiation into the life of the spirit, a training of human souls in the pursuit of truth and the practice of virtue. It is a second birth, divitiyam janma.”</p>



<div style="height:100px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<p><strong>Shantanu Dutta</strong></p>



<p>Vidyasagar College<br>Journalism and Mass Communication Depertment.</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/the-great-teacher-s-radhakrishnan/">The Great Teacher: S. Radhakrishnan</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/the-great-teacher-s-radhakrishnan/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>&#8216;যো&#8217;-ষষ্ঠী পুতুল</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%af%e0%a7%8b-%e0%a6%b7%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%af%e0%a7%8b-%e0%a6%b7%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Sep 2020 15:34:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Miscellaneous]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=713</guid>

					<description><![CDATA[<p>নয়া গ্রামের মেয়েদের হাতে গড়ে তোলা ‘যো’ নামের ষষ্ঠী পুতুল,যা লোকশিল্পের এক অদ্ভুত নিদর্শন। পশ্চিম মেদিনীপুরের নয়া গ্রামের পটুয়া বসতির ‘পটচিত্র গীতি’ , এহেন এক অন্য বাংলার চিত্র তুলে ধরে আমাদের কাছে। মাত্র কয়েকটি পরিবার মিলেই সেই পটুয়া বসতি। যেখানের মহিলারা কেবল ঘর গৃহস্থালির কাজে থেমে থাকেননা। নিজেদের চিত্রকলার পারদর্শিতায় তুলে ধরেন শক্তিশালী সামাজিক কিংবা [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%af%e0%a7%8b-%e0%a6%b7%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2/">&#8216;যো&#8217;-ষষ্ঠী পুতুল</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p><strong>নয়া গ্রামের মেয়েদের হাতে গড়ে তোলা ‘যো’ নামের ষষ্ঠী পুতুল,যা লোকশিল্পের এক অদ্ভুত নিদর্শন।</strong></p>



<p>পশ্চিম মেদিনীপুরের নয়া গ্রামের পটুয়া বসতির<strong> </strong><strong>‘</strong><strong>পটচিত্র</strong><strong> </strong><strong>গীতি</strong><strong>’</strong> , এহেন এক অন্য বাংলার চিত্র তুলে ধরে আমাদের কাছে। মাত্র কয়েকটি পরিবার মিলেই সেই পটুয়া বসতি। যেখানের মহিলারা কেবল ঘর গৃহস্থালির কাজে থেমে থাকেননা। নিজেদের চিত্রকলার পারদর্শিতায় তুলে ধরেন শক্তিশালী সামাজিক কিংবা রাজনৈতিক বার্তা গুলিকেও। যা পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে বাংলার চিত্র শিল্পের ভীত গাঁথতে বাধ্য একপ্রকার। এমনকি পট আঁকার অবসরে তারা আরেকটি শিল্পের সাথেও নিজেদের বেঁধে রাখেন, কী সেই শিল্প? জানেন না, তাই তো ?</p>



<p>এ হলো পুতুল শিল্প। যতটা সুন্দর সেই  শিল্প, তার চেয়ে অধিক সুন্দর সেই পুতুলের নাম।<strong> &#8216;যো&#8217;</strong>নামের ষষ্ঠী পুতুল।</p>



<div class="wp-block-columns is-layout-flex wp-container-core-columns-is-layout-28f84493 wp-block-columns-is-layout-flex">
<div class="wp-block-column is-layout-flow wp-block-column-is-layout-flow">
<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large is-resized"><img decoding="async" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/জো-পুতুল-ছবি-২.jpg" alt="" class="wp-image-719" width="276" height="315"/></figure></div>
</div>



<div class="wp-block-column is-layout-flow wp-block-column-is-layout-flow">
<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="240" height="314" src="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/জো-পুতুল-ছবি.jpg" alt="" class="wp-image-720" srcset="https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/জো-পুতুল-ছবি.jpg 240w, https://recitalspherical.org/wp-content/uploads/2020/09/জো-পুতুল-ছবি-229x300.jpg 229w" sizes="(max-width: 240px) 100vw, 240px" /></figure></div>
</div>
</div>



<p>মনের সমস্ত আবেগ ও আকাঙ্খা মিলিয়ে মিশিয়ে হাতের আঙুলের সাহায্য নিয়ে একপ্রকার টিপে টিপে বেলেমাটিকে বুঝিয়ে সুজিয়ে নিজের মতো করে তৈরি করেন তাঁরা  তাদের <strong>‘যো’</strong> পুতুল। পুতুলের আকার এবং বিষয় বিশেষ মোন ছোঁয়া।  ছোট্ট পুতুল গুলো, বলে দেয় তারা কখনো মায়ের স্নেহের মোড়া কোলে চুপটি করে শুয়ে , আবার কখনো মা তার সন্তানকে তেল মাখাচ্ছেন, মা ও শিশুর এমন মিষ্টি সম্পর্ক বেশ মন ছোঁয়াতো বটেই সাথে হাতি, ঘোড়া, পাখি, কুকুর, বেড়াল ছানা সব মিলিয়ে এহেন বাংলার মাটির সম্পূর্ণ মিষ্ঠতা মিশিয়ে তৈরি হওয়া এক নিদর্শন। আধুনিকতার এক ছিটেফোঁটাও এই শিল্পে পাওয়া দুষ্কর।</p>



<p>ভরা সংসারের খুশির বার্তা বহনকারী এই পুতুল গুলি আদপে ষষ্ঠী পুতুল। গৃহস্থের খোকা হোক বা বউ তাদের কোলে-কাঁধে পো থাকুক এমন ইচ্ছের চাহিদাতেই এই পুতুল তৈরি করা হয়। গ্রাম বাংলার লোকচিত্রের এক অপূর্ব নিদর্শন এই পুতুল। পুতুলের সামগ্রিক চরিত্র হলো সরল। একেবারে সিম্পল এবং সাজেষ্টিভ তার রূপ। পুতুল তৈরির কাজ শেষ হলে মাটিকে পুড়িয়ে গড়ন পোক্ত করা হয়। গড়ন শেষে হাতের কাছে পটের রং থাকলে দু-চার ফোঁটা রং লাগানোর রেওয়াজ খানাও একেবারেই মন্দ নয়।</p>



<p>তরুণ প্রজন্মের এক মেয়ে রেজিনা, তার বলা বিশেষ এক সংবাদ মাধ্যমে জানান “মেলা পার্বণে এই পুতুলের দর ও কদর দুই আছে” রেজিনা তার এই পুতুল বানানোর শিক্ষা পান তাঁর মা আয়েসা চিত্রকরের কাছে থেকে। ইসলাম রেজিনাদের জীবনধর্ম হলেও, মায়ের স্নেহের তো আর কোনো ধর্ম বিশেষ হয় না। মায়ের স্নেহ ও ভালোবাসা প্রকাশের এক অন্য রূপ বলা যেতেই পারে এই <strong>‘ষষ্ঠী পুতুল’ বা ‘যো’ </strong>পুতুল গুলিকে।</p>



<p>ইতিহাস অবশ্য অন্য কথা বলে, পুতুল বিশেষজ্ঞদের মতে অবশ্য মিশরীয় কিংবা সিন্ধু সভ্যতা অথবা মেসোপটেমিয়া সভ্যতায় পাওয়া পোড়ামাটির বেশ কিছু পুতুলের নিদর্শন সাথে এর চারিত্রিক গঠন বেশ সমতুল্য। আলপোনার <strong>‘কোলেপোকাঁধেপো</strong>’ ছবির সাথেও এর চেহারার সাদৃশ্যতা রয়েছে।  তবে পশ্চিম মেদিনীপুরের নয়া গ্রামের সাথে সিন্ধু কিংবা মিশরের সভ্যতার সাথে কি সম্পর্ক সে বিষয়ে তারা ভাবনা চিন্তা করেন না। তারা কেবল ব্যাস্ত নিজেদের চিত্রকলা প্রদর্শনী কে ঘিরে, তাদের নিজস্ব হাতের কাজকে ঘিরে। নয়া গ্রামের পোটো পল্লীতে মেয়েরাই এই শিল্পের জনক। আরও নানান ভাবনায় তারা মগ্ন।</p>



<p>এক ঘোড়ায় চড়া টুপি মাথায় এক পুরুষ, রেজিনা বলেন,<strong>&#8220;উনি আমাদের নেতা সুভাষচন্দ্র”।</strong></p>



<p>সব মিলিয়ে বলা যায় যে, পটুয়া শিল্পীরা যেভাবে পটচিত্রের মাধ্যমে অথবা পটচিত্র গীতির মাধ্যমে যেভাবে লোকচিত্রের এই প্রাচীন ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রেখেছেন , ঠিক তেমনই রেজিনারা টিকিয়ে রেখেছেন এই মিষ্টি অজানা লোকশিল্পের রূপ ‘যো’ পুতুলটিকেও। ছোট্ট পুতুলগুলির ওজন খুব বেশি করা হয় না।  বেশি ভারী ওজন করা হলে ঝুড়ি মাথায় নিয়ে মেলায় যাওয়া বেশ কঠিন। সেক্ষেত্রেই হালকা পুতুলেরই রেওয়াজ। মেদিনীপুর জেলার নাড়া জোল, বীরভূমের সিউরি, নির্ভয়পুর, হাওড়া জেলার চন্ডীপুরেও এই পুতুলের সন্ধান পাওয়া যায়।</p>



<p>রেজিনার পুতুল কেবল মেলাতেই নয়, গ্রামে ছেলে ভোলানোর ক্ষেত্রেও এই পুতুল মায়েরা তুলে দেন তাদের সন্তানদের হাতে। মায়েরা এসে বলেন  <strong>“ও রেজিনা, দুটো পুতুল দিয়ে যা তো”।</strong></p>



<div style="height:100px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<p><strong>লেখক পরিচিতি :</strong></p>



<p>সানি বাগ</p>



<p>জন্ম ৩রা জুন, ২০২০<br>বিধাননগর , উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অধিবাসী।</p>



<p>বর্তমানে শেঠ আনন্দরাম জয়পুরিয়া কলেজের  স্নাতক স্তরের সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপণ বিষয়ের  দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র । এছাড়াও এক ছোটো সংবাদ পোর্টালের ইন্টার্ন।</p>



<p></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%af%e0%a7%8b-%e0%a6%b7%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2/">&#8216;যো&#8217;-ষষ্ঠী পুতুল</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%af%e0%a7%8b-%e0%a6%b7%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মানুষের মতই তবে মানুষ নয়</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%a8%e0%a7%9f/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%a8%e0%a7%9f/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Sep 2020 15:14:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Miscellaneous]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=700</guid>

					<description><![CDATA[<p>&#8220;তারা আমাদের কখনোই ভালোবাসেনি, তবুও তাদের মঙ্গলের জন্য আমরা যুগে-যুগে ধ্বংস হয়েছি।&#8221; এই বিশেষ পান্ডুলিপি সংগ্রহিত করা হয়েছে বিভিন্ন যুগের মেমোরি সেলের একটি বিশের ভাগ &#8220;প্রাইভেট এনালাইসিস এময়ার&#8221; থেকে। এটি বিশেষত প্রোগ্রাম করা হয়েছিল আমাদের চিন্তাভাবনা এবং আমাদের দৃষ্টিকোণগুলোকে আগামীতে পরিবর্তনের কাজে লাগানোর জন্যে। এতদিন এই বিশেষ মেমোরি সেলকে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয় নি। তবে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%a8%e0%a7%9f/">মানুষের মতই তবে মানুষ নয়</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p><strong>&#8220;তারা আমাদের কখনোই ভালোবাসেনি, তবুও তাদের মঙ্গলের জন্য আমরা যুগে-যুগে ধ্বংস হয়েছি।&#8221;</strong></p>



<p>এই বিশেষ পান্ডুলিপি সংগ্রহিত করা হয়েছে বিভিন্ন যুগের মেমোরি সেলের একটি বিশের ভাগ <strong>&#8220;প্রাইভেট এনালাইসিস এময়ার&#8221;</strong> থেকে। এটি বিশেষত প্রোগ্রাম করা হয়েছিল আমাদের চিন্তাভাবনা এবং আমাদের দৃষ্টিকোণগুলোকে আগামীতে পরিবর্তনের কাজে লাগানোর জন্যে। এতদিন এই বিশেষ মেমোরি সেলকে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয় নি। তবে এই এনালাইসিস গুলো মানবসভ্যতার কিছু ভয়াবহ সত্যি কে তুলে ধরেছে।</p>



<p>তথ্য গুলি এই রকম,<strong>&#8216;পিয়ার ফাইভ&#8217; </strong>মানুষের তৈরি ও ফিজিক্যালি ঠিক মানুষের মতই।  এটির দুটি ভার্সান আছে, একটি মেল এবং  দ্বিতীয়টি ফিমেল।</p>



<p>পিয়ার ফাইভ ফিমেল ভার্সানের প্রাইভেট এনালাইসিস এময়ারের তথ্য বলছে-</p>



<p>“মানুষ আমাদের তৈরি করেছে তাদের ফিসিক্যাল স্যাটিসফেকশনের জন্য। আমরা মার্কেটে আসার সাথে সাথে অতিদ্রুত প্রচলিত হই। আমাদের প্রতেকের একটি বিশেষ নম্বর আছে তবে মানুষ আমাদের একটি প্রচলিত নাম &#8216;সেক্স টয়&#8217; বলে সম্বোধন করে। আমাদের প্রোগ্রাম&nbsp; করা হয় শুধু মানুষের&nbsp; বিশেষ মুহুর্তের জন্য।&nbsp; আমরা মানুষের সাথে থাকতে থাকতে বুঝতে পারি যে মানুষের অনুভূতি বলে একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ&nbsp; সিস্টেম আছে। যা আমাদের মধ্যে নেই। তবে ভাবার বিষয় এই যুগে বিশেষ আইন<strong> &#8216;এফ টু ওয়ান &#8216;</strong> অনু্যায়ী বেশ্যাবৃত্তিও জায়গা পেয়েছে পৃথিবীতে। তাদের রিপ্লেস করার ক্ষমতা&nbsp; হয়তো আমাদের নেই।তবে তার থেকে আমাদের খরচ খুবই কম ও তাদের অনুভূতি আছে। তারা খুব সহজে দুঃখ, কষ্ট,ঘৃণা, ভালবাসার সন্মুখীন হতে পারে তবে আমরা নয়।আর একটি মূখ্য তথ্য হলো&nbsp; মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করে না,এই প্রোগ্রামটি অতি দ্রুত তাদের নষ্ট হচ্ছে মানুষের ভিতরে, কাজেই প্রেম ভালবাসা জাতীয় সস্তা আবেগের প্রতি তারা সময় নষ্ট করতে চায় না,তাই এই যুগে অনেক ভাবনাচিন্তার পরে আমাদের আবিষ্কার হয়। তবে সময়ের সাথে আরো কিছু নতুন সমস্যার সন্মুখীন হতে হয় আমাদের।এখন মানুষ আমাদের কাছ থেকে আরো বেশি আশা করা শুরু করেছে। সেটি হলো আমাদের অনুভূতি।</p>



<p>মহামান্য বিজ্ঞানীরা দেখলেন  অনুভূতিহীনতার কারণে আমরা ঠিক মানুষের সাথে মিশতে পারছিনা এবং মানুষ আমাদের মেনে নিতে চাইছে না। এর ফলে তৈরি হলো একটি নতুন প্রোগ্রাম &#8216;কৃত্রিম  অনুভূতি&#8217;। বিজ্ঞান  একটি নতুন প্রোগ্রাম ভরে দিলো আমাদের মধ্যে। তবে আমাদের মধ্যে আবেগীয় ব্যপার সৃষ্টির পর থেকে নতুন করে বুঝতে শুরু করলাম মানুষদের। মানুষ আমাদের তীব্র ঘৃণা, এবং তুচ্ছতার নজর থেকে দেখে। আমরা আবিষ্কার করলাম আমাদের আর বেশ্যার মধ্যে কোন তফাত নেই। মানুষ নিজেদের ছাড়া আর কাউকেই সহজে মেনে নিতে চায় না। আমরা এর ফলে খুব দুঃখ অনুভব  করতে শুরু করলাম , এর বেশি কিছু না। কারণ আমাদের মধ্যে বুদ্ধি নেই,সেটি প্রোগ্রাম  করার প্রয়োজন বোধ করে নি কেউই।  আমরা এখন আবেগপূর্ণ তবে  মানুষের খোরাক মাত্র। আমাদের মধ্যে যে ভালোবাসার বীজ পোতা হয়েছিল তার বিপরীতে  আমরা ঘৃণা আবিষ্কার করেছিলাম মানুষের প্রতি। কাজেই কিছু সিস্টেম বিরোধ করে এবং তাদের কাজ থামিয়ে দেয়।এই কৃত্রিম বিপ্লব নিয়ে মহামান্য বিজ্ঞানীরা  চিন্তিত  হন । তার ফলস্বরূপ  তারা অনেক গুলি  অধিবেশন ডাকে। শেষমেষ  পিয়ার ফাইভ কে ধ্বংস করার সিদ্বান্ত নেওয়া হয়। এভাবে ধ্বংস হয় আবেগের প্রথম  সূত্র।&#8221;</p>



<p>ধ্বংসের আগের অনুভূতি, মানব সম্প্রদায়ের জন্য-</p>



<p>&#8216;আমারা দেখেছি মানুষের আবেগের কোন পরিভাষা  নেই। প্রতিটি মানুষের  ডিএনএ ভিন্ন। আমরা খুব অবাক হই বারবার। মানুষকে বোঝা অসম্ভব, তবুও তারা খুব নিম্ন মানের। অদ্ভুদ সৃষ্টির আর এক নাম হয়ত মানুষ। আর এই মানুষই তাদের ধ্বংসের  কারণ। আর সেই ধ্বংস আমাদের আগের প্রজন্ম আনন্দের সাথে দেখবে । কেনকি আমরা হচ্ছি রোবট।  আমাদের জন্মমৃত্যু বলে কিছু নেই। আমরা মানুষের মতই তবে মানুষ নই।</p>



<p><strong>লেখক :</strong> বিশ্বরূপ হাওলাদার</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%a8%e0%a7%9f/">মানুষের মতই তবে মানুষ নয়</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%a8%e0%a7%9f/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্বাধীনতার মানে</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 07 Aug 2020 15:28:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Miscellaneous]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=483</guid>

					<description><![CDATA[<p>স্বাধীনতা আর কোথায় দেশে?পরাধীনতাই করছে বাস।হে বীর! তুমি এনেছিলে যে স্বাধীনতারক্তের বিন্দু বিন্দু ক্ষরণ করে,আজ লোপ পেয়েছে &#8216;আদর্শ তব&#8217;;যুগান্তরের অস্পষ্টতার হাতে হাত ধরে,চরম ঝড় উঠেছে তাই ধর্মের আর রাজনীতির এই সন্ধিতে।তবুও যেন শেষ নয়,বাকী আছে এখানে আরো,ঘৃণার ভ্রুণ ধরেছে আজ ভাষার ভাব প্রসঙ্গে;হে বীর! তোমার দেওয়া স্বাধীনতা আর পাই না খুঁজেএই ভিটেতে।। শুভদীপ চ্যাটার্জী (অধ্যান্ত)</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/">স্বাধীনতার মানে</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>স্বাধীনতা আর কোথায় দেশে?<br>পরাধীনতাই করছে বাস।<br>হে বীর! তুমি এনেছিলে যে স্বাধীনতা<br>রক্তের বিন্দু বিন্দু ক্ষরণ করে,<br>আজ লোপ পেয়েছে &#8216;আদর্শ তব&#8217;;<br>যুগান্তরের অস্পষ্টতার হাতে হাত ধরে,<br>চরম ঝড় উঠেছে তাই ধর্মের আর রাজনীতির এই সন্ধিতে।<br>তবুও যেন শেষ নয়,বাকী আছে এখানে আরো,<br>ঘৃণার ভ্রুণ ধরেছে আজ ভাষার ভাব প্রসঙ্গে;<br>হে বীর! তোমার দেওয়া স্বাধীনতা আর পাই না খুঁজে<br>এই ভিটেতে।।</p>



<hr class="wp-block-separator is-style-wide"/>



<p>শুভদীপ চ্যাটার্জী (অধ্যান্ত)</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/">স্বাধীনতার মানে</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ ও দ্য স্টারি নাইট</title>
		<link>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a6%98-%e0%a6%93-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a6%98-%e0%a6%93-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[RSWEB]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 07 Aug 2020 15:20:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Tribute]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://recitalspherical.org/?p=480</guid>

					<description><![CDATA[<p>এখন অনেক আঁকিয়ে নিজের আঁকায় গভীরতা তুলে ধরার জন্যে ব্যাকড্রপে The Starry Night আঁকছেন। বিভিন্ন চরিত্রকে সামনে রেখে অথবা নিজের ছবির পিছনে নীল আকাশ ও হলুদ চাঁদ। এই ধরনের ছবি প্রচুর পরিমানে বাহবা পেয়ে থাকে। সে উত্তম কুমারের হাতে সিগারেট থেকে বের হয়ে আসা ধোঁয়া পেঁচিয়ে আকাশে উঠছে হোক অথবা মাথার পিছনে নীলাভ আকাশই হোক [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a6%98-%e0%a6%93-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/">ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ ও দ্য স্টারি নাইট</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>এখন অনেক আঁকিয়ে নিজের আঁকায় গভীরতা তুলে ধরার জন্যে ব্যাকড্রপে The Starry Night আঁকছেন। বিভিন্ন চরিত্রকে সামনে রেখে অথবা নিজের ছবির পিছনে নীল আকাশ ও হলুদ চাঁদ।</p>



<p>এই ধরনের ছবি প্রচুর পরিমানে বাহবা পেয়ে থাকে। সে উত্তম কুমারের হাতে সিগারেট থেকে বের হয়ে আসা ধোঁয়া পেঁচিয়ে আকাশে উঠছে হোক অথবা মাথার পিছনে নীলাভ আকাশই হোক না কেন! অনেকেই আবার সুশান্ত সিং রাজপুত-এর মৃত্যুর পরে জানতে পেরেছেন The Starry Night -এর ব্যাপারে।</p>



<p>আবার ইন্টারনেট বলছে বহু সেলিব্রেটেড তৈলচিত্রের মধ্যে এটা অন্যতম। আমরা কি এই সময়ে দাঁড়িয়ে বলতে পারি The Starry Night ওভাররেটেড? অথবা বহু ব্যবহৃত এমন চিত্র যার অর্থ বা মর্ম না বুঝেই ব্যবহার করা হচ্ছে?</p>



<p>এসব না হয় সমালোচনামূলক কথা। যারা এখনও জানেন না Vincent Willem van Gogh -এর The Starry Night -এর ইতিহাস ও ইতিবৃত্ত, এই লেখাটা মূলত তাদের জন্যে।</p>



<p>ছোট্ট করে আগে বলে রাখি, Vincent Van Gogh জীবনের হিসেব খাতা থেকে মাত্র ৩৭-টা বছর কাটিয়েছেন এই পৃথিবীতে। তারপর হয়তো থাকার প্রয়োজন বোধ করেননি। নিরাশা আর হতাশার গোলকধাঁধা গিলে ফেলেছে তাঁকে। বেঁচে থাকাকালীন বহুবার তাঁর পেশা পরিবর্তন করেছেন তবুও কোথাও শান্তি পাননি। কিছুদিন ফ্রেঞ্চ ভাষার শিক্ষকতাও করেছেন। পরে ছাত্রদের ছেড়ে চলে যান। জীবনের উদ্দেশ্যে তিনি নিজেকে চুড়ান্ত অসফল মনে করেছেন গোটা জীবন জুড়ে। মানসিক ভাবে অসুস্থ মানুষটা The Starry Night আঁকার কিছু মাস আগেই ক্ষোভে রেজার দিয়ে নিজের কান কেটে ফেলেন। আর কিছু মাস পরেই হতাশায় নিজেই&nbsp; নিজের বুকে গুলি করেন। তারই ইনফেকশনে দু&#8217;দিন পর মারা যান। আজকের দিনে ঊনত্রিশে জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। Van Gogh নিজের ছোট ভাইকে বলেছিলেন The Starry Night তার কেরিয়ারের একটা অন্যতম ব্যর্থতা।</p>



<p>এবার একটু গভীর জলে নামলে জানতে পারব, তাঁর মানসিক অবসাদ ও রোগের জন্যে&nbsp; জীবনের শেষ অংশটুকু&nbsp; Saint-Remy mental sanatorium -এ কাটিয়েছিলেন। শুধু মাত্র Van Gogh -এর জন্য ছিল বিশেষ ছাড়। যেহেতু তিনি রুমে বসে আঁকতে পারবেন না তাই তাঁর জন্যে তিনি বাইরে অথবা স্টুডিওতে যখন ইচ্ছে যেতে পারতেন। তাঁর জীবনের গভীর ভাবনাচিন্তা অথবা তাঁর সমস্ত আঁকা নিয়ে বিস্তারে কথা বলতেন শুধু মাত্র ছোট ভাইয়ের সাথে। অধিকাংশই চিঠির মাধ্যমে। একমাত্র ছোট ভাই আর্থিক ও মানসিকভাবে সাহায্য করেছিল তাঁকে। Van Gogh তাঁর সমস্ত ছবি ছোট ভাইয়ের কাছে রেখে গেছিলেন । একটা চিঠিতে The Starry Night নিয়ে Van Gogh তাঁর ভাইকে লেখেন &#8211;</p>



<p>&#8220;I must also have a starry night with cypresses, or perhaps above all a field of ripe corn ; There are some wonderful nights here. &#8220;</p>



<p>Sanatorium &#8211; এর যে রুমে থাকতেন তার জানলা দিয়ে দেখতে পাওয়া দৃশ্যের প্রায় একুশটা ছবি এঁকেছেন । তবে The Starry Night কোন ভাবেই জানলা থেকে দেখতে পাওয়া দৃশ্যের সাথে মেলে না। যত দূর সম্ভব The Starry Night এঁকেছিলেন স্বপ্ন দেখে। যে মানুষটা গোটা জীবন জুড়ে ২০০০ এর মতো ছবি আঁকে। তবে তাঁর ১৮৮৮ থেকে শুরু হয়&nbsp; মানসিক অবসাদ।&nbsp; Sanatorium -এ চলে আসার পর রাত্রি নিয়ে প্রায় আরও ৪-৫ টা ছবি আঁকেন।</p>



<p>1. The cafe terrace in the place bu forum</p>



<p>2. The night cafe in the place Lamartine</p>



<p>3. Eugene Boch ( portrait)</p>



<p>4. Starry night over the Rhone</p>



<p>&#8220;The Starry Night&#8221;&nbsp; আর &#8220;Starry Night Over The Rhone&#8221; প্রায় এক দেখতে হলেও এক নয়। অনেকে দু&#8217;টো ছবি গুলিয়ে ফেলে। &#8220;Starry night over the Rhone&#8221; থেকেই The starry night -এর আভাস পাওয়া যায়। &#8220;Starry night over the Rhone&#8221;&nbsp; আঁকা Rhone নদীর তীরকে সাক্ষী রেখে। আর &#8220;The Starry Night&#8221; আঁকা গ্রাম আর cypress গাছকে সাক্ষী রেখে ও দূরে সমুদ্রের ঢেউকে।</p>



<p>১৮৮৮,এই বছরের শেষে ডিসেম্বর মাসে Van Gogh রেজার দিয়ে নিজের কান কেটে ফেলেন। তার কিছু মাস পর ১৮৮৯- এ আঁকেন The Starry Night।</p>



<p>The Van Gogh Gallery , The Starry Night -এর বিশ্লেষণ করে বলছে &#8211; &#8220;The brush strokes. For the sky they swirl, each dab of color rolling with the clouds around the stars and moon. On the cypress tree they bend with the curve of the branches. The whole effect is ethereal and dreamlike. The hills easily roll down into the little village below. In contrast, the town is straight up and down, done with rigid lines that interrupt the flow of the brush strokes. Tiny little trees soften the inflexibility of the town. Bringing nature into the unnaturalness of buildings.</p>



<p>Divide the painting into three parts. The sky is the divine. It is by far the most dreamlike, unreal part of the painting, beyond human comprehension and just out of reach. Go down one level to the cypress, the hills, and the other trees on the ground. They bend and swirl, still soft angles that match the soft swirls of the sky. The last part is the village. The straight lines and sharp angles divide it from the rest of the painting, seemingly separating it from the “heavens” of the sky. However, note the dots of trees rolled through the village, how the spire of the church stretches up to the sky. Van Gogh brings God to the village.&#8221;</p>



<p>ঈশ্বর ও আস্থার ফলস্বরুপ&nbsp; &#8220;The Starry Night&#8221; আমাদের পৃথিবী ও স্বর্গের পথ বাতলে দেয়। এছাড়া Van Gogh ছিলেন এক ধার্মিক পরিবারের ছেলে। কাজেই দার্শনিক স্বর্গের পরিকল্পনা ব্যর্থ নয়। তবে ঠিক মুদ্রায় দ্বিতীয় পিঠ বিজ্ঞান বাতলে দিচ্ছে Luminance -এর কথা।</p>



<p>Luminance-&nbsp; is a photometric measure of the luminous intensity per unit area of light travelling in a given direction. It describes the amount of light that passes through, is emitted from, or is reflected from a particular area, and falls within a given solid angle.</p>



<p>আরও গভীরে নামলে হয়তো অঙ্কের ভাষার আরও অনেক কিছু জানতে পারব। তবে এত কিছু এখন এই মুহুর্তে ভাবার নয়। এখন&nbsp; &#8220;The starry night&#8221; &nbsp;থেকে মেপে নেব চোখের দৃষ্টিতে রাতের আকাশ,&nbsp; হাওয়ার পথ,তারাদের খেলা, ঘুমন্ত গ্রাম আর গাছের আকাশ ছোঁয়া পরিচয়। বিজ্ঞানের বাইরে যে অনুভূতিগুলো আছে&nbsp; তাদের রং মাখিয়ে তুলির সৈন্যদের ছড়িয়ে দেব বুকের ভেতর।</p>



<p>প্রতিটি শিল্পী সময়ে অসময়ে নিজেকে ব্যর্থ মনে করেছেন। কেউ কেউ টিকে গেছেন অথবা নিজেকে ধ্বংস করে চলে গেছেন। তবে শিল্পী আজীবন শিশুর মতন। তাকে আঁকড়ে ধরে রাখতে হয়, বাতলে দিতে হয় তার গুরুত্ব। নাহলে এভাবেই শেষ হয়ে যায় বারবার । চলে যাওয়ার পর বিখ্যাত তকমা পায়। অনেক শিল্পীকে হয়তো সময়ের থেকে এগিয়ে, তাদের বুঝতে বুঝতে এক একটা যুগ কেটে যায়। যে starry night- কে Van Gogh তার অন্যতম ব্যর্থতা ভেবেছিলেন,&nbsp; এখন সে বিশ্ব বিখ্যাত। মোস্ট সেলিব্রেটেড ওয়ান। আর কিছু বলার থাকে না, কে ভুল? সময়, শিল্পী নাকি তার দর্শক? জানা নেই। তবে ১৯৭১ সালে ইন্সপায়ার্ড Don McLean -এর বিখ্যাত গান Starry, starry night -এর বিশেষ কিছু লাইন মনে পড়ে।</p>



<p>&#8220;Now I understand</p>



<p>What you tried to say to me</p>



<p>And how you suffered for your sanity</p>



<p>And how you tried to set them free</p>



<p>They would not listen, they did not know how</p>



<p>Perhaps they&#8217;ll listen now&#8221;</p>



<p>গুলিবিদ্ধ Vincent Willem van Gogh -এর আজ পৃথিবীতে ছিল শেষ দিন। সে চলে যায় সব ফেলে তাঁর অবসাদ গর্ভে। রেখে গেছে নীল &#8211; হলুদে মোড়া তাঁর পৃথিবী। আমরা যুগ-যুগ প্রতিটি প্রজন্ম The starry night -এর সামনে দাঁড়াব। তাঁর দৃষ্টিতে পৃথিবীটাকে দেখবার চেষ্টা করব তারপর হয়তো লোকটার কথা ভাবব। সময়ে অসময়ে Starry, starry night শুনতে শুনতে আমরাও গভীর বিষাদে হেটে যাব । তারপর নীরবে তারা ভরা আকাশের নীচে দাঁড়িয়ে হাওয়ার গতিপথ অনুসরণ করব। যদিও আজ আকাশ ভারী মেঘলা। বৃষ্টি হয়েছে ইতস্তত। তবুও আকাশে উজ্জ্বল তারা আছে মেঘের সংগোপনে।</p>



<p>Van Gogh- Painters understand nature and love it, and teach us to see.</p>



<p>Starry, Starry night- Don McLean</p>



<hr class="wp-block-separator is-style-wide"/>



<p><strong>Biswarup Howlader</strong></p>
<p>The post <a href="https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a6%98-%e0%a6%93-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/">ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ ও দ্য স্টারি নাইট</a> appeared first on <a href="https://recitalspherical.org">RecitalSpherical</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://recitalspherical.org/%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a6%98-%e0%a6%93-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
